ইয়া নাবি সালামু আলাইকা....... এসব বলে মিলাদ পড়ানো কতটুকু ইসলামীক ধারার মাঝে পড়ে জায়েজ নাকি নাজায়েজ?
5 Answers
মিলাদ পড়া নবী করিম (সাঃ) থেকে প্রমাণিত নেই। এমনকি সাহাবায়ে কিরামগণও করেন নাই। কিন্তু দরূদ আছে। “হে ঈমানদারগণ তোমরা রাসূল (সা)-এর প্রতি দরূদ ও সালাম পাঠাওâ€। নামাজের মধ্যেও আমরা দরূদ পাঠ করি এবং নামাজের বাইরেও কমবেশি দরূদ পড়া উচিত।
এইসবের কোন ভিত্তি নেই। এইসব সম্পূর্ণ বিদআত বা নতুন সৃষ্টি। কোন সাহাবী এমনটা করেছেন এইরকম কোন দলিল নেই। তাই আমরা এমন কিছু করবো না যা রাসূল (সা:) ও সাহাবীগণ করেননি।মনে রাখতে হবে সাহাবীরা আমাদের চায়তে রাসূল (সা:) কে বেশি ভালোবাসতেন।স্বয়ং আল্লাহ রাব্বুল আলামীন রাসূলের উপর দরুদ পড়েছেন।আমরাও পড়বো।এখানে নতুন কোন নিয়মে দাঁড়িয়ে বা অন্যকোনভাবে দরুদ পড়ার কোন বিধান বা ফতোয়া কোন মুফতি কখনোই দিতে পারেনি।
রাসূল (সাঃ) তার মিত্যুর পর আমাদের জন্য রেখে গেছেন আল্লাহ তায়ালার কুরআন ও রাসূলের হাদিস.. কিন্তু কুরআন ও হাদিসের কোথাও নেই মীলাদ ও দারিয়ে কেয়াম করা. কিন্তু বতর্মান যুগে পীর ও অনেক আলেমরা নবীজির প্রতি ভালবাসা দেখিয়ে তা করে. আর তা হাদীস অনুযায়ী বিদয়াত...
ইয়া নবী এটা হচ্ছে দূরূদ সালাম। এটাতে নাজায়েজের কোন কারণ নেই। গোস্তাকে রসূলেরা কথায় কথায় সাহাবা করেন নাই বলে বলে বিদআত ফতোয়া লাগায়। এ সম্পর্কে জানতে আপনি ঐসব আলেমদের সাথে নিয়ে যে কোন বড় আলীয়া মাদ্রাসার মুহাদ্দিস দের সাথে কথা বলেন। সাথে ইউটিউবে যারা বিদআত বলে গলা ফাটায় তাদেরও সাথে নিবেন।
নবীজি (সাঃ) এর উপর সালাম জানানোও দরূদের অংশ। তাই তাকে সালাম জানানোর ক্ষেত্রে হাদিসে বর্ণিত দরূদ গুলি পাঠ করায় শ্রেয়। এই জন্য কোন আলেমদর নিকট যাওয়ার প্রয়োজন নেই। মুসলিম হলে কমনস সেন্স কাজে লাগান। ধন্যবাদ।