3 Answers
এটা এক ধরনের একটি এলার্জি! এলার্জি অনেক রকমের আছে এর মাঝে একটি অন্যতম, আর তাই আপনি ভাল এক জন ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুণ, দেরি করবেন না নয় তো আরো সমস্যা হবে!
এটি এক ধরণের অ্যালার্জি হতে পারে, যেমন এনজিমা। একজিমা একজিমা বংশগত চর্মরোগ, যার ফলে ত্বক শুস্ক হয়, চুলকায়, আঁশটে এবং লালচে হয়। খোঁচানোর ফলে ত্বক পুরু হয় ও কখনো কখনো উঠে যায়। এর ফলে ত্বক জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত ত্বক থেকে চুয়ে চুয়ে পানি পড়ে এবং দেখতে ব্রণ আক্রান্ত বলে মনে হয়। এটা সচরাচর বাচ্চাদের মুখে ও ঘাড়ে এবং হাত ও পায়ে বেশি দেখা যায়। এলার্জিক কনজাংটাইভাইটিস চোখে চুলকানো, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা রক্ত পরীক্ষা বিশেষতঃ রক্তে ইয়োসিনোফিলের মাত্রা বেশি আছে কিনা তা দেখা। সিরাম আইজিই’র মাত্রাঃ সাধারণত এলার্জি রোগীদের ক্ষেত্রে আইজিই’র মাত্রা বেশি থাকে, স্কিন প্রিক টেষ্টঃ এই পরীক্ষায় রোগীর চামড়ার ওপর বিভিন্ন এলার্জেন দিয়ে পরীক্ষা করা হয় এবং এই পরীক্ষায় কোন কোন জিনিসে রোগীর এলার্জি আছে, তা ধরা পড়ে। প্যাচ টেষ্টঃ এই পরীক্ষায় রোগীর ত্বকের ওপর, বুকের এক্স-রেঃ হাঁপানি রোগের ক্ষেত্রে চিকিৎসা শুরু করার আগে অবশ্যই বুকের এক্স-রে করে দেয়া দরকার যে, অন্য কোনো কারণে শ্বাসকষ্ট হচ্ছে কিনা, স্পাইরোমেট্রি বা ফুসফুসের ক্ষমতা দেখাঃ এই পরীক্ষা করে রোগীর ফুসফুসের অবস্থা সম্পর্কে সঠিক ধারণা করা যায়, সমন্বিত ভাবে এলার্জির চিকিৎসা হলো এলার্জেন পরিহারঃ যখন এলার্জির সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায়, তখন তা পরিহার করে চললে সহজ উপায়ে এলার্জি নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ওষুধ প্রয়োগঃ এলার্জিভেদে ওষুধ প্রয়োগ করে এলার্জি উপশম অনেকটা পাওয়া যায়। এলার্জি ভ্যাকসিন কিংবা ইমুনোথেরাপিঃ এলার্জি দ্রব্যাদি থেকে এড়িয়ে চলা ও ওষুধের পাশাপাশি ভ্যাকসিনও এলার্জিজনিত রোগীদের অসুস্থ থাকার অন্যতম চিকিৎসা পদ্ধতি। এই পদ্ধতি ব্যবহারে কর্টিকোষ্টেরয়েডের ব্যবহার অনেক কমে যায়। ফলে কর্টিকোষ্টেরয়েডের বহুল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে রেহাই পাওয়া যায়। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে, বিশেষ করে উন্নত দেশ গুলিতে এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেয়া হয়ে থাকে। বর্তমানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্হা এই ভ্যাকসিন পদ্ধতির চিকিৎসাকে এলার্জি জনিত রোগের অন্যতম চিকিৎসা বলে অভিহিত করে। এটা এলার্জি রোগীদের দীর্ঘ মেয়াদি সুস্থ থাকার একমাত্র চিকিৎসা পদ্ধতি। আগে ধারণা ছিল এলার্জি একবার হলে আর সারে না। কিন্তু বর্তমানে চিকিৎসা ব্যবস্হার যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। প্রথম দিকে ধরা পড়লে এলার্জি জনিত রোগ একেবারে সারিয়ে তোলা সম্ভব। অবহেলা করলে এবং রোগ অনেক দিন ধরে চলতে থাকলে নিরাময় করা কঠিন হয়ে পড়ে। ডাঃ গোবিন্দ চন্দ্র দাস লেখকঃ সিনিয়র কনসালটেন্ট ও বিভাগীয় প্রধান অ্যাজমা ও এলার্জি রোগ বিশেষজ্ঞ। শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, ঢাকা। দি এলার্জি অ্যান্ড অ্যাজমা সেন্টার ফোনঃ ৮১১২৮২৫, ০১৭২১৮৬৮৬০৬ [কালেক্টেড]
আসলে এটা এক ধরনের একটি এলার্জি! আপনি "অ্যালসেট" নামের ট্যাবলেট টি খেতে পারেন। প্রতিদিন রাতে ১ টি করে ৩ সপ্তাহ। অথবা হোমিওপ্যাথিক "এফিস ৩০" নামের ওষুধটি খেতে পারেন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy