জ্বরের ঔষধ খেয়েছি। বুমি বুমি ভাব ও বুমি হয়েছে। দয়া করে দ্রুত সমাধান দিন।
3898 views

4 Answers

জ্বর কোন অসুখ না অনেক সময় এটা এমনিতেই হয় অাবার অনেক সময় জ্বর অন্য কোন অসুখের অাগাম লক্ষ্যন। 
অাপনি 2 দিন জ্বরের ঔষধ (নাপা এক্সট্রা) প্রতিদিন সকাল বিকাল 1টা করে খান। পর্যাপ্ত শীতের কাপড় ব্যবহার করুন। অানারস খান এটা জ্বরের জন্য ভাল। বমি ভাব দূর করার জন্য অাদা কুটি হালকা লবন দিয়ে খান। দুধ ও রুটি খেতে পারেন খাবার হিসাবে। মাথায় পানি ঢালুন তবে ঠান্ডা যেন না লাগে। অাদা-লেবু দিয়ে গরম রঙ চা পান করুন ভাল লাগবে ।
2দিনে যদি জ্বর না কমে তাহলে ভাল ডাক্তারের পরামর্ষ নিন।
অাপনার অাশু রোগ মুক্তি কামনা করছি।
3898 views

জ্বর হলে প্রাথমিকভাবে স্পঞ্জিং করা উচিত। অনেক ক্ষেত্রেই পুরো শরীর ভেজা নরম কাপড় বা তোয়ালে দিয়ে একটানা কয়েকবার আলতো করে মুছে দিলে শরীরের তাপমাত্রা কমে যায় এবং খুব ভালো বোধ করে আক্রান্ত রোগী। এ কাজে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করতে হবে। খুব ঠাণ্ডা পানি আবার ব্যবহার করা ঠিক হবে না। আর শিশুদের ক্ষেত্রে পানিতে শিশুটিকে বসিয়ে স্পঞ্জ করাই সুবিধাজনক, তাই বড় কোন গামলা ভর্তি করে পানি নেয়া উচি। স্পঞ্জিং আলো-বাতাসযুক্ত স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ভালো কাজ দেয়। বিশ্রাম ও খাবারঃ জ্বরের সময় যতটা সম্ভব বিশ্রামে থাকতে পারলে ভালো। স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে এছাড়াও লেবুর রস মুখে রুচি আনতে সাহায্য করে তাই লেবু বা লেবুর শরবত খাওয়া যেতে পারে। ফলের মধ্যে আনারস, পেয়ারা বা আমলকি জাতীয় খাবার খাওয়া যেতে পারে। ঠাণ্ডা জাতীয় খাবার যেমন- আইসক্রিম, ফ্রিজের পানি, কোল্ড ড্রিঙ্কস একেবারেই পরিহার করতে হবে। জ্বরের সময় সচেতনতা জ্বরে আক্রান্ত হলে কিছু ব্যাপারে অবশ্যই সচেতন হতে হবে। জ্বর হলে, অন্যদের সঙ্গে বিশেষ করে শিশুদের সঙ্গে মেলামেশায় সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। হাঁচি দেয়ার সময় বা নাকের পানি মুছতে হলে রুমাল বা টিসু পেপার ব্যবহার করতে হবে এবং তা যেনো অন্য কেউ ব্যবহার না করে। যেখানে সেখানে কফ, থুথু বা নাকের শ্লেষ্মা একদম ফেলা যাবে না, এতে অন্যরাও আক্রান্ত হতে পারে। স্বাস্থ্যকর, খোলামেলা, শুষ্ক পরিবেশে যেখানে আলোবাতাস বেশি আসে এমন কক্ষে থাকতে হবে জ্বরের সময়।

3898 views

হঠাৎ করে জ্বর উঠলে কি করবঃ বিশেষ বিশেষ সময়ে জ্বরের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। কারণ আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে এমন হয়ে থাকে। শীতের শেষে গরম পড়তে শুরু করেছে। এ সময় অনেকেরই জ্বর হতে দেখা যায়। জেনে নেয়া যাক হঠাৎ জ্বর হলে করণীয় সম্পর্কে। হঠাৎ করে জ্বর, গলা ব্যথা, কাশি। খাবারে অরুচি, সেই সাথে দুর্বলতা। সাথে মাথা ঘুরানো তো আছেই। এমন অবস্থা হলে প্রচুর তরল এবং শক্তিবর্ধক খাবার খাওয়া উচিত। কাঁচা হলুদ টুকরো টুকরো করে কেটে এক গ্লাস পরিমাণ দুধের সাথে জ্বাল দিতে হবে। মিনিট পাঁচেক পর হলুদের টুকরোগুলো ফেলে দিয়ে চিনি বা মধু মিশিয়ে ওই দুধটুকু পান করলে দ্রুত জ্বর সেরে যাবে। সেই সাথে দেহের রোগ প্রতিরোধ মতাও বাড়বে। জ্বরের প্রধান ও প্রথম চিকিৎসা হচ্ছে প্রচুর তরল খাবার খাওয়া। পানি তো চলবেই, সাথে গরম স্যুপ, আদা-চা, জুস ইত্যাদিও চলবে। গরম পানীয়তে কাশিটা নিয়ন্ত্রণে আসবে। আদা-চা ও গরম পানীয় গলা ব্যথা ও মাথা ব্যথা দূর করতে সহায়ক। জ্বর হলে রোগীর পুরো শরীর স্পঞ্জিং করিয়ে দিতে হবে। টানা প্রায় ১০ মিনিট অবিরাম স্পঞ্জিং করলে তাপমাত্রা কমে যেতে পারে।তবে যাদের অতিরিক্ত ঠান্ডা লাগা বোঝা যাবে, যেমন কাশি ও বুকের মধ্যে ঘড়ঘড়ে ভাব দেখা দিলে তাদের স্পঞ্জিং করার সময় বুকে যাতে ঠান্ডা না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তাদের ঠান্ডা পানি মোটেও খাওয়া যাবে না। তাদেরকে গরম পানি মিশিয়ে খাওয়ানো ভালো। স্পঞ্জিং করার সময় হালকা করে ফ্যান ছেড়ে রাখতে পারেন। আবার খেয়াল রাখতে হবে যাতে বাতাস রোগীর শরীরে যেনো ডাইরেক্ট না লাগে। একটি ছোট গামছা অথবা রুমাল পানিতে ভিজিয়ে শরীর স্পঞ্জিং করতে হবে। আবার স্পঞ্জিং করার পর অপর একটি শুকনো ছোট গামছা দিয়ে শরীর মুছে দিতে হবে। মনে রাখতে হবে, যে কোনও জ্বরেই স্পঞ্জিং উপকারী। এভাবে প্রয়োজনে দিন-রাত চব্বিশ ঘণ্টাও করা যায়। তবে অনেক সময় শীত করে জ্বর আসার কারণে রোগি স্পঞ্জিং করতে চান না। সেক্ষেত্রে নাপা বা প্যারাসিটামল গুপের ট্যাবলেট দিয়ে জ্বর কমাতে পারেন। যাদের কাশি বা ঠান্ডা লাগার পরিমাণ বেশি তারা এলাকট্রল ট্যাবলেট খেতে পারেন। তবে প্যারাসিটামলের অতিরিক্ত কোনো ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া মোটেও উচিত হবে না। স্বাভাবিক ঠান্ডা জ্বর হলে প্যারাসিটামল কিংবা স্পঞ্জিং করে জ্বর চলে যেতে পারে। তবে ১০০ ডিগ্রির বেশি হলে তবেই প্যারাসিটামল খাওয়ানো যাবে। যদি ৩ দিন বা তার অধিক দিন জ্বর থাকে তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

3898 views

জ্বর কমানোর ঘরোয়া টিপস! শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা প্রায় প্রত্যেকটা মরসুমে একটা অসুখ নিয়ম করে হয় সেটা হল জ্বর। জ্বরের মুখে কিছুই খেতে ভাল লাগে না, আবার কড়া কড়া ওষুধও মোটেই ভালো লাগে না। তাই জেনে নিন কয়েকটা ঘরোয়া টোটকা যাতে জ্বর দ্রুত কমে যাবে। আদা: চা অথবা গরম জলে লেবুর সঙ্গে মিশিয়ে আদা কুচি খেতে পারেন। এটি ব্যাকটেরিয়াজনিত ইনফেকশনের সঙ্গে লড়াই করে। তুলসীপাতা: এক চা চামচ জিরা এবং ৪-৬টা তুলসীপাতা এক গ্লাস পানিতে নিয়ে সিদ্ধ করে সেখান থেকে প্রতিদিন দুইবার এক চা চামচ করে খেলে জ্বর দ্রুত কমবে। চালের সুজি: জ্বরের সময় আরেকটি উপকারী খাবার হলো চালের সুজি, সঙ্গে সামান্য আদাকুচি ও সিদ্ধ করা সবজি। কিশমিশ: জ্বরে আক্রান্ত রোগীর জন্য কিশমিশ একটি উপকারী খাবার। কিশমিশে আছে ভিটামিন-সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে। গোলমরিচ ও লবঙ্গ: নরম ভাত, খিচুড়ি অথবা আলু সিদ্ধর সঙ্গে একটু গোলমরিচ ও লবঙ্গ মিশিয়ে খেলে জ্বরে উপকার হবে। টমেটো ও গাজরের স্যুপ: জ্বরের রোগীর জন্য আরেকটি উপকারী খাবার হলো টমেটো ও গাজরের স্যুপ।

3898 views

Related Questions