5 Answers

১। গলা ব্যাথার জন্য গরম পানীয় খুব কার্যকর। আদা চা, কফি, মধু মিশানো জল, গরম দুধ প্রভৃতি গ্রহণ করুন। ২। গলা ব্যথা বেশি হলে শীঘ্রই ডাক্তারের পরামর্শ নিন। অনেক সময় টনসিল ফুলে গলা ব্যথা হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিয়মিত ওষুধ সেবন করুন।

4119 views Answered

দেখুন শীতের এইসময় গলা ব্যথা স্বাভাবিক। তাই গলা ব্যথা হলে আপনি আদা সহকারে চা খেতে পারেন। এতে উপসম হবে বলে আশা করি।

4119 views Answered

নিচের নিয়ম গুলো মেনে চলতে পারেন, গার্গলঃ গবেষণায় পরিলক্ষিত যে, কুসুম গরম পানিতে সামান্য লবন মিশিয়ে গার্গল করা, শুধুমাত্র গলার জীবাণুকেই ধ্বংস করে না, প্রদাহ ও ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে। তাই এক কাপ হালকা গরম পানিতে আধা চা চামচ লবন মিশিয়ে দিনে দুই তিন বার গার্গল করা প্রয়োজন। তরল খাবারঃ হাঁচি, কাশি ও গলার ভিতর প্রচুর তরন নিঃসরণের জন্য শরীর অনেকটাই পানিশুন্য হয়ে পরে। তাই প্রচুর পানি ও তরল খাবার খেতে হবে। তবে অবশ্যই ঠাণ্ডা পানি বর্জন করা প্রয়োজন। গলা ব্যাথায় ধোঁয়া উঠা গরম সূপ দারুণ কাজে দেয়। লজেন্সঃ মেনথল, ইউক্যালিপটাস বা ফেনলসমৃদ্ধ কিছু লজেন্স আছে, যা চুষার ফলে গলা ব্যাথা ও প্রদাহ কমে যায়। এগুলো মূলত ক্লোরোসেপটিক অর্থাৎ গলায় একটা আরামদায়ক অনুভূতি এনে দেওয়ার পাশাপাশি জীবাণুনাশক হিসেবেও কাজ করে৷ চাঃ গলা ব্যাথায় দিনে দুই তিনবার গরম চা আমাদের অনেকটাই আরাম দিতে পারে। সেক্ষেত্রে গ্রিন টি বা হারবাল চা অনেক বেশী কার্যকর। চাইলে চায়ের মধ্যে লেবুর রস বা লবঙ্গজাতীয় জিনিস যোগ করুন, যা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করবে৷ বিশ্রামঃ যেকোনো অসুখে প্রজাপ্ত বিশ্রাম গ্রহন করলেই দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠা যায়। তাই কাজ থেকে ছুটি নিন, অবকাশ যাপন করুন, দেখবেন খুব দ্রুত আপনার গলা ব্যাথা সেরে যাবে। ওষুধঃ গলা ব্যাথায় প্যারাসিটামল বা বেদনানাশক ওষুধই যথেষ্ট। তবে ১০ শতাংশ ক্ষেত্রে গলায় স্ট্রেপটোকক্কাস সংক্রমণ হয়ে থাকতে পারে৷ সে ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক লাগতে পারে৷ তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন৷ তাই গলা ব্যাথা দূর করতে উপরোক্ত নিয়ম মেনে চলুন আর ভালো থাকুন।

4119 views Answered

নিচের পদ্ধতি গুল অবলম্বন করতে পারেন - ১। গলা ব্যাথার জন্য গরম পানীয় খুব কার্যকর। আদা চা, কফি, মধু মিশানো জল, গরম দুধ প্রভৃতি গ্রহণ করুন। ২। গলা ব্যথা বেশি হলে শীঘ্রই ডাক্তারের পরামর্শ নিন। অনেক সময় টনসিল ফুলে গলা ব্যথা হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিয়মিত ওষুধ সেবন করুন। ৩। গলা ব্যথার সাথে যদি ঢোক গেলার সময় কাঁটা কাঁটা অনুভূতি হয় তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। গ্ল্যান্ড ফুলে, গ্ল্যান্ডে ইনফেকশন হলে এরকম হয়ে থাকে। সময়মত চিকিৎসা না করালে পরবর্তীতে এটি থেকে জ্বর ও অন্যান্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। উপরোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করলে এসব সমস্যা থেকে অনেকখানি সমাধান পাওয়া যায়। তবে একটি প্রবাদ আছে, প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ ভালো। শীতকালে পর্যাপ্ত গরম কাপড় পরুন। ভোর সকালে বা সন্ধ্যায় বের হওয়ার সময় মাথা ঢেকে বের হন। মাফলার, টুপি প্রভৃতি ব্যবহার করুন। মাথায় কুয়াশা পড়লে তা থেকে মারাত্মক ঠান্ডা লেগে থাকে। যাদের টনসিলের সমস্যা আছে তারা অবশ্যই গলা ঢেকে রাখবেন। ঠান্ড পানীয় পান, ঠান্ডা জল ব্যবহার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন। শীতে রোগ থেকে মুক্ত থাকুন এবং শীতের হিমেল পরিবেশ উপভোগ করুন

4119 views Answered

গলা ব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়: গলাব্যথার কারণ জাহেদুল আলম বলেন, মূলত বিভিন্ন প্রদাহের কারণে গলাব্যথা হয়ে থাকে। বিভিন্ন জীবাণুর সংক্রমণের কারণে প্রদাহ হতে পারে। টনসিল, খাদ্যনালির ওপরের অংশ, নরম তালু, এমনকি জিহ্বার পেছনের অংশে প্রদাহের কারণে হতে পারে গলাব্যথা। গলাব্যথা হলে সঙ্গে জ্বর, মাথাব্যথা অথবা শরীরে ম্যাজমেজে অনুভূতি হয়ে থাকে অনেক সময়। ভাইরাসজনিত প্রদাহ সাধারণত ঋতু পরিবর্তনের সময় বা অতিরিক্ত গরমের সময় হয়ে থাকে। এ ছাড়া খেতে গিয়ে হঠাৎ গলায় কাঁটা বা হাড়ের কোনো অংশ লেগে গেলেও গলায় ব্যথা হতে পারে। কিন্তু সব সময়ই খেয়াল রাখতে হবে, যদি দীর্ঘদিন ধরে গলায় একটা অস্বস্তিকর অনুভূতি হওয়ার পর হঠাৎ করে ব্যথা শুরু হয়, তাহলে এটি প্রদাহজনিত ব্যথা নয়। এমন ব্যথার পেছনে অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে। তাই এ ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন। গলাব্যথায় করণীয় প্রদাহজনিত কারণে গলাব্যথা হলে লবণ ও গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করলে উপকার পাবেন। চা পান করলেও ভালো লাগবে। তবে আগে থেকে কিডনিতে কোনো সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করা উচিত নয়। আর চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক জাতীয় ওষুধ গ্রহণ করা কারও জন্যই ঠিক নয়। গলাব্যথা হলে অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি পান করা থেকে বিরত থাকুন। এ ছাড়া যাঁরা কোনো প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাদান করেন অথবা যাঁরা এমন কোনো পেশায় জড়িত, যেসব পেশার কারণে দীর্ঘ সময় উচ্চস্বরে কথা বলতে হয়, তাঁদের কোনো কোনো সময় গলাব্যথার সঙ্গে গলা ভেঙে যাওয়ার সমস্যাও হতে দেখা যায়। এসব ক্ষেত্রে নিজের কণ্ঠস্বরকে কিছুটা বিশ্রাম দিতে হবে এবং কথা বলতে হবে প্রশমিত স্বরে। প্রাথমিক চিকিৎসার মাধ্যমে দুই-তিন দিনের মধ্যে গলাব্যথা ভালো না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আর যদি গলাব্যথার সঙ্গে ঢোঁক গিলতে কোনো অসুবিধা থাকে অথবা গলায় কাঁটা বা খাবারের কোনো অংশ আটকে থেকে গেছে বলে মনে হয় তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। গলায় কোনো কিছু আটকে থাকলে তিনি তা বের করার ব্যবস্থা করবেন।

4119 views Answered

Related Questions

কিং রোট দিয়ে?
1 Answers 2631 Views

Next steps