কি কারনে জ্বর হয়েথাকে জ্বর ক্যান হয়। জ্বর কত প্রকার ও কি কি চার্ট আকারে লিখুন।
3702 views

2 Answers

শরীরের উষ্ণতা বৃদ্ধি (>৯৮.৬ o ফাঃ)। বিভিন্ন রোগে এই উপসর্গ দেখা মানুষের দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রার সীমা বেশ বড়।তার দেহের তাপমাত্রা মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রিত উচ্চনির্দিষ্ট সূচক(set point)থেকে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হলে এবং •পায়ুপথের তাপমাত্রা 37.5-38.3 0 সে. বা তার বেশি হলে •মুখের তাপমাত্রা 37.7 0 সে. বা তার বেশি হলে •বাহু বা কানের তাপমাত্রা 37.2 0 সে. বা তার বেশি হলে তা জ্বর বলে গণ্য হয়। জর অনেক রকমের হয়ে থাকে যেমন ম্যালেরিয়া, কালাজ্বর (kala-azar), পাইয়েমিয়া, সেপ্টিসেমিয়া (রক্তের সংক্রমন)। এর প্রকারভেদগুলো হলঃ 1. কুয়োটিডিয়ান জ্বর, যার পর্যায়কাল হল ২৪ ঘন্টা, সাধারণত ম্যালেরিয়ার ক্ষেত্রে দেখা যায়। 2. টারশিয়ান জ্বর, যার পর্যায়কাল ৪৮ ঘণ্টা, এটিও ম্যালেরিয়ার ক্ষেত্রে দেখা যায়। 3. কোয়ার্টান জ্বর, যার পর্যায়কাল ৭২ ঘন্টা, এটি দেখা যায় Plasmodium malariae জীবাণুর ক্ষেত্রে। •স্বল্প বিরতিতে জ্বরঃ শরীরের তাপমাত্রা সারদিন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী থাকে এবং ২৪ ঘণ্টায় ১ 0 সে. এর চেয়ে বেশী উঠা নামা করে।

3702 views

শরীরের উষ্ণতা বৃদ্ধি (>৯৮.৬oফাঃ) । বিভিন্ন রোগে এই উপসর্গ দেখা মানুষের দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রার সীমা বেশ বড়।তার দেহের তাপমাত্রা মস্তিষ্কনিয়ন্ত্রিত উচ্চ নির্দিষ্ট সূচক(set point)থেকে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হলে এবং পায়ুপথের তাপমাত্রা ৩৭.৫-৩৮.৩0সে. বা তার বেশি হলে মুখের তাপমাত্রা ৩৭.৭0সে. বা তার বেশি হলে বাহু বা কানের তাপমাত্রা ৩৭.২0সে. বা তার বেশি হলে তা জ্বর বলে গণ্য হয়। অনেক কারণেই জ্বর হতে পারে। কিছু তথ্য থেকে জানা যায় উচ্চ তাপমাত্রায় শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়,যদিও,জ্বরের উপকারিতা নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক আছে। অ্যান্টিপাইরেটিকওষুধ ব্যবহার করে জ্বর কমানো যায়।অনিয়ন্ত্রিত হাইপারথার্মিয়ার সাথে জ্বরের পার্থক্য আছে; সেটা হল, হাইপারথার্মিয়া দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রক সূচকের অতিরিক্ত তাপমাত্রার ফল।

3702 views

Related Questions