আমি খুবই চিকন মোটা হতে চাই। মরে যেতে ইচ্ছা হয়?
10 Answers
ঘুমাবার ঠিক আগেই দুধ ও মধু- ওজন বাড়াবার জন্য একটা একটা অব্যর্থ কৌশল। রাতের বেলা ঘুমাবার আগে অবশ্যই বেশ পুষ্টিকর কিছু খাবেন। আর খিদে পেলে তো আয়েশ করে পেট পুরে খেয়ে নেবেন। আর সাথে সাথেই ঘুম। ফলে খাবারের ক্যালোরিটা খরচ হবার সময় পাবে না, বাড়তি ওজন হিশাবে জমবে শরীরে। ঘুমাবার আগে প্রতিদিন এক গ্লাস ঘন দুধের মাঝে বেশ অনেকটা মধু মিশিয়ে খেয়ে নিবেন। কমান মেটাবলিজম হার- মোটা হবার পেছনে যেমন ধীর গতির মেটাবলিজম দায়ী, তেমনি রুগ্ন স্বাস্থ্যের পেছনে দায়ী উচ্চ মেটাবলিজম হার। সুতরাং মোটা হতে গেলে প্রথমেই এই মেটাবলিজম হার কমাতে হবে। তাতে আপনি যে খাবারটা খাবেন, সেটা বাড়তি ওজন রূপে আপনার শরীরে জমার সুযোগ পাবে। মেটাবলিজম হার কম রাখার জন্য প্রতিবেলা খাবারের পর লম্বা সময় বিশ্রাম করুন। খাবার পর কমপক্ষে ১ ঘণ্টা কোনও কাজ করবেন না। খাদ্য তালিকায় যোগ করুন কিছু বিশেষ খাবার- আপনার নিয়মিত খাবারের পাশাপাশি অবশ্যই কিছু উচ্চ ক্যালোরি সম্পন্ন খাবার যোগ করতে হবে খাদ্য তালিকায়, নাহলে ওজন বাড়বে কেন? উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা না থাকলে এই খাবার গুলো খেতে পারেন অনায়াসে। যেমন- ঘি/ মাখন, ডিম, চিজ/ পনির, কোমল পানীয়, গরু- খাসির মাংস, আলু ভাজা, মিষ্টি জাতীয় খাবার, চকলেট, মেয়নিজ ইত্যাদি। খান প্রচুর শাক সবজি ও ফল- ভাবছেন এগুলো তো ওজন কমাবার জন্য খাওয়া হয়, তাই না? ওজন বাড়াতেও কিন্তু আপনাকে সাহায্য করবে এই ফল আর সবজি। এমন অনেক ফল আর সবজি আছে যারা কিনা উচ্চ ক্যালোরি যুক্ত। যেমন- আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা, পাকা পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলু, কাঁচা কলা ইত্যাদি। ফল ও সবজি খেলে স্বাস্থ্য জম্ন ভালো থাকবে, তেমনি ওজনও বাড়বে। যদি এইসব না করেও আপনার ওজন না বৃদ্ধি পায়, তাহলে অবশ্যই একজন ভালো ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। কেননা কোনও সুপ্ত অসুখ থাকলেও তার ফলে রুগ্ন ও ভগ্ন স্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারেন।
পুষ্টিকর খাবার খান নিয়মিত ঘুমান যতটুকু সম্ভব চিন্তামুক্ত থাকুন, এবং যথেষ্ট পরিমান পানি পান করুন।প্রতিদন কোল্ড ডিংস খেতে পারেন এপে উপকার হবে!আর হস্তমৈথুনের অভ্যাস থাকলে তা বাদ দিন!
সুষম খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম, ভালো ঘুম। ভাজাপোড়া কম খাওয়া, ফাস্টফুড ও কোমল পানীয় এড়িয়ে চলা। ব্যায়াম যে জিমে গিয়ে করতে হবে এমন কোন কথা নেই। ঘরে বসে ফ্রিহ্যান্ড এক্সারসাইজ করা যায়। শর্ত হচ্ছে, নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে, অ্যারোবিক কিংবা যোগব্যয়াম করুন। তাহলে দ্রুত মোটা হয়ে যাবেন। এমন সাস্থ্য হবে আত্নহত্যার চিন্তা মাথায়ই আসবে না ।
আপনার শরীরে ভিটামিন এর অভাব রয়েছে পরিমিত ঘুমান বেশি পানি পান করুন, ঠিকমতো পুষ্টিকর ফলমূল, শাকসবজি খান, চিন্তা মুক্ত থাকুন ব্যায়াম করুন আর এইসবের পাশাপাশি মালটিভিটামিন -মাল্টি মিনারেল ট্যাবলেট খান স্কয়ারের multivit plus প্রতি দুপুরে একটি করে ৩মাস খান সাথে opsonin কোম্পানির Decason ট্যাবলেটি খেতে পারেন সাস্থ্য বাড়ানোর জন্য এইসব নিয়ম মেনে চললে কয়েকমাসের মধ্যে দেখবেন সাস্থ্য বেড়ে গেছে
১. সকালে উঠে বাদাম ও কিসমিস ওজন বাড়ানোর জন্য বাদাম আর কিসমিসের বিকল্প নেই। রাতে ঘুমাবার সময় অল্প জলে আধ কাপ কাঠ বাদাম ও কিসমিস ভিজিয়ে রাখুন ৷সকালে সেগুলো ফুলে উঠলে খেয়ে নিন। ২. খান প্রচুর শাক সবজি ও ফল ভাবছেন এগুলো তো ওজন কমাবার জন্য খাওয়া হয়, তাই না? ওজন বাড়াতেও কিন্তু আপনাকে সাহায্য করবে এই ফল আর সবজি। এমন অনেক ফল আর সবজি আছে যারা কিনা উচ্চ ক্যালোরি যুক্ত। আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা, পাকা পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলু, কাঁচা কলা ইত্যাদি ফল ও সবজি খেলে ওজন বাড়বে। যদি এইসব না করেও আপনার ওজন না বৃদ্ধি পায়, তাহলে অবশ্যই একজন ভালো ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। কেননা কোনও সুপ্ত অসুখ থাকলেও তার ফলে রুগ্ন ও ভগ্ন স্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারেন। ৩. খাবারের পরিমাণ বাড়ান খাবারের পরিমাণ বাড়ানো মানেই একগাদা খেয়ে ফেলা নয়। আপনি যদি কম খাওয়ার কারণে রোগা হয়ে থাকেন, তাহলে খাবারের পরিমাণ আপনাকে বাড়াতেই হবে। স্বাভাবিকভাবে যা খেয়ে থাকেন, তার ৪ ভাগের ১ভাগ পরিমাণ খাবার বাড়িয়ে খান প্রতিদিন। ৪. বারবার খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন অনেকেই ভাবেন যে বারবার খেলে বুঝি ওজন বাড়বে। এটা মোটেও সঠিক না। বরং নিয়ম মেনে পেট পুরে খান। পেট পুরে খাওয়া হলে মেটাবলিজম হার কমে যায়, ফলে খাবারের ক্যালোরির অনেকটাই বাড়তি ওজন হয়ে শরীরে জমবে। অল্প অল্প করে বারবার খাওয়াটা মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেয়, ফলে ওজন কমে। ৫. খাদ্য তালিকায় রাখুন ডুবো তেলে ভাজা খাবার ডুবো তেলে ভাজা খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট থাকে। ফলে সেটা ওজন বাড়াতে সহায়ক। তবে সাথে রাখুন প্রচুর তাজা শাক সবজির স্যালাড। ৬. জিমে যাওয়া অভ্যাস করুন ভাবছেন জিমে মানুষ যায় ওজন কমাতে, বাড়ানোর জন্য কেন যাবেন? কিন্তু আসল কথাটা হলো, কেবল মোটা হলেই হবে না। সাথে তৈরি করতে হবে সুগঠিত শরীর। আপনি জিমে যাবেন পেশী তৈরি করতে, এবং পুরুষেরা ওজন বাড়াতে চাইলে এই জিমে যাওয়া আসলে খুবই ফলদায়ক। পেশীর ওজন চর্বির চাইতে অনেক বেশী তো বটেই, তাছাড়া ব্যায়ামের ফলে খিদেও পাবে আর মন ভরে খেতে পারবেন। তবে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ট্রেনারের নির্দেশে ব্যায়াম করতে হবে। নাহলে হিতে বিপরীত হবার আশঙ্কা।
মোটা বা স্বাস্থ্যাবান হওয়ার পুর্ব শর্ত হলো আপনাকে নিয়মিত পুষ্টিকর খাদ্য( মাছ,মাংস, দুধ, ডিম) ইত্যাদি খেতে হবে। আপনাকে নিয়মিত ৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। ধুমপান কিংবা কোন নেশা জাতিয় জিনিস সেবন থেকে নিজেকে বিরত রাখুন। নিয়মিত হাটাচলা করুন। আর একান্তই মোটা হতে চাইলে ফাস্ট ফুড যেমন তেলে ভাজা জিনিস, কোমল পাণিয় (টাইগার, স্পীড,সেভেন আপ ইত্যাদি জাতিয় ড্রিঙ্কস) মিষ্টি জাতিয় জিনিস, বার্গার, প্যাস্ট্রি, ইত্যাদি খেতে পারেন। তবে মোটা হওয়ার কুফল অনেক তাই সুস্বাস্থ্য রক্ষায় নিয়মতান্ত্রিক খাদ্যাভ্যাস ও বিশ্রাম জরুরি। প্রতিদিন ৩০ মিনিট হালকা ব্যায়াম আপনাকে অনেক সুস্থ রাখতে সাহাজ্য করবে।
১) আপনি যদি বেশি রোগা হয়ে থাকেন, তাহলে চেষ্টা করবেন ফর্মাল লুকে ইন করে শার্ট না পরতে। এতে আপনাকে আরও বেশি রোগা লাগবে। অফিসে তো শার্ট ইন করতেই হয়। সেক্ষেত্রে চেষ্টা করুন খুব বেশি টাইট করে ইন না করতে। ২) কখনও ফুল হাতা শার্ট পরে হাতার বোতাম লাগিয়ে রাখবেন না। বরং হাতা খানিকটা ভাঁজ করে রাখুন। এতে আপনাকে বেশ স্বাস্থ্যবান মনে হবে, হ্যাংলা লাগবে না। ৩) কখনোই হাফ হাতা শার্ট বা টি শার্ট পরবেন না। হাতগুলো রোগা হলে তো একেবারেই না। এটা হবে বিশাল ফ্যাশন মিসটেক। ৪) শার্টের নিচে সবসময় একটি গোল গলা টি শার্ট পরুন, এমনভাবে যেন গলাটা দেখা যায়। এতে আপনার ওজন অনেকটাই বেশি দেখাবে। টি শার্ট বেছে নিন সাদা বা কালো রঙের। খুব বেশি উজ্জ্বল রঙ দরকার নেই। ৫) লম্বালম্বি স্ত্রাইপ পোশাক একেবারেই পরবেন না। এতে আরও রোগা দেখাবে। পরতে চাইলে আড়াআড়ি স্ত্রাইপ পরুন। ৬) গাঢ় রঙ বাদ দিয়ে যতটা সম্ভব হালকা রঙ পরুন। এতে ওজন বেশি দেখায়। ৭) বড় বড় চেক শার্ট পরুন। এতে ওজন অনেকটাই বেশি লাগবে। ৮) তরুণরা বড় বড় প্রিন্টের বা টাই ডাই করা টি শার্ট পরতে পারেন। এতেও ওজন বেশি দেখাবে। ৯) ভুল করেও স্কিন টাইট জিন্স বা শর্ট প্যান্ট পরবেন না। একটু ঢোলা, ক্যাজুয়াল লুকের ট্রাউজারস পরুন। হাল ফ্যাশনে এগুলো খুব মানাবে। ফর্মাল প্যান্ট একেবারে না পারতে পরুন, এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। ১০) ফুল হাতা শর্ট শার্ট পরুন ইন না করে। এতে মোটা দেখানোর পাশাপাশি লম্বাও দেখাবে। ১১) পাঞ্জাবী বা ফতুয়া পরতে চাইলে ভুলেও গোল গলা বা এক রঙা পাঞ্জাবী বেছে নেবেন না। শুধু বুকের ওপরে কাজ, এমন পোশাকও পরবেন না। পুরো কাপড় জুড়ে মিহি সুতার কাজ করা বা প্রিন্টের পাঞ্জাবী বেছে নিন। ১২) চোখা, সরু মাথার জুতো পরবেন না। রোগা ছেলেদের এটা মানায় না। ১৩) বেশি বেশি করে তাজা শাক সবজি খান, সাথে ডিম, দুধ, মাংশ, ঘি, মধু, আচার খাবারের তালিকায় রাখেন। নিয়মিত ব্যয়াম করুন।
যারা খুব শুকনা তারা মোটা হওয়ার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়গুলো জেনে নিন: টিপস-১: যদি নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খান এবং রাতের ঘুম ঠিক রাখেন, তাহলে আপনি তাড়াতাড়ি আপনার স্বাস্থ্য মোটা করতে পারবেন। না ঘুমাতে পারলে আপনার শরীর ক্যালরী ধরে রাখতে পারে না। রাতে তাড়াতাড়ি খাওয়া শেষ করুন এবং তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ুন। টিপস-২: একটা নিদিষ্ট সময় ধরে খাবেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে এক ঘন্টার মধ্যে সকালের নাস্তা শেষ করুন। সকালে প্রচুর পরিমাণে খেয়ে নিতে পারেন। হ্যাম বার্গার, ভাজা খাবার, চিকেন ব্রেস্ট খেলেও ক্ষতি নেই। টিপস-৩: সফ্ট ড্রিংকস্ এবং ফ্যাটি খাবার খেলে স্বাস্থ্য মোটা হয়। এতে বেশি পরিমানে ইন্সুলিন থাকে। ইন্সুলিন হরমোন তৈরি করে। যার সাহায্যে শরীরে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং ফ্যাট জমে। যখন ফ্যাটি ফুডস্ খাবেন, তখন পানি পান করুন; সফ্ট ড্রিংকস্ নয়। এমনকি ডায়েট সফ্ট ড্রিংকস্ও নয়। এটা খেলে আপনি ফ্যাটি ফুড খেতে পারবেন না।চিকন স্বাস্থ্য মোটা করার উপায় টিপস-৪: এনার্জি ফুড খেলেও আপনি মোটা হবেন। শরীরে যদি এনার্জি ফুড না থাকে তাহলে শরীরে শক্তিই থাকে না মোটা হওয়া তো দূরের কথা। উদাহরণে বলি: আপনি কখনো ব্যাটারিতে ল্যাপটপ কম্পিউটার চালাতে পারবেন না যদি প্লাগ না দেন। শরীরও তার ব্যতিক্রম নয়। টিপস-৫: টেনশনমুক্ত থাকুন। নিয়মিত ব্যায়াম করুন। ব্যায়াম করলে ক্ষুধা বেড়ে যায় টেনশন দূর করে। টিপস-৬: প্রচুর ফল খান। ফল পুষ্টিকর খাবার এতে প্রচুর ক্যালরি পাওয়া যায়। প্রতিদিন ফল এবং ফলের রস খান। ফলের তৈরি বিভিন্ন সিরাপ, কুবিথ, গাম, জ্যাম, জ্যালি খান এতে ফ্যাট আছে যা আপনার স্বাস্থ্য মোটা করবে। টিপস-৭: এ্যালকোহল পান করলে শরীর মোটা হয়। এটা আপনার মাংশপেশীতে হরমোন তৈরি করে। আপনার শরীরে যখন অতিরিক্ত ক্যালরির প্রয়োজন হয় দিনের শেষে সন্ধ্যার দিকে তখন পরিমাণমত (অল্প পরিমাণ) এ্যালকোহল পান করুন। এ্যালকোহলে প্রচুর ক্যালরি পাওয়া যায়। রাতে এ্যালকোহল পান করে তাড়াতাড়ি রাতের খাবার সেরে ঘুমিয়ে পড়ুন। তবে এই নয় যে, আপনি একেবারে বেশী পরিমাণে এ্যালকোহল পান করে মাতাল হবেন। তাতে কিন্তু লাভে চেয়ে ক্ষতির পরিমাণ বেশী হবে। আপনি খুব দ্রুত মোটা হয়ে যাবেন। আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না কিভাবে এত দ্রুত মোটা হওয়া সম্ভব। একবার চেষ্টা করে দেখুন না, ক্ষতি তো নেই !
পুষ্টিকর খাবার খান নিয়মিত ঘুমান যতটুকু সম্ভব চিন্তামুক্ত থাকুন, এবং যথেষ্ট পরিমান পানি পান করুন। আপনি হামদর্দ এর চিকিৎসা নিতে পারেন।
আপনি পিউটন সিরাপ খেতে পারেন। এটি ভাল ভিটামিন হিসাবে কাজ করে। এটি আপনার ওযন বাড়াতে সাহায্য করবে।