আমার প্রশ্ন টি হল পৃথিবী ঘুরে না সূর্য ঘুড়ে।কারন সবসময় শুনি আসছি পৃথিবী ঘুরে তাহলে আমরা যখন ঘুম থেকে উঠি তখন দেখি সূর্য পূর্ব দিকে উঠে আবার সন্ধার পূর্বেই সূর্য পশ্চিম দিকে অস্ত যায়, এর কারণ টি কি একটু বুঝিয়ে বলিবেন।
3896 views

4 Answers

সূর‍্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবী ঘুরে। আর এটা ক্রমান্বয়ে চলতে থাকে। সূর‍্য উঠেনা,বরং পৃথিবী ঘুরার সময়, একটা নির্দিষ্ট সময় পর এক এক অঞ্চলে রাত হয়, আবার এক এক অঞ্চলে দিন হয়। এভাবে ঘুরতে ঘুরতে পৃথিবীর যে অংশে সূর‍্যের আলো পৌঁছায় সেখানে দিন হয়,আর তার অপজিটে রাত, আর তাকেই আমরা সূর‍্য উদয় এবং সূর‍্যাস্ত বলি।

3896 views

সূর্য সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ﺎﻬﻟﺮﻘﺘﺴﻤﻟ ﻯﺮﺠﺗ ﺲﻤﺸﻟﺍﻭ "সূর্য তার নির্দিষ্ট অবস্থানে আবর্তন করে। (সূরা ইয়ািসন:৩৮) সুতরাং সূর্যের ঘূর্ণায়ন প্রমাণিত হলো। আর পৃথিবীর র্ঘূণনের ব্যাপারে সরাসরি কোন আয়াত বা হাদিস আমাদের নজরে পড়েনি। কিন্তু সূরা ইয়াসের এক আয়াতে বলা হয়েছে- ﻰﻓ ﻞﻛ ﻥﻮﺤﺒﺴﻳ ﻚﻠﻓ "প্রত্যেকে নিজ নিজ কক্ষে বিচরণ করে। ﻚﻠﻓ (ফালাক) হলো সেই বৃত্ত যাতে কোনো গ্রহ বিচরণ করে। এ হিসাবে প্রথিবীর প্রদক্ষিণও সাব্যস্ত হয়। আর আজকের বিজ্ঞানও এটিকে সমর্থন করে।

3896 views

প্রশ্ন: সুর্য কি পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে? উত্তর: শরীয়তের প্রকাশ্য দলীল গুলো প্রমান করে যে, সুর্যই পৃথিবীর চতুর্দিকে ঘুরে। এই ঘুরার কারনেই পৃথিবীর দিবা-রাত্রি আগমণ ঘটে। আমাদের হাতে এই দলীলগুলোর চেয়ে বেশী শক্তিশালী এমন কোন দলীল নাই, যার মাধ্যমে আমরা সূর্য ঘুরার দলীল গুলোকে ব্যাখ্যা করতে পারি। সূর্য ঘুরার দলীলগুলো হল: ১) আল্লাহ তাআলা বলেন: ”আল্লাহ তাআলা সূর্যকে পূর্ব দিক থেকে উদিত করেন। তুমি পারলে পশ্চিম দিক থেকে উদিত কর।” [সুরা বাকারাহ:২৫৮] সূর্য পূব দিক থেকে উঠার মাধ্যমে প্রকাশ্য দলীল পাওয়া যায় যে, সূর্য পৃথিবীর উপর পরিভ্রমনণ করে। ২) আল্লাহ তাআলা বলেন: অত:পর যখন সূর্যকে চকচকে অস্থায় উঠতে দেখলেন তখন বললেন: এটি আমার পালন কর্তা, এটি বৃহত্তম। অত:পর যখন তা ডুবে গেল, তখন বলল হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা যেসব বিষয়ে শরীক কর আমি ওসব থেকে মুক্ত” [সুরা আনআম:৭৮] এখানে নির্ধারন হয়ে গেল যে, সূর্য অদৃশ্য হয়ে যায়। একথা বলা হয়নি যে, সূর্য থেকে পৃথিবী ডুবে গেল। পৃথিবী যদি ঘুরত তাহলে অবশ্যই তা বলা হত। ৩) আল্লাহ তাআলা বলেন: ”তুমি সূর্যকে দেখবে, যখন উদিত হয় তাদের গুহার থেকে পাশ কেটে ডান দিকে চলেযায় এবং যখন অস্ত যায় তাদের থেকে পাশ কেটে বাম দিকে চলে যায়” [সুরা কাহাফ: ১৭] পাশ কেটে ডান দিকে বা বাম দিকে চলে যাওয়া প্রমাণ করে যে, নড়াচড়া সূর্য থেকেই হয়ে থাকে। পৃথিবী যদি নড়াচড়া করত তাহলে অবশ্যই বলতেন সূর্য থেকে গুহা পাশ কেটে যায়। উদয় হওয়া এবং অস্ত যাওয়াকে সূর্যের দিকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এটা থেকে বুঝা যায় যে, সূর্যই ঘুরে। পৃথিবী নয়। ৪) আল্লাহ তাআলা বলেন: ”এবং তিনিই দিবা-নিশি এবং চন্দ্র-সূর্য সৃষ্টি করেছেন। সবাই আপন আপন কক্ষপথে বিচরণ করে” [সুরা আম্বীয়া: ৩৩] ইবনে আব্বাস বলেন, লাটিম যেমন তার কেন্দ্র বিন্দুর চারদিকে ঘুরেতে থাকে, সূর্যও তেমনিভাবে ঘুরে। ৫) আল্লাহ বলেন: ”তিনি রাতকে আচ্ছাদতি করেন দিনের মাধ্যমে, দিন দৌড়ে দৌড়ে রাতের পিছনে আসে” [সুরা আরাফ: ৫৪] আয়াতে রাতকে দিনের অনুসন্ধানকারী বলে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। অনুসন্ধানকারী পিছনে পিছনে দ্রুত অনুসন্ধান করে থাকে। এটা জানা কথা যে, দিবা-রাত্রি সূর্যের অনুসারী। ৬) আল্লাহ তাআলা বলেন: ”তিনি আল্লাহ আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন যথাযথ ভাবে। তিনি রাত্রিকে দিবস দ্বারা আচ্ছাদিত করেন এবং দিবসকে রাত্রি দ্বারা আচ্ছাদিত করেন এবং তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে কাজে নিযুক্ত করেছেন। প্রত্যেকেই বিচরণ করে নির্দিষ্ট সময়কাল পযন্ত। জেনে রাখুন তিনি পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল। [সুরা জুমার: ৫] আয়াতের মাধ্যমে আমরা জানতে পারলাম যে, পৃথিবীর উপরে দিবা-রাত্রি চলমান রয়েছে। পৃথিবী যদি ঘুরতো তাহলে তিনি বলতেন দিবা-রাত্রির উপর পৃথিবীকে ঘুরান। আল্লাহ তাআলা বলেন “সূর্য ও চন্দ্র এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলাচল করে। একথা সুস্পষ্ট যে, চলমান বস্তুকে বশীভুত করা এবং কাজে লাগানো একস্থানে অবস্থানকারী বস্তুকে কাজে লাগানোর চেয়ে অধিক যুক্তিসঙ্গত। ৭) আল্লাহ তাআলা বলেন: ”শপথ সূর্যের ও তার কিরনের, শপথ চন্দ্রের যখন তা সূর্যের পশ্চাতে আসে” [সুরা আশ-শামস: ১-২] এখানে বরা হয়েছে যে চন্দ্র সূর্যের পরে আসে। এতে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, সূর্য এবং চন্দ্র চলাচল করে এবং পৃথিবীর উপর ঘুরে। পৃথিবী যদি চন্দ্র বা সূর্যের চারদিকে ঘুরত তাহলে চন্দ্র সূর্যকে অনুসরণ করতো না। বরং চন্দ্র একবার সূর্যকে আর একবার সূর্য চন্দ্রকে অনুসরণ করতো। কেননা সূর্য চন্দ্রের অনেক উপরে। এই আয়াত দিয়ে পৃথিবী স্থীর থাকার ব্যাপারে দলীল গ্রহণ করার ভিতরে চিন্তা-ভাবনার বিষয় রয়েছে। ৮) আল্লাহ তাআলা বলেন: ”সূর্য তার নির্দিষ্ট অবস্থানে আবর্তন করে। এটা পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞ আল্লাহর নির্ধারণ। চন্দ্রের জন্য আমি বিভিন্ন মনযিল নির্ধারিত করেছি। অবশেষে সে পুরাতন খর্জুর শাখার অনুরুপ হয়ে যায়। সূর্যের পক্ষে চন্দ্রকে নাগাল পাওয়া সম্ভব নয়। রাতের পক্ষেও দিনের অগ্রবতী হওয়া সম্ভব নয়। প্রত্যেকেই আপন কক্ষপথে পরিভ্রমন করে” [সুরা ইয়াসিন: ৩৮-৪০] সূর্যের চলা এবং এই চলাকে মহা পরাক্রমশালী আল্লাহর নির্ধারণ বলে ব্যাখ্যা করা এটাই প্রমাণ করে যে, সূর্য প্রকৃতভাবেই চলমান। আর এই চলাচলের কারণেই দিবা-রাত্রি এবং হৃতুর পরিবর্তন হয়। চন্দ্রের জন্য মনযিল নির্ধারণ করার অর্থ এই যে, সে তার মনযিল সমুহে স্থানান্তরিত হয়। যদি পৃথিবী ঘুরত, তাহলে পৃথিবীর জন্য মনযিল নির্ধারণ করা হত। চন্দ্রের জন্য নয়। সূর্য কর্তৃক চন্দ্রকে ধরতে না পারা এবং দিনের অগ্রে রাত থাকা সূর্য,চন্দ্র,দিন এবং রাতের চলাচলের প্রমাণ বহন করে। ৯) নবী [সা] সূর্য অস্থ যাওয়ার সময় আবু যারকে বলেছেন: ”হে আবু যর! তুমি কি জান সূর্য যখন অস্ত যায় তখন কোথায় যায়? আবু যার বললেন, আল্লাহ এবং তার রসুলই ভালো জানেন। রসুল [সা] বললেন, সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় আরশের নীচে গিয়ে সেজদায় লুটিয়ে পড়ে এবং পুনরায় উদিত হওয়ার অনুমতি চায়।

3896 views
https://www.youtube.com/watch?v=bwvL128ikow

আমি হলপ করে বলতে পারব যে সূর্য পৃথিবীর চারিদিকে ঘোরে এটা ভুল এমন কি এটা কোরআনেও উল্লেখ নেই। 
সূর্য সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালাবলেন, 
ﺎﻬﻟﺮﻘﺘﺴﻤﻟ ﻯﺮﺠﺗﺲﻤﺸﻟﺍﻭ  
(সূরা ইয়ািসন:৩৮) 
ভাল করে লক্ষ্য করুন কোরআনের এই আয়াতে বলা হয়েছে যে "সূর্য তার নির্দিষ্ট অবস্থানে আবর্তন করে। এখানে ঠিকি লেখা আছে  সূর্য তার নির্দিষ্ট অবস্থানে আবর্তন করে। পরে বিজ্ঞান প্রমান করেছে যে সূর্যেরও আলাদা একটি কক্ষ পথ আছে ,সেই কক্ষ পথে সে ২৪ দিনে একবার পরিভ্রমন করে। সূর্য তা হলে ঘুরছে তার কক্ষ পথে। কিন্তু পৃথিবীর চারিদিকে সূর্য ঘুরছে না। আমি আয়াত টি আবারো তুলে ধরছি দেখুন ﺎﻬﻟﺮﻘﺘﺴﻤﻟ ﻯﺮﺠﺗ
ﺲﻤﺸﻟﺍﻭ "সূর্য তার নির্দিষ্ট অবস্থানে আবর্তন করে।
(সূরা ইয়ািসন:৩৮) সুতরাং সূর্যের
ঘূর্ণায়ন প্রমাণিত হলো। কিন্তু সূর্য পৃথিবীর চারিদিকে ঘোরে এটা কি আপনরা এই আয়াতে দেখতে পাচ্ছেন? ভাল করে দেখুন এই আয়াতে তো পৃথিবী শব্দটারই উল্লেখ নেই। এখানে আমারা বেশির ভাগ মানুষ ভুল বুঝি। আমার মনে হয় কোরআনের এই আয়াতের ব্যাখ্যা সয়তানি করেই কিছু খারাপ লোক (অনেক আগে) মানুষকে বুঝিয়েছে। বিস্তারিত জানতে ৩ মিনিটের এই ভিডিওতি দেখুন এই লিঙ্কে 
3896 views

Related Questions