মাত্রাতিরিক্ত মোববাইল ব্যাবহার এ কি কি সমস্যা হতে পার.?
2 Answers
কোনও ব্যক্তি যদি দীর্ঘসময় ধরে মোবাইল ফোনে কথা বলেন, সেটা ঘন্টার পর ঘন্টা এবং তা যদি চলতে থাকে বছরের পর বছর, তাহলে সেই ব্যক্তির ব্রেন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল, বলছে গবেষণা।সেই গবেষণাতে দেখা গেছে, যাঁরা মোবাইল বা কর্ডলেস ব্যবহার করেন না, তাঁদের তুলনায় যাঁরা ব্যবহার করেন, তাঁদের ব্রেন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।আগামী পঁচিশ বছর বাদেই সেই প্রভাব পাওয়া যাবে। দীর্ঘ পঁচিশ বছর ব্যবহারের পরই এর কুপ্রভাব বুঝতে পারবে, ব্যবহারকারীরা, দাবি গবেষকদের। ডেইলি মেল পত্রিকায়, এই গবেষণার মূল গবেষক লেনার্ট হার্ডেল ও পেশায় অঙ্কোলজিস্ট, নিজে একথা জানিয়েছে। তিনি আরও বলেন, সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে, যাঁরা ২৫বছর ধরে একটানা মোবাইল ব্যবহার করে চলেছেন, তাঁদের তুলনায় যাঁরা কম সময় ব্যবহার করেন, তাঁদের একধরণের ব্রেন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম।কিন্তু বিশেষ ধরণের ব্রেন ক্যান্সার গ্লিওমা ও মোবাইলের সে অর্থে কিন্তু কোনও যোগ নেই। তবু কেন মোবাইল ব্যবহারের ফলে এই ধরণের ব্রেন ক্যান্সারেই আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি সেই সম্পর্কিত কোনও তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। সেবিষয়ও গবেষণা চলছে এখন। সূত্র: লন্ডনের ডাক্তারদের গবেষণা।
মাএারিক্ত ব্যবহারের ফলে এগুলি হতে পারে। ক্যানসার---গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মোবাইল থেকে বেরনো রেডিওফ্রিকোয়েন্সির ফলে ব্রেন টিউমার হওয়ার সম্ভাবনা অনেকখানি বেড়ে যায়। এর থেকে ক্যানসারও হতে পারে। হার্টের সমস্যা--- মোবাইল থেকে বেরনো ক্ষতিকর রশ্মি পাকাপাকিভাবে হার্টের সমস্যা তৈরি করে। ফলে বুক পকেটে কখনও মোবাইল রাখবেন না। এবং হার্টের সমস্যা হচ্ছে বুঝলে অবহেলা করবেন না। বন্ধ্যাত্ব----মোবাইল রশ্মি বিকিরণের এটি অন্যতম ক্ষতিকর দিক। মোবাইল ফোনের ব্যবহারে পুরুষের স্পার্ম কাউন্ট কমে যায়। ফলে সন্তানের জন্ম দিতে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। শ্রবণ দুর্বলতা--- মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে শ্রবণ শক্তি পুরোপুরি নষ্ট হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরাই। মোবাইলের তড়িৎচুম্বকীয় ক্ষেত্রের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে অন্তরঙ্গতা কানে শোনার ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।