দেহের শক্তি কীভাবে বারাতে পারব?
7 Answers
আমাদের শরীরে নিয়মিত ক্যালরীর ক্ষয় হতে থাকে, যার ফলে আমাদের অতি তারাতারি অবসাদ বা শক্তি কমতে থাকে, আর যদি ক্যালরির চাহিদা অনুযায়ী পূরণ না হয় তবে তো কোন কথাই থাকেনা, আর শক্তি বাড়াতে হলে আপনাকে নিয়মিত শর্করা জাতীয় খাবার খেতে হবে, এবং সবুজ শাকসবজি খেতে হবে তবেই আপনি সফল হতে পারবেন,আশা করি বুঝতে পেরেছেন
দেহের শক্তি নির্ভর করে পুষ্টিমান খাদ্য উপর। প্রচুর পরিমান শাখসবজি খান দিনে ৫ থেকে ৬ লিটার পানি খান করেন। দেখবেন শারীরিক শক্তি বাড়বে।
দেহের শকতি বারাতে হলে খাবারের তালিকা এবং সময়সুচি ঠিক রাখতে হবে অর্থাৎ খাবারের তালিকায় শর্করা জাতিয় খবার রাখতে হবে । নিয়মিত বুকডাউন দিতে হবে ব্যায়াম করতে হবে । বেসি বেসি পানি পান করতে হবে ।
ডিমের কুসুম শরীরের জন্য খুব উপকারী। এতে প্রচুর ভিটামিন বি থাকে, যা শরীরে শক্তি সরবরাহে সাহায্য করে। ডিমের মধ্যে বিদ্যমান ভিটামিন ডি হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। এছাড়া প্রোটিনের ব্যাপক সরবরাহ করে ডিমের কুসুম।
শক্তি বাড়াতে পানিকে গুরুত্ব দিন
পানির বিকল্প কিছু নেই— এটা আমরা সবাই জানি। তবে পানি কী জন্য এত প্রয়োজনীয় তা এর গুণাগুণ জানলেই বোঝা যায়। শরীরে শক্তি জোগাতে এবং পুষ্টি সরবরাহ করতে এটি বিশেষ ভূমিকা রাখে। এছাড়া শরীরের অপ্রয়োজনীয় উপাদান পানির কারণে মূত্র আর ঘামের সঙ্গে বের হয়ে যায়। এতে শরীর অনেক বেশি সতেজ থাকে।
চায়ের চেয়ে কফি ভালো
চায়ের থেকে কফি অনেকের প্রিয়। এতে অনেক বেশি ক্যালসিয়াম আর ভিটামিন ডি থাকায় ব্যায়াম বা শারীরিক কসরতজনিত যেকোনো কাজে অনেক বেশি শক্তি জোগায়।
সয়াবিন
সয়াবিনে ভিটামিন বি, বি কমপ্লেক্স থাকে। এছাড়া কপার ও ফসফরাস থাকার ফলে খাবারকে ভেঙে তার পুষ্টি গুণাগুণ শরীরে সরবরাহ করতে সাহায্য করে।
বাদাম
বাদাম আর শুকনো ফলের মিশ্রণ শরীরে ব্যাপক প্রোটিন সরবরাহ করে। এর মধ্যে থাকা আঁশ শরীরে গ্লুকোজ সরবরাহ অনেকটা স্বাভাবিক রাখে।
দেহের শক্তি নির্ভর করে পুষ্টিমান খাদ্য উপর। প্রচুর পরিমান শাখসবজি খান দিনে ৫ থেকে ৬ লিটার পানি খান করেন। দেখবেন শারীরিক শক্তি বাড়বে।এবং নিয়মিত প্রতিদিন ব্যায়াম করতে হবে ।ব্যাম করে দ্রুত শক্তি বারে এবং হাই .বডি এবং ৬ পেক হয় ।
আমাদের খাদ্যভাসে বিশেষ কিছু খাদ্য দ্রব্য রাখলে আমরা প্রচুর শক্তি অর্জন করতে পারি।
পানি:
পানি প্রতিদিন ২ লিটার অর্থ্যাৎ ৮-১০ গ্লাস পানি খাওয়া একান্ত অপরিহার্য। সঠিক পরিমানে পানি খেলে শরীরের জয়েন্টগুলো সচল থাকে। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রনে থাকে, খাবার সহজে হজম হয়, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়, রক্তে অক্সিজেন সরবারাহ বজায় থাকে, এক কথায় দেহের ক্লান্তি দূর হয়ে যায়।
তাজা ফলমূল:
আমাদের দেহের শতকরা ৮০ ভাগই পানি। শুধু পানি খেয়ে দেহের পানির চাহিদা পূরন করা যায়না। এজন্য প্রচুর পরিমানে তাজা ফলমূল খাওয়া উচিত। ফলকে বলা হয় ব্রেইন ফুয়েল ও অ্যান্টি-ডিপ্রেস্যান্ট। আমেরিকার হার্ট অ্যাসেসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন ৩-৫টি ফল খাওয়া উচিত। েএতে ডিপ্রেশন কম হয়, হার্ট ভালো থাকে, কোলস্টেরল নিয়্ন্ত্রনে থাকে।
সবুজ শাক-সবজি ও সালাদ:
সবুজ শাক-সবজি ও সালাদে রয়েছে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ফাইবার। আয়রন ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ শাক সবজি অস্টিওপোরোসিস ও আর্থ্রইটিস প্রতিরোধ খুবই উপকারী। এতে দেহ সুস্থ, সবল ও কর্মক্ষম থাকে।
বাদাম ও বীজযুক্ত সবজি:
বাদাম ও বীজযুক্ত খাবারে রয়েছে ন্যাচারাল ফ্যাট ও প্রোটিন যা দেহে শক্তি যোগাতে সাহায্য করে।
দুধ ও দুধ জাতীয় খাবার:
এনার্জি জোগাতে দুধের কোন বিকল্প নাই।প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ খেলে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি সহজে পূরন করা যায়। এছাড়া দই, পায়েস ইত্যাদিও আমাদের দেহের এনার্জির উৎস হতে পারে ।
স্প্রউটস বা অঙ্কুরিত বীজ:
স্প্রউটস শরীরে এনার্জি দেয়। এতে প্রোটিন বেশি পরিমানে থাকে,ফ্যাটের পরিমান কম। সিদ্ধ, স্প্রাউটস সহজে হজম হয়। প্রতিদিন এক বাটি স্প্রাউটস খাওয়া খুবেই ভালো।
মূলযুক্ত খাবার:
মিষ্টি আলু, বিটের মতো মূল যুক্ত খাদ্যে রয়েছে ভিটামিন সি-, ভিটামিন-বি৬, পটাসিয়াম ও খনিজ উপাদান। এই জাতীয় খাবার ডিপ্রেশন কমাতে সাহায্য করে ও খাদ্যে র চাহিদা সহজে মেটাতে পারে। দেহের এনার্জি বাড়াতে খাদ্যের ভারসাম্য বজায় রাখা একান্ত প্রয়োজন। এজন্য ডায়েট বা খাদ্যভাসের ৪০ ভাগ ফলমূল, সবজি ২০ ভাগ এবং ৩০ ভাগ ফ্যাট রাখা প্রয়োজন । পাশাপাশি প্রচুর পরিমানে পানি খেলে এনার্জি বা শক্তির জন্য আর চিন্তার কিছুই থাকবে না।
বিভিন্ন ফল, শাকসবজি, ডিম, দুধ, ভাত, মাছ, গোস্ত ইত্যাদি খবার, প্রতিদিন সকালে ১-২ টি রসগোল্লা নিয়মিত, নিয়মিত ব্যায়াম, তৈলাক্ত খাবার পরিহার এইভাবেই আপনি ভালো স্বাস্থের অধিকারী ও শক্তিবান হতে পারবেন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy