3 Answers
নিচের পরামর্শ অনুযায়ী চলুন। খাবার খেতে হবে। একটা নির্দিষ্ট সময় ধরে, রুটিন করে খাবেন। যখন মন চাইলো আর খেলেন সেই অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে। ২। ৩ বেলাতেই ভাত খান। সম্ভব হলে ৪ বেলা খেতে পারেন। প্রতিবেলা ভাতের সাথে প্রচুর পরিমানে আলু তরকারি হিসেবে খেলে ভাল ফলাফল পাবেন। সাথে ডালও যেন অবশ্যই থাকে। ৩। সকালের নাস্তাতে ২টি সিদ্ধ ডিম খেতে হবে। এ ক্ষেত্রে হাসের ডিম মুরগীর ডিমের চাইতে ভাল কাযকর। হাফ বয়েল করে খেতে পারলে আরও ভাল হবে। ৪। সকালে যদি ভাত না খেতে চান, তাহলে পরোটা খাবেন। তবে পরোটার সাথে আলু ভাজি এবং সিদ্ধ ডিম অবশ্যই থাকতে হবে। ৫। সকালে ঘুম থেকে উঠে এক ঘন্টার মধ্যে সকালের নাস্তা শেষ করুন। ৬। সকাল ১১:০০ টা- ১২:০০টার দিকে হ্যাম বার্গার, ভাজা খাবার কিংবা চিকেন ব্রেস্ট খেতে পারেন। ৭। দুপুরের খাবারে ভাতের সাথে গরুর মাংস, আলু সহ খেতে পারেন। খাওয়া শেষে ২টা কলা খেয়ে নিতে পারেন। কলা মোটা হতে ভাল সাহায্য করে। ৮। বিকালের নাস্তাতে ডাবল ডিমের মোগলাই তৃপ্তি সহকারে খেয়ে ফেলুন। যদি প্রতিদিন একই খাবার খেতে মন না চায়, তাহলে গ্রিল কিংবা অন্য কোন ধরনের কাবাব খাবেন। ৯। রাতে প্রচুর পরিমানে ভাত খাবেন। আবারও একই কথা আলু এবং ডাল যেন খাবার মেনুতে অবশ্যই থাকে। খাবার শেষে ২টা কলা এবং ১ গ্লাস দুধ খাবেন।
মোটা হওয়ার বিশেষ কিছু ১।নিয়োম মত খাবার খেতে হব। অনিয়মিত খাবার খেলে মেদ বেড়ে যেতে পারে ২।পুষ্টি যুক্ত খাদ্র খেতে হবে যেমন দুধ মাছ মাংস ডিম ও সাকসবজি আরও ইত্যাদি
মোটা হতে করনীয় ১. প্রচুর পরিমানে পানি পান করবেন। ২. নিয়মিত শাক সবজি, ফলমূল খাবেন। ৩. খাবারে প্রোটিন এর মাত্রা কিছুটা বাড়িয়ে দিতে পারেন, তবে তা খুব বেশি নয়.. প্রোটিন বলতে ডিম, দুধ, মাংস ইত্যাদি ৪. Junk Food কম খাবেন.. যেমন: কোক, বাহিরের ভাজা পোড়া খাবার... ৫. নিয়মিত ব্যায়াম করবেন। ৬. সময়মত খাওয়া দাওয়া করবেন... ৭. পর্যাপ্ত পরিমান ঘুমাবেন... স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলে এইটা খুবই প্রয়োজনীয়.. একদম রাত জাগা যাবে না। একটা কথা মনে রাখবেন বাজারে কথিত "মোটা হউন ৩০ দিনে" এই ধরনের কোন প্যাকেজে না যাওয়া সবচেয়ে ভালো। কারনে এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। এছাড়া আপনি একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন। ডাক্তারের পরামর্শে ক্ষেত্র বিশেষে ঔষধ খেতে পারেন...