3 Answers
বাত জ্বর একটি জটিল রোগ যা স্ট্রেপ্টোকক্কাই ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে আমাদের দেহে উৎপন্ন অ্যান্টিবডি থেকে হয়। অর্থাৎ এটি ব্যাকটেরিয়া নয়, ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে আমাদের দেহ থেকে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডি থেকে হয়। এই অ্যান্টিবডি তৈরি হয় ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে দেহকে সুস্থ রাখার জন্য, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কাজ করে আমাদেরই শরীরের কিছু নির্দিষ্ট টিস্যুর বিরুদ্ধে। কাদের হয়? বাত জ্বর বিভিন্ন দরিদ্র দেশে অনেক ব্যাপক একটা রোগ যেখানে অধিক ঘনবসতি, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং উপযুক্ত চিকিৎসাব্যবস্থার অভাব রয়েছে। এটি ৫ থেকে ১৫ বছরের শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, বড়দের মাঝে তুলনামূলক কম। পুরুষ এবং নারী উভয়ই আক্রান্ত হয়, নারীদের ক্ষেত্রে ক্ষতিকর প্রভাব বেশি পাওয়া গেছে। চিকিৎসাঃ বাত জ্বর কিনা নিশ্চিত হতে ইসিজি, ব্লাড টেস্ট, সি আর পি, ই এস আর প্রভৃতি করা হয়। সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক এবং অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি মেডিসিন দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। এটি দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা। এছাড়া যথেষ্ট পরিমাণে বেড রেস্ট নিতে হবে। এবং অ্যান্টিবায়োটিক সহ সব ঔষধ খেতে হবে নিয়মিত। আর সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে হবে।
বাতজ্বর কিঃ সাধারণত গলায় ব্যথা হলে (টনসিলের সমস্যা) তা যদি যথাযথ ও সম্পূর্ণরূপে চিকিৎসা না করা হয় তাহলে এর থেকে বাতজ্বর দেখা দেয়। বাতজ্বর একটি সংক্রামক রোগ। বাতজ্বরের শুরুটা সাধারণত জীবাণুর মাধ্যমে গলায় সংক্রমণের ২ থেকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে হয়ে থাকে।
বাতজ্বর কেন হয়ঃ বিশেষ এক ধরনের জীবানু (স্টেপটোককাস পায়োজিনস) দ্বারা গলার সংক্রমণের মাধ্যমে বাতজ্বর হয়ে থাকে।
কি ধরনের চিকিৎসা আছেঃ এ্যান্টিবায়োটিক সেবন। জ্বর এবং ব্যথা কমানোর জন্য ব্যথার ঔষধ খাওয়া। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ সেবনের পাশাপাশি নিয়মিত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।
বাতজ্বর কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়ঃ প্রথম থেকেই গলায় সংক্রমণের সঠিক চিকিৎসা করলে বাতজ্বর হওয়ার সম্ভাবনা কম হয় বা একেবারেই থাকে না।
তথ্য সূত্রঃ- জাতীয় ই তথ্য কোষ।
বাত জ্বর কী এবং কেন হয়? বাত জ্বর একটি জটিল রোগ যা স্ট্রেপ্টোকক্কাই ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে আমাদের দেহে উৎপন্ন অ্যান্টিবডি থেকে হয়। অর্থাৎ এটি ব্যাকটেরিয়া নয়, ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে আমাদের দেহ থেকে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডি থেকে হয়। এই অ্যান্টিবডি তৈরি হয় ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে দেহকে সুস্থ রাখার জন্য, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কাজ করে আমাদেরই শরীরের কিছু নির্দিষ্ট টিস্যুর বিরুদ্ধে। কাদের হয়? বাত জ্বর বিভিন্ন দরিদ্র দেশে অনেক ব্যাপক একটা রোগ যেখানে অধিক ঘনবসতি, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং উপযুক্ত চিকিৎসাব্যবস্থার অভাব রয়েছে। এটি ৫ থেকে ১৫ বছরের শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, বড়দের মাঝে তুলনামূলক কম। পুরুষ এবং নারী উভয়ই আক্রান্ত হয়, নারীদের ক্ষেত্রে ক্ষতিকর প্রভাব বেশি পাওয়া গেছে। উপসর্গঃ ১) গাঁটে ব্যথা (আরথ্রাইটিস) ২) গাঁট ফুলে যাওয়া ৩) জ্বর ৪) বুকে ব্যথা (কারডাইটিস) ৫) প্রতি ১০ জনে ১ জন বাচ্চার র্যাশ হয়, যা ব্যথামুক্ত, নন- এলারজিক। অর্থাৎ চুলকায় না। ৬) সবসময় ক্লান্ত থাকা ৭) দ্রুতগামী নাড়ি (পালস) ৮) সিডেনহ্যাম কোরিয়া (হাত পায়ের সূক্ষ্ম চলনে সমস্যা, কাঁপা, ব্যালান্স রক্ষায় সমস্যা) ৯) নাক থেকে রক্ত পড়া ১০) পেট ব্যথা ১১) দেহের উচ্চতাপমাত্রা ১২) ছোট ছোট নিঃশ্বাস জানতে হবে রিস্ক ফ্যাক্টরঃ ১) এটা জেনেটিক হতে পারে অর্থাৎ বাবা মা, বা নিকট পরিবার এর কার থাকলে, হতে পারে। ২) স্ট্রেপ্টো কক্কাই এর বিভিন্ন স্ট্রেইন এর জন্য ৩) পরিবেশ একটা বড় কারণ, কারণ এটা ঘনবসতি আর অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেশি ছড়ায়। ফলাফলঃ বাত জ্বরের ফলে দেহের স্বাভাবিক কাজকর্ম তো ব্যাহত হয়ই, সাথে এর জন্য জটিল হৃদরোগ দেখা দিতে পারে, এই ধরনের হৃদরোগকে বলা হয় রিউম্যাটিক হার্ট ডিজিস। এতে ইনফ্ল্যাম্যাশন হয়ে হার্টের ভালভ নষ্ট বা শক্ত হয়ে যায়, এর ফলে হৃদপিণ্ডে স্বাভাবিক রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। তাছাড়া হার্টের পেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হিসেবে দেখা গেছে প্রতি তিন জন বাত জ্বরে আক্রান্তের একজন রিউম্যাটিক হার্ট ডিজিস এ আক্রান্ত হতে পারে। এই রোগে আক্রান্ত হলে, শেষ পর্যন্ত হার্ট ফেইলিউর হতে পারে। কখন ডাক্তার দেখাবেন? ১) বাচ্চা খাবার, পানি, এমন কী লালা গিলতে কষ্ট হচ্ছে ২) স্কিন র্যাশ ৩) নাক থেকে রক্ত পরছে ৪) গলায় ঘা বা অস্বস্তি ৫) ২ দিনের বেশি উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর চিকিৎসাঃ বাত জ্বর কিনা নিশ্চিত হতে ইসিজি, ব্লাড টেস্ট, সি আর পি, ই এস আর প্রভৃতি করা হয়। সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক এবং অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি মেডিসিন দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। এটি দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা। এছাড়া যথেষ্ট পরিমাণে বেড রেস্ট নিতে হবে। এবং অ্যান্টিবায়োটিক সহ সব ঔষধ খেতে হবে নিয়মিত। আর সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে হবে।