আমার দেহের শক্তি আরও বৃদ্ধি করতে চাই! সেক্ষেত্রে আপনাদের টিপস অতীব জুরুরী|?
3 Answers
ডিম খেলে শক্তি বাড়ে
ডিমের কুসুম শরীরের জন্য খুব উপকারী। এতে প্রচুর ভিটামিন বি থাকে, যা শরীরে শক্তি সরবরাহে সাহায্য করে। ডিমের মধ্যে বিদ্যমান ভিটামিন ডি হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। এছাড়া প্রোটিনের ব্যাপক সরবরাহ করে ডিমের কুসুম।
শক্তি বাড়াতে পানিকে গুরুত্ব দিন
পানির বিকল্প কিছু নেই— এটা আমরা সবাই জানি। তবে পানি কী জন্য এত প্রয়োজনীয় তা এর গুণাগুণ জানলেই বোঝা যায়। শরীরে শক্তি জোগাতে এবং পুষ্টি সরবরাহ করতে এটি বিশেষ ভূমিকা রাখে। এছাড়া শরীরের অপ্রয়োজনীয় উপাদান পানির কারণে মূত্র আর ঘামের সঙ্গে বের হয়ে যায়। এতে শরীর অনেক বেশি সতেজ থাকে।
চায়ের চেয়ে কফি ভালো
চায়ের থেকে কফি অনেকের প্রিয়। এতে অনেক বেশি ক্যালসিয়াম আর ভিটামিন ডি থাকায় ব্যায়াম বা শারীরিক কসরতজনিত যেকোনো কাজে অনেক বেশি শক্তি জোগায়।
সয়াবিন
সয়াবিনে ভিটামিন বি, বি কমপ্লেক্স থাকে। এছাড়া কপার ও ফসফরাস থাকার ফলে খাবারকে ভেঙে তার পুষ্টি গুণাগুণ শরীরে সরবরাহ করতে সাহায্য করে।
বাদাম
বাদাম আর শুকনো ফলের মিশ্রণ শরীরে ব্যাপক প্রোটিন সরবরাহ করে। এর মধ্যে থাকা আঁশ শরীরে গ্লুকোজ সরবরাহ অনেকটা স্বাভাবিক রাখে। এছাড়া প্রোটিন পেশিকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।
কুমড়ার বীজ
কুমড়ার বীজ খাবার হিসেবে অনেকের প্রিয়। অনেকে ভেজে খেতে পছন্দ করেন কুমড়ার বীজ। এ বীজে প্রোটিন, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, জিঙ্ক আছে। এ উপাদানগুলো শরীরের শক্তি বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। ব্যায়াম বা শারীরিক যেকোনো কাজ করার সময় যে শক্তি প্রয়োজন হয়।
এছাড়া দৈনিক দুধ কলা মধু খেতে পারেন
আপনি পর্যাপ্ত পরিমান পানি খাবেন। শর্করা জাতীয় খাবার খাবেন বেশী। তবে চর্বিজাতীয় খাবার খুব কমাতে হবে। আপনি সবুজ শাকসবজি বেশী বেশী খাবেন। ঘুম পর্যাপ্ত রাখবেন। ব্যায়াম খেলাধুলা করবেন। বিছানায় দিনের বেলা বেশী ক্ষন থাকবেন না। বিকালে লাল চা খেতে পারেন। ডিম,দুধ,মধু খাবেন। আর পাচ ওয়াক্ত নামাজের সাথেই থাকবেন।
শক্তি বাড়াতে:- ১। এ্যলমন্ড (কাঠ বাদাম) ৩/৪টি (সাধারণ
দোকানে অনেক দাম বেশী তাই কাওরান
বাজার কিচেন মার্কেটের দোতালায়
পাওয়া যায় ৪৩০ টাকা কেজি সেখান থেকে
২৫০ কিংবা ৫০০ গ্রাম নিতে পারেন।
অনেকদিন চলে যাবে এতে।)
২। ছোট কলা (চম্পা) ১টি
৩। গাভীর দুধ - আধা কাপ
৪। আঙ্গুর - ৩/৫টি না পেলে রসুনের কোয়া
ছোটগুলো কাচা ৩/৫টি । তবে দুধ এবং রসুন
খাওয়ার মধ্যে কমপক্ষে ৪-৫ ঘন্টা ব্যবধান
থাকতে হবে। নচেৎ শরীরের রক্তের ক্ষতি
করে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy