7 Answers
১. সমস্যাটি হরমোনের কারনে হতে পারে।
২. অতিরিক্ত ফ্যাটি ফুডে কারনেও হতে পারে।
হরমোনের কারনে কিনা তা জানার জন্য কিছু স্ক্রিনিং টেস্ট করা যেতে পারে। আর আপনাকেআপনাকে ডায়েট কনট্রোল করতে হবে। সেক্ষেত্রে কম কার্বোহাইড্রেট এবং কম ফ্যাট জাতীয় খাবার খেতে হবে। ওয়েট কমানোর জন্য ওরলিস্টাট এবং সিবুট্রামিন জাতীয় ওষধ ডাক্তারের পরামর্শে খেতে পারেন।
আপনার পরিমিত আহার আর তার পাশাপাশি প্রচুর পরিশ্রম করতে পারেন।নিয়মিত ব্যায়াম আপনার জন্য উপকারি হবে। আর চর্বি জাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকুন।
ওজন কমানোর উপায়
১) দুপুরের ঘুম পরে নয়, আগে
দুপুরে ঘুমানোটা অনেকেরই মারাত্মক একটি বদ অভ্যাস। বিশেষ গৃহিণীরা যারা ঘরে থাকেন, তাঁরা তো অনেকেই লাঞ্চের পর বিকাল পর্যন্ত একটু ঘুমিয়ে নেন। এই কাজটি কখনোই করবেন না। দুপুরের ঘুম আপনার হজম শক্তিকে বাধাগ্রস্থ করে এবং ওজন বৃদ্ধিতে মারাত্মক ভূমিকা রাখে। একান্তই ঘুমাতে হলে লাঞ্চ করার আগে ঘুমিয়ে নিন, এতে কোন অসুবিধা নেই।
২) গোসলটা লাঞ্চের আগেই সারতে হবে
আমাদের দেশে সাধারণত দুপুরে ভাত খাওয়ার আগে গোসল করাটাই নিয়ম, সেভাবেই আমরা বেড়ে উঠি। কাজের ব্যস্ততায় কিংবা আলসেমীতে দুপুরে খাওয়ার আগে আজকাল অনেকেরই গোসল হয় না। এই কাজটি যতটা সম্ভব পরিহার করুন। গোসলের সময় আপনার হজমক্ষমতা ধীর হয়ে আসে, যা ওজন বৃদ্ধির মূল কারণ। গোসল করতে হলে কমপক্ষে ২/৩ ঘণ্টা পর করুন। সবচাইতে উত্তম খাওয়ার আগেই গোসল সেরে নেয়া।
৩) ফলটা খালি পেটেই ভালো
ফল খেতে নিঃসন্দেহে সকল চিকিৎসকই পরামর্শ দিয়ে থাকেন। আর যারা ডায়েট করেন, তাঁরা তো অবশ্যই ফল খেয়ে থাকেন অনেক বেশী। অনেকের ডায়েট চার্টেও পুষ্টিবিদ ফল দিয়ে থাকেন। রাতের বেলা হালকা ডিনারের পর ফল খাওয়া যেতে পারে, কিন্তু দুপুরে নয়। কেননা আমাদের দেশে দিনের সবচাইতে ভারী খাবারটা আমরা দুপুরেই খেয়ে থাকি। ফল হজম হতে সময় কম লাগে, এদিকে ভারী খাবারের সময় লাগে বেশী। ফলে দুটি খাবারের একটিও ঠিক মত হজম হয় না। হজমের সমস্যা তো হয়ই, সাথে ওজনও বাড়ে। ফল খেতে চাইলে খাওয়ার ১ ঘণ্টা আগে বা পরে খেতে হবে।
৪) খাওয়ার পর মিষ্টিমুখ আর না
খাওয়ার পর একটু মিষ্টি কোন খাবার মুখে দেয়ার অভ্যাস আমাদের অনেকেরই আছে। মিষ্টি পান হোক বা অন্য যে কোন খাবার বা পানীয়, মিষ্টি মানেই বাড়তি ক্যালোরি। তাই এই অভ্যাসটি আপনাকে পরিহার করতে হবে একেবারেই।
৫) চা/ কফি পান বিকালেই হোক, লাঞ্চের পর নয়
ঘুমের ব্যাঘাত হবে ভেবে রাতের বেলা চা/কফি পান করেন কেউই, কিন্তু দুপুরে লাঞ্চের পর চা-কফি পানের অভ্যাস অনেকেরই আছে। বিশেষ করে যারা অফিসে থাকেন, তাদের তো লাঞ্চের পর চা-কফি ছাড়া চলেই না। ওজন কমাতে চাইলে এই অভ্যাসটি ত্যাগ করতে হবে। চায়ের পাতা এসিডিক, যা হজমকে বাধাগ্রস্থ করে। দুপুরে বলাই বাহুল মাছ/মাংস/ডাল ইত্যাদি প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়া হয়, চা খাওয়ার ফলে এই প্রোটিন সহজে হজম হয় না। এছাড়া খাবার থেকে আয়রন শোষণেও বাঁধা দেয় চা। এছাড়া চায়ের দুধ-চিনির বাড়তি ক্যালোরি তো আছেই।
৬) লাঞ্চের পর কায়িক পরিশ্রমের আছে নিয়ম
অনেকেই দুপুরের পর হাঁটতে যান বা ব্যায়াম করেন, যেহেতু রাতে সেটা সম্ভব হয় না। বিশেষ করে যারা ওজন কমাতে চান, তাঁরা তো অবশ্যই করেন এটা। অফিসে থাকলেও অনেকে দুপুরে খাওয়ার পর হাঁটাহাঁটি করেন এই ভেবে যে এতে বাড়তি ক্যালোরি ঝরিয়ে ফেলা যাবে। অথচ ফলাফল কিন্তু হয় উল্টো! হ্যাঁ, খাওয়ার পর হাঁটা ভালো, এটা খাবার হজম করতে এবং ওজন কমাতে খুব সহায়ক। কিন্তু হাঁটা আপনাকে হাঁটতে হবে খাওয়ার অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট পর। খুব জোরে হাঁটা চলবে না, কেবল হালকা পায়চারী। এবং অবশ্যই কোন ভারী ব্যায়াম বা পরিশ্রম করবেন না। এতে হজমে সমস্যা, বুক জ্বালা পোড়া, এসিডিটি ইত্যাদি নানান সমস্যা দেখা দেবে।
ফ্যাট বা চর্বি জাতীয় খাবার পরিহার করুন দিনের বেলা ঘুমাবেন না,, নিয়মিত ব্যায়াম করুন।
সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে একটা আস্ত লেবুর রস মিশিয়ে খান। সকালের নাশতা: দুটি লাল আটার রুটির সঙ্গে এক বাটি সবজি ও একটি ডিমের সাদা অংশ, সঙ্গে সালাদ ১ বাটি। সকাল ও দুপুরের মাঝামাঝি সময়ে একটি মৌসুমি টক ফল। দুপুরের খাবার : এক কাপ লাল চালের ভাত, সবজি এক বাটি, সামুদ্রিক মাছ এক পিস বা দেশী মাছ সপ্তাহে চার দিন। সপ্তাহের বাকি তিন দিন এক টুকরো করে মুরগির মাংস, এক বাটি ডাল। সঙ্গে এক বাটি সালাদ। বিকেলের নাশতা : এক কাপ দুধ বা চিনি ছাড়া চা সঙ্গে দু-তিনটি বিস্কুট খেতে পারেন। অথবা এক বাটি টক দই বা ননিতোলা ঘোল। রাতের খাবার : দুপুরের মতোই। তবে প্রতিদিনই ছোট মাছ খাবেন। মাংস খাবেন না। যাঁরা রাতে রুটি খান তাঁরা ভাতের বদলে দুটি লাল আটার রুটি খাবেন। রাতে ঘুমানোর অন্তত দুই ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খাবেন। শোবার আগে : এক গ্লাস ননিবিহীন দুধ খাবেন। সারা দিনে ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি অবশ্যই খাবেন। ডায়েট ছাড়াও ওজন কমানো সম্ভব। এর জন্য প্রয়োজন শুধু ইচ্ছেশক্তি আর সংযম।
নিয়মিত সকালে মাঠে গিয়ে হাটতে পারেন,
কিছু weight lose exercise করুন সকাল-সন্ধ্যে।
ইউটিউবে সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন। ওগুলি
আপনার ওজন কমিয়ে আপনাকে ফিট হতে
সাহায্য করবে।
শরিরের ওজন কমানোর উপায় হলো
খাওয়া নিয়ন্ত্রন করা ও ব্যায়াম করা।
খাওয়া হঠাৎ কমানো যাবেনা।
তাহলে দুর্বল লাগবে, তাই খাওয়া চালিয়ে
যান, তে ক্যালরি মুক্ত খাবার খেতে হবে।
পরিশ্রম করতে হবে, ব্যায়াম করতে হবে
হাটাহাটি বেশি করতে হবে।
কোন ঔষধ খেয়ে ওজন কমাবেন না।
মিষ্টি চিনি জাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে
প্রয়োজনে একজন ডায়াট্রিশিয়ানের পরামর্শ নিন।