1 Answers
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে চলুন ফিরে যাই ৫ বিলিয়ন বছর পূর্বে। যখন এই সৌরজগৎ একটি জটাবদ্ধ ধোয়া ও গ্যাসকুন্ডলি ছাড়া কিছুই ছিলোনা। তখন কোনো একটা সময় এই কুন্ডলি বিস্ফোরিত হয়, আর এটি কয়েকভাগে ভাগ হয়ে ছড়িয়ে পড়ে চার দিকে। আর এসময়ই প্রতিটি অংশ (যা পরবর্তিতে অন্যান্য গ্রহে পরিণত হয়) ঘূর্ণন গতি লাভ করে। একে সহজভাবে কৌনিক ভরবেগ বলা চলে। ঘূর্ণনশীল কুণ্ডলীগুলো ধীরে ধীরে শিথিল ও জমাট বেধে পৃথিবী এবং অন্যান্য গ্রহের সৃষ্টি করে। https://upload.wikimedia.org/wikipedia/commons/thumb/3/30/Globespin.gif/220px-Globespin.gif এখানেই শেষ নয়, বিজ্ঞানিদের ধারনা আশেপাশে কোথাও সংঘটিত একটা সুপারনোভার বিস্ফোরণ থেকে ছুটে আসা কোনো একটি টুকরো (মোটামুটি মঙ্গল গ্রহের সমান) আমাদের নবনির্মিত পৃথিবীর একপার্শ্বে আঘাত করে যার ফলে এর ঘূর্ণন গতি আরেকটু বেড়ে যায়। ঐ আঘাতের ফলে পৃথিবী থেকে বিচ্যুত একটি ভগ্নাংশ থেকেই সম্ভবত আমরা চাদটা পেয়েছি। http://spaceplace.nasa.gov/review/dr-marc-earth/earth_hit.gif এখন প্রশ্ন আসতে পারে এই ঘূর্ণন থামছেনা কেনো? উত্তর খুবই সোজা, কারন এটি থামানোর মতো কোনো বাহ্যিক বল কাজ করছেনা। পৃথিবীতে কিছু ঘুরিয়ে ছেড়ে দিলে তা মেঝে বা বায়ুর ঘর্ষনে বাধা পেয়ে একসময় থেমে যাবে। কিন্তু পৃথিবীর ক্ষেত্রে এরুপ ঘর্ষণ বা বায়ুর বাধা একদমই নেই।