আমার প্রশ্ন টি একটু ভিন্ন ,চলুন দেখি?
5 Answers
এক্ষেত্রে আপনি নিচের খাবারগুলো খেতে পারেন:- সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে না তোলা আর অনিয়মের কারণে যাদের স্বাস্থ্য ঠিক রাখা সম্ভব হয় না, তাদের খাবারের তালিকায় কিছু খাবার রাখা খুবই জরুরি। এমনই কিছু খাবারের নাম উল্লেখ করে একটি তালিকা প্রকাশ করে ‘ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ হেলথ, অফিস অফ ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট’। স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদনে সেলেনিয়াম নামক একটি খনিজ উপাদানের নাম উল্লেখ করা হয় যা সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। তবে অতিরিক্ত সেলেনিয়াম আবার স্বাস্থ্যর ক্ষতিও করতে পারে। ‘দ্য সাপ্লিমেন্ট হ্যান্ডবুক’ বইয়ের লেখক ও ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগানের মেন’স হেল্থ প্রোগ্রামের সমন্বয়কারী ডা. মার্ক মোয়াদ বলেন, “যদি নিয়মিত প্রয়োজনের অতিরিক্ত সেলেনিয়াম গ্রহণ করা হয় তাহলে তা টাইপ টু ডায়বেটিসের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাছাড়া আরও কিছু ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।” তাই সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় হলেও অতিরিক্ত সেলেনিয়াম গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। স্বাস্থ্য ভালো করার জন্য প্রয়োজনীয় খাবারগুলোর নাম এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হল। বাদাম প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় বাদাম রাখা স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি। বাদাম শরীরে সেলেনিয়ামের চাহিদা পূরণ করতে সাহায্য করে। মাছ প্রতিদিনের খাবারে যে কোন মাছ রাখা খুবই দরকার। কারণ মাছে আছে নানান ধরনের পুষ্টিকর উপাদান যা স্বাস্থ্য গঠনের জন্য প্রয়োজনীয়। তবে টুনা মাছে রয়েছে সব থেকে বেশি পরিমাণে সেলেনিয়াম। সামুদ্রিক মাছ সারডিন, চিংড়ি ইত্যাদিতে সেলেনিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই সুন্দর স্বাস্থ্যের জন্য খাবারের তালিকায় মাছ রাখা দরকার। মাংস মাংসে রয়েছে প্রায় মাছের সমপরিমাণ সেলেনিয়াম। গরু, খাসি, মুরগি ইত্যাদি মাংস নিয়ম করে খাওয় উচিত। প্রতিদিন মাংস খাওয়া তেমন একটা স্বাস্থ্যকর নয় বরং ক্ষতি করতে পারে। তাই নিয়ম করে খাবারের তালিকায় মাংস রাখতে হবে। পনির সেলেনিয়াম ও ক্যালসিয়ামের দারুণ উৎস। আর স্বাস্থ্য গঠনের জন্য এই দু’টি উপাদান অত্যন্ত জরুরি। শস্য দানা ভাত, ওটস, কর্ন ফ্লেকস ইত্যাদি খাবারে স্বাস্থ্য গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান থাকে। তবে পরিশোধিত চাল ও গমের তুলনায় লাল আটার রুটি এবং লাল চালের ভাত বেশি পুষ্টিকর। তাই যারা স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চান তাদের খাবারের তালিকায় অবশ্যই এই খাবারগুলো রাখতে হবে। সুত্র:Bdnews24
আপনি বেশি পরিমানে খাওয়া ও পানি খান। এবং বেশি ঘুমাবেন সাস্থের পরিবর্তন হবে। মোটা হওয়ার ঔষধ খেয়ে মোটা হলে পরে ক্ষতি হয়। আপনি একজন হামদর্দের ডাক্তার দেখাতে পারেন বিনামুল্যে। অথবা নিরাপদ হার্বাল সিরাপ সিনকারা খান।মেদ বাড়বে।
প্রতিদিনের সুষম খাদ্যতালিকাঃ
যেমন - ভাত, মাছ, মাংশ, ডাল খেতে হবে। এর সাথে নিয়মিত সবজি খাবেন। সবজি আপনার অন্ত্র পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করবে। নিয়মিত ফলমূল খাবেন।
আর সকল প্রকার কোল্ড ড্রিংক্স,
ফাস্ট ফুড, এনার্জি ড্রিংক এড়িয়ে
চলবেন । শরীর ফিট রাখার জন্য হালকা ব্যায়াম করবেন।
(১) প্রতিবেলা খাবারে আগের চাইতে একটু বেশি খান। (২) খাবারে প্রাণিজ আমিষের পরিমান বাড়ান। (৩) প্রতিদিন মিষ্টি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার খান, এবং অবশ্যই (৪) পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। আশা করি ১/২ মাসের মধ্যেই আপনার সাস্থ্যের যথেষ্ট উন্নতি হবে, ইনশাআল্লাহ।
আপনি বেশি বেশি করে ক্যালোরিযুক্ত খাবার খান। ফ্যাট জাতীয় খাবারও বেশি করে খান। ভাতের বদলে ডাল এবং সবজিসহ রান্না করা খিচুড়ি খান । ভাত খেতে হলে বসা ভাত রান্না করুন কিংবা রাইস কুকারে রান্না করা ভাত খান । ফ্যান বা মাড় ঝরানো ভাত খেতে পারেন। রুটি খাবেন না । পাউরুটি খেলে জেলি/জ্যাম অথবা মাখন সহ খান । প্রতিদিন ১০০ গ্রাম বাদাম খাওয়ার অভ্যাস করুন।প্রতিদিন কমপক্ষে ২৫০ গ্রাম দুধ খান । দিনে ২ টি ডিম খান । অতিরিক্ত চা কফি খাবেন না । কখনই খাবার বাদ দেবেন না । দ্রুত কোথাও যেতে হলে বা কাজ থাকলে পথে খাবারটা খেয়ে নিন । খাবার বাদ দিলে শরীরের ক্ষতি হয় । তিনবেলা খাওয়ার সাথে সাথে বিকালে নাস্তা করুন । এতে ওজন বেড়ে যাবে এবং আপনি মোটা ও হয়ে উঠবেন।