5 Answers
সতেজ এবং সবুজ শাকসবজি, গাজর, ফল, বাদাম, ঘি ইত্যাদি খাবার খেলে স্মৃতিশক্তি এবং বুদ্ধি বাড়ে। যত বেশি এসব খাবার খেতে পারবেন তত সৃতিশক্তি বৃদ্ধি পাবে ।
শাক-সবজি এবং শস্য জাতীয় খাবার যেমন: গম, যব এগুলো খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করুন। নিম্ন মাত্রার চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন এবং প্রোটিন যুক্ত খাবার খান; যেমনঃ মাছ, চর্বিহীন মাংস ইত্যাদি। এ খাবার গুলো আপনার মস্তিস্কে পুষ্টি সরবরাহ করে আপনার স্মৃতিকে উন্নত
কচি বেলপাতা খাঁটি ঘিয়ে ভেজে খেলে স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়। আবার ব্রাহ্মী শাক এমন একটি ভেষজ উপাদান, যা স্মরণশক্তি বৃদ্ধির নানা ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। মস্তিষ্ককে সজীব করার একটি আয়ুর্বেদিক উপায় হলো – দশটি কাঠ বাদাম, দুটি ছোট সাদা এলাচ, দুটি শুকনা খেজুর একটি মাটির পাত্রে আগের দিন পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পরেরদিন সকলে বাদামের খোসা ছাড়িয়ে, এলাচের দানা বের করে, শুকনো খেজুরের বিচি বের করে এক সাথে ৩০ গ্রাম চিনির সাথে মিহি করে বেটে নিতে হবে। এই মিশ্রণ ২৫ গ্রাম মাখনের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন খেলে মস্তিষ্ক সজীব থাকে এবং স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়।
স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর খাবার উপায় জেনে নিন--- - সকালের নাশতা সময় মত খাবেন, কোনভাবেই যেন বাদ না পারে। সকালে নাশতা না করলে রক্তে গ্লুকোজেরমাত্রা দ্রুত হ্রাস পায় এবং পুষ্টির অভাবে মাথার কার্যকারিতা মন্থরহয়ে পড়ে। - বেশি করে কিশমিশ খাওয়া খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে। কিশমিশ আছে মানবদেহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান বোরন। প্রতিদিন ৩.২মিলিগ্রাম বোরন খেলে স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগের ক্ষমতা ১০ শতাংশ বাড়বে। ২৫গ্রাম কিশমিশের মধ্যে রয়েছে ৩.২মিলিগ্রাম বোরন।
জাম: প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন জাম, লিচু, স্ট্রবেরি, কালোজাম বা আঙ্গুরের মত ফল। ফলগুলোতে রয়েছে এন্টি-অক্সিডেন্ট যা ব্রেইনের কোষের অক্সিডেশন এবং ক্রমাগত ক্ষয়ে যাওয়া রোধ করে। অর্থাৎ ব্রেইনের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ব্লু বেরীকে ব্রেইনের জন্য সবচেয়ে কার্যকর খাবার বলে ধরা হয়, কেননা তা আলঝেইমার রোগ প্রতিরোধে সহযোগিতা করে ও শেখার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। পাতা কপি ও পালং শাক: পালং শাক ও পাতা কপিতে উচ্চ মাত্রায় ভিটামিন কে এবং বিটা ক্যারোটিন থাকে। যা পেশী শক্তি ও স্মৃতি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে যারা নিয়োমিত পাতা কপি বা পালং শাক খান তাদের স্মৃতি শক্তি যারা খায় না তাদের চেয়ে অনেক বেশি। সামুদ্রিক মাছ: সামুদ্রিক মাছে প্রচুর পুষ্টি উপাদান থাকে যা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। মস্তিষ্কে থাকা ফ্যাটি এসিডের ৪০% হচ্ছে ডি এইচ এ, যা সামুদ্রিক মাছের তেলে পাওয়া যায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড হিসেবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ব্রেনের বিভিন্ন কোষের মধ্যে সংবেদন আদান-প্রদান বাড়িয়ে দেয়। বাদাম এবং বীজ দানা: বাদাম এবং বীজ দানা জাতীয় খাবারে রয়েছে ভিটামিন ই, ও একটি এন্টি-অক্সিডেন্ট এর উৎস। বাদাম এবং বীজ দানার এ উপাদান সমূহ স্মৃতি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া আমন্ড বাদামও ব্রেনের কার্যক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। কফি: প্রতিদিন সকালে এক কফি পান করুণ। কারণ দীর্ঘদিন কফি পান করেন এমন ১৪০০ লোকের উপর চালানো গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যারা দিনে তিন থেকে পাঁচ কাপ কফি পান করেন তাঁদের স্মৃতি ভ্রংশের রোগ অনেকটাই কম হয়। এদের তুলনায় যারা দিনে দুই কাপ কফি পান করেন তাদের ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়সে আলঝেইমার রোগে আক্রান্ত হবার আশঙ্কা বেশি। ধারণা করা হয়,কফিতে থাকা ক্যাফেইন ও এন্টি-অক্সিডেন্ট ব্রেইনের কোষগুলোকে সুরক্ষিত করে। বিট এবং ব্রোকলি: বিট এবং ব্রোকলিও হতে পারে আপনার স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধির আরেকটি হাতিয়ার। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ‘ভিটামিন কে’, যা মেধা ও স্মৃতি বর্ধক।