মাত্রাতিরিক্ত ওজন?
4 Answers
দৈনিক ইক্তেফাক থেকে সংগ্রহীত অতিরিক্ত ওজন কমানোর কার্যকর পদ্ধতি গুলোঃ
মানসিক উত্সাহ নিন
ওজন কমাতে আপনার নিজের ব্যাপারে নিজেকেই দায়িত্ব নিতে হবে। কিন্তু তাই বলে নিতান্তই একা নন। আপনি মানসিক জোর পেতে পারেন আপনার সঙ্গীর কাছ থেকে, বন্ধুদের কাছ থেকে। এমন মানুষ নির্বাচন করুন যে কিনা আপনাকে মূল্য দেবে এবং আপনার কথা শুনবে। আপনার শরীর চর্চার সময় আপনাকে সঙ্গ দেবে।
পুষ্টিকর খাবার খান
নতুন করে খাদ্যাভাস শুরু করুন, যাতে কিনা আপনার খাদ্যে ক্যালোরির পরিমাণ কমে যায়। কিন্তু মনে রাখতে হবে ক্যালোরি কমাতে আপনার খাদ্যের রুটিন, তৃপ্তি ও খাদ্য তৈরির সহজ পদ্ধতির কোনোটিই যেন বাদ না যায়। সবচেয়ে ভালো পথ হলো, আপনি বেশি বেশি করে উদ্ভিদ খাদ্য, যেমন ফল, সবজি এবং আঁশজাতীয় খাদ্য খান। সব সময় সচেষ্টা থাকুন যেন আপনার খাদ্য বৈচিত্র্যময় হয় এবং রুচি ও পুষ্টি অপরিবর্তিত থাকে।
কর্মতত্পর হোন, কাজের মধ্যে থাকুন
শুধু খাদ্য নিয়ন্ত্রণই আপনার ওজন কমাতে পারে না। যদি আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকা থেকে ৫০০ ক্যালোরি কমাতে পারেন তাহলে আপনার ওজন কমে প্রতি সপ্তাহে আধা কেজি। আবার ৩৫০০ ক্যালোরি কমালেই মাত্র ১/২ কেজি ফ্যাট কমবে। কিন্তু আপনি প্রতিদিন ৪০ থেকে ৬০ মিনিট স্বতস্ফূর্ত হাঁটুন সপ্তাহে অন্তত ৪ দিন আপনার ক্যালোরি দেখবেন কমছে ২ গুণ।
ওজন কমাতে শরীর চর্চার উদ্দেশ্য হলো ক্যালোরি পুড়ানো, কতটুকু ক্যালোরি খরচ হলো তা নির্ভর করে আপনার শরীরচর্চার পরিমাণ ও কত সময় ধরে করলেন তার ওপর। সবচেয়ে ভালো সহজ উপায় হলো—প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটা। আর ছোটখাটো সহজ উপায় হলো আপনার শারীরিক তত্পরতা আপনি বাড়াতে পারেন—লিফটে না উঠে সিঁড়ি বেয়ে উঠুন, গাড়িটা বাদ রেখে আশপাশের বাজারঘাট, অফিস হেঁটেই যান।
প্রতি সপ্তাহের আপনার ডায়েট চার্টটি যেমন হতে পারে
সম্পূর্ণরূপে অ্যালকোহল জাতীয় পানীয় বর্জন করুন। অবশ্যই দৈনিক ৩-৭ লিটার পানি পান করতে হবে। লেবু পানি, সোডা পানি, কফি, চা ইত্যাদি পানীয় পান করতে পারবেন তবে ক্রিম, ক্রিমজাতীয় খাবার ও চিনি বর্জন করতে হবে।
আপনার ১ মাসের ডায়েট রুটিন এ রকম হতে পারে।
১ম দিন
কলা ব্যতীত যত ইচ্ছা ফল খান, অন্য কোনো খাবার গ্রহন করবেন না, শুধু ফল খাবেন।
২য় দিন
পছন্দ অনুযায়ী শাক-সবজি কাঁচা বা রান্না করে খেতে পারেন। রান্না অবশ্যই মসলা ব্যতীত হতে হবে। পছন্দের শাক-সবজি সিদ্ধ করে পানি ফেলে অল্প তেলে ভেজে নিন লবণসহ।
৩য় দিন
এই দিনে কলা ব্যতীত ফল-মূল, শাক-সবজি ইচ্ছা মতো খাবেন।
৪র্থ দিন
এই দিনে আপনি ৮টি মাঝারি আকারের কলা ও তিন গ্লাস (২০০মিলি) দুধ খাবেন। অন্য কিছু খাওয়া যাবে না।
৫ম দিন
অল্প পরিমাণ চর্বিহীন মাংস ও ৬টি টমেটো খান।
৬ষ্ঠ দিন
এই দিন ইচ্ছামতো চর্বিহীন মাংস ও শাক-সবজি খাবেন।
৭ম দিন
এই দিন বাদামি চাল, ফলের রস এবং সকল প্রকার শাক-সবজি ইচ্ছামতো গ্রহণ করুন।
কিছু সহজ এক্সারসাইজ
অনেকেই মনে করে এক্সারসাইজ করা মানে শরীর থেকে বাড়তি ওজন কমানো, এক্সারসাইজ শুধু বাড়তি ওজন কমানোর জন্য নয়। বরং নিজেকে সারাদিন ফিট, চনমনে রাখতে আর শরীরের কলকব্জাগুলোকে পরিপূর্ণভাবে সজাগ রাখতেই এক্সারসাইজ করতে হয়। অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে কিংবা ওজন কমাতে এক্সারসাইজ অপরিহার্য। আপনার শরীর যে ধরনের এক্সারসাইজ বহন করতে পারে বা তার সহ্য ক্ষমতা যে ধরনের এক্সারসাইজকে ধারণ করতে পারে সে রকম এক্সারসাইজই বেছে নিন, তবে এ সবকিছু করার জন্য আপনাকে মানতে হবে সহজ কিছু নিয়ম।
নিয়ম ১
ওয়ার্মআপ করার জন্য বাড়ির ছাদে বা সামনের রাস্তা থেকে ২০ মিনিট হেঁটে আসুন। যদি বাড়িতে ট্রেডমিল থাকে তাহলে ১০ মিনিট ট্রেডমিলে দৌড়াতে পারেন। একেবারেই জায়গা নেই এমন হলে আপনি আপনার রুমেই স্বাচ্ছন্দ্যে দৌড়াতে পারেন।
নিয়ম ২
এরপর পালা শুরু হবে স্ট্রেচিং এক্সারসাইজের, অর্থাত্ এক্সারসাইজের মাধ্যমে পিঠ, ঘাড়, হাত এবং পা ভালোভাবে স্ট্রেচ করা দরকার।
নিয়ম ৩
এবার করুন কার্ডিওয়ার্ক আউট। একটু জোরে হেঁটে আসুন, আস্তে আস্তে গতি বাড়ান এরপর ১৫ মিনিট জগিং করতে পারেন। পুরো ৩৫ মিনিট কার্ডিওয়ার্ক করলে আপনার শরীরের জন্য যথার্থ উপকার পাবেন।
নিয়ম ৪
নিজেকে কোল্ডডাউন করতে ৫ মিনিট একদম আস্তে আস্তে হাঁটুন এখন ৫ মিনিট স্ট্রেচ করতে পারেন। কিছু সহজ এক্সারসাইজ বাড়িতে ট্রাই করতে পারেন।
নিয়ম ৫
সোজা হয়ে দাঁড়ান। হাত সোজা করে ঘরের সিলিংয়ের দিকে স্ট্রেচ করুন। এবার পায়ের আঙ্গুলের উপর ভর দিয়ে যতটা সম্ভব জোরে লাফান। মাটিতে নেমে আসার সঙ্গে সঙ্গে আবার লাফান কোনো ব্রেক দিবেন না। টানা এক মিনিট লাফাতে থাকুন। এক মিনিট ব্রেক দিয়ে আবার শুরু করুন। দশ-বারোবার এইভাবে লাফাতে পারেন।
নিয়ম ৬
মাটির উপর শুয়ে পড়ুন তারপর দুটি হাতের সাহায্যে মাটি থেকে উঠার চেষ্টা করুন। হাতে কোনো ভাঁজ যাতে না পড়ে। শুরুতে মোটামুটি ৫-১০টি পুশআপ দিতে চেষ্টা করুন। অনেক সময় এক হাতের উপর ভর দিয়েও পুশআপ করা যায়।
কিছু ঘরোয়া উপায়
বাড়তি ওজন আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। ওজন কমান প্রাকৃতিক নিয়মে। এ নিয়ম স্বাস্থ্যসম্মত ও ঝুঁকিবিহীন। কয়েকটি কার্যকর ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বন করে ওজন কমান আর ঝুঁকিমুক্ত থাকুন বিভিন্ন মারাত্মক রোগ থেকে।
++ তাজা ফলমূল ও সবুজ শাকসবজি হলো কম ক্যালরিযুক্ত খাদ্য, তাই যাদের ওজন বেশি তাদের বেশি করে এগুলো খাওয়া উচিত।
++ অতিরিক্ত লবণ খাওয়া পরিহার করতে হবে। কারণ, লবণ শরীরের ওজন বাড়াতে সাহায্য করে।
++ দুধযুক্ত খাবার, যেমন :পনির, মাখন—এগুলো পরিহার করতে হবে। কারণ, এগুলো উচ্চ চর্বিযুক্ত। সঙ্গে মাংস ও আমিষজাতীয় খাবারও নির্দিষ্ট পরিমাণে খেতে হবে।
++ উচ্চ শর্করাসমৃদ্ধ খাদ্য, যেমন—চাল, আলু অবশ্যই নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় খেতে হবে, আর গম (আটা) খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।
++ মসলাজাতীয় খাবার, যেমন :আদা, দারুচিনি, কালো মরিচ এগুলো প্রতিদিনের খাবারে রাখতে হবে। মসলাজাতীয় খাবার হলো ওজন কমানোর কার্যকর ঘরোয়া পদ্ধতি।
++ ঘরোয়া পদ্ধতিতে ওজন কমানোর আরেকটি ভালো উপায় হলো মধু খাওয়া। মধু দেহের অতিরিক্ত জমানো চর্বিকে রক্ত চলাচলে পাঠিয়ে শক্তি উত্পাদন করে, যা ব্যবহূত হয় দেহের স্বাভাবিক কার্যকলাপে। মধু খাওয়া প্রথমে শুরু করতে পারেন অল্প পরিমাণে, যেমন—এক চামচ বা ১০০ গ্রাম, যা হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে এর সঙ্গে এক চামচ লেবুর রস দিয়ে খেতে পারেন।
++ যারা পথ্য নিয়ন্ত্রণের নিয়ম মেনে চলেন বা দিনের পর দিন উপবাস করেন ওজন কমানোর জন্য, তাদের জন্য মধু ও লেবুর রস খুবই উপকারী।
এটি কোনো ধরনের শক্তি ও ক্ষুধা নষ্ট করে না। এ ধরনের চিকিত্সায় এক চামচ টাটকা মধুর সঙ্গে আধা চামচ কাঁচা লেবুর রস আধা গ্লাস হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে নির্দিষ্ট বিরতি দিয়ে প্রতিদিন কয়েকবার খেতে হবে।
++ বাঁধাকপিকে ওজন কমানোর আরেকটি কার্যকর উপায় হিসেবে ধরা হয়। বাঁধাকপি মিষ্টি ও শর্করাজাতীয় খাবারকে চর্বিতে রূপান্তর করতে বাধা দেয়। এ জন্য বাঁধাকপি খুবই কার্যকর ভূমিকা রাখে ওজন কমাতে। এটিকে কাঁচা অথবা রান্না করেও খাওয়া যায়।
ভাই আপনি নিচের রুটিনগুলা কিছুদিন পালন করেন আর বেশি বেশি খেতে থাকেন, এক মাসের মধ্যে সস্থ্য ভালো হবে দেখবেন : প্রধানত তিনটি কারণে দেহের ওজন কম হতে পারে: *chronic disease *eating disorders *lack of physical activity. রোগের কারণে যদি দেহের ওজন কম হয় তবে সে রোগের যথাযথ চিকিৎসা অবশ্যই করতে হবে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভুল খাদ্যাভ্যাস আর পর্যাপ্ত শারীরিক শ্রমের অভাবে দেহের ওজন বাড়াতে সফল হতে পারেন না। ওজন বাড়াতে তাই কিছু কৌশল মনে রাখতে হবে আমাদের: * ক্ষুধা লাগলেই খাবার খান: সহজে বহন করা যায় এমন খাবার সাথে রাখুন বাড়ির বাইরে থাকলে। সারা দিনের জন্য যখন কর্মপরিকল্পনা করবেন তখন কি ধরনের স্ন্যাক্স আপনি সাথে নিবেন তাও ঠিক করে রাখুন। কখনই এমন অবস্থা যেন না হয় যে, আপনি ক্ষুধার্ত কিন্তু আপনার সাথে খাবার নেই।Quick snacks হিসেবে সাথে রাখতে পারেন যেকান মৌসুমি ফল / juice /প্যাকেটজাত পনির ও ক্রাকার/ যেকোন ধরনের বাদাম ইত্যাদি। ৩-৪ ঘন্টা পর পর আপনাকে খাবার খেতে হবে, যদি ক্ষুধা নাও লাগে তবুও অল্প কিছু খেতে চেষ্টা করুন। *ক্যালরি পান করুন : high-calorie drinks পান করুন।Fruit juice, smoothies, milkshakes ও এমন products বেছে নিন যেগুলোতে ক্যালরি বেশি পরিমানে আছে।আপনার প্রধান খাবারের সাথে juice বা low-fat milk পান করুন। রাতে ঘুমাতে যাবার আগে smoothie বা milkshake পান করুন। * সকালের নাস্তা কখনই বাদ দিবেন না: সারা দিনের খাবারে মধ্যে সকালের নাস্তা খুবই গুরুত্ব পূর্ণ, তা ওজন কমানো বা বাড়ানো যাই হোক না কেন! যারা ওজন বাড়াতে চান তাদের জন্য এটি একটি ভাল সুযোগ ক্যালরি গ্রহনের। যদি সকালের নাস্তা বাদ দেন তবে প্রায় ৪০০ ক্যালরি গ্রহন থেকে বঞ্চিত হতে হয়!যদি প্রতিদিন সকালের নাস্তায় ৪০০-৫০০ ক্যালরি গ্রহন করা যায় তবে মাস শেষে প্রায় ৩ পাউন্ড ওজন বাড়াতে সক্ষম হবেন। *ছুটির দিনে খাবার : ছুটির দিনে আপনার খাবার সময়সুচি যেন ওলট পালট না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। দুপুর পর্যন্ত ঘুমালে অনেক খানি ক্যালরি মিস হয়ে যায়। যদি late morning বা early afternoon পর্যন্ত ঘুমানো একান্ত দরকার হয় তবে খাবার সময়গুলোতে এর্লাম দিয়ে রাখুন।
আপনি একটি বা দুটি নিয়ম অনুসরণ করে দ্রুত ওজন কমাতে পারবেন না, এজন্য আপনাকে বেশ কয়েকটি নিয়ম মেনে চলতে হবে, নিজের পচ্ছন্দমত কয়েকটি নিয়ম বেছে নিতে পারেন----
১) সকালে ২০ মিনিট মর্নিং ওয়াক করুন।
২) অভ্যাস করুন দৈনিক ১৫ মিনিট সাইকেল চালাতে।
৩) লিফটকে "না" বলে সিঁড়ি ভাঙুন।
৪) ফোনে কথা বলুন হেঁটে হেঁটে।
৫) গান ছেড়ে মন খুলে নাচুন মিনিট পনেরো।
৬) বসে থাকার অভ্যাসটা বাদ দিয়ে দিন।
৭) দৈনিক পান করুন কমপক্ষে দুই কাপ গ্রিন টি।
৮) নিজের কাজগুলো নিজেই করুন রোজ। যেমন কাপড় ধোঁয়া, বিছানা করা, ঘর পরিষ্কার ইত্যাদি।
৯) একটু স্পাইসি খাবার খান। মশলা মেটাবোলিজম বাড়ায় ও ক্যালোরি পোড়াতে সহায়তা করে।
১০) ফ্যাট বা তেল যুক্ত যে কোন খাবার খাওয়ার পরই বরফ শীতল পানি বা পানীয় পান করবেন না। ঠাণ্ডা কিছু খেতেই হলে ৩০ মিনিট পর খান।
১১) খাবার খান সময় নিয়ে, ভালমত চিবিয়ে খান।
১২) কোমল পানীয় একেবারেই বাদ দিন।
১৩) ভালমত ঘুমান।
১৪) দৈনিক মিনিট দশেক দড়ি লাফ খেলুন।
১৫) ব্যায়াম করতে ভালো লাগে না? পিং পং বল খেলাটা কিন্তু ভালো ব্যায়াম।
১৬) গড়ে তুলতে পারেন বাগান করার অভ্যাস
১৭) দৈনিক খেলতে পারেন ফ্রিজবী বা দৌড়ে খেলতে হয় এমন কোন খেলা।
১৮) মাছ খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
১৯) মন খুলে হাসুন, আনন্দ করুন। কেবল হেসেই মিনিটে ১.৩ ক্যালোরি পোড়ানো যায়। মনে রাখবেন, বিষণ্ণতা মানুষকে দ্রুত মোটা বানিয়ে ফেলে।
২০) স্ট্রেস মুক্ত জীবন যাপন করুন।
২১) সম্ভব হলে দৈনিক ঘর মুছুন। এটা খুব সহজে ক্যালোরি পোড়ায়।
২২) মুখের মেদ কমাতে চিনি ছাড়া চুইং গাম খান।
২৩) প্রতিবেলায় খাবারের সাথে সালাদ খান।
২৪) চিনি খাওয়ার অভ্যাস বাদ দিয়ে দিন।
২৫) বিলিয়ার্ড, ব্যাডমিনটন, সাঁতার ইত্যাদিও কিন মন-শরীর দুটোকেই ভালো রাখে।
সূত্র- healthdigezt
জিমে ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টর আপনার শরীরকে ফিট করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই ভালে কোনো জিমে যান।
একজন জিম ইন্সট্রাক্টরের পরামর্শ অনুযায়ী জিম করলে ওজন কমতে সহায়ক হবে। এছাড়াও আপনার বর্তমান ওজন বহুগুনে বেশি তাই জিম ইন্সট্রাক্টরের পরামর্শ নেওয়ার পাশাপাশি একজন ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ নিন।