2 Answers
পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে যে শুধু হিন্দু নয় যে কোন ধর্মের লোকের বাড়িতে খাওয়া জাহেজ আছে। তবে মনে রাখবেন তাদের দেবতার জন্য উতসর্গ করা খাবার গুলো খেতে নিষেধ করা হয়েছে। (আর যারা এটার বিপক্ষে বলছেন আমি তাদের কে বলবো যে আপনি একটু আপনার নিজের শরীরের দিকে তাকিয়ে দেখবেন তো হিন্দুদের তৈরি করা কোন পোষাক কিংবা অলংকার আপনার শরীরে ঝুলছে কিনা কারন, খাওয়া যদি জাহেজ না হয় তাহলে ঐ গুলোও জায়েজ না। আপনি পায়ে যে জুতা পরেছেন সেটাও কোন হিন্দুর বানানো কিনা। আপনি যে উপকরন দিয়ে রান্না করবেন তাও কোন হিন্দুর ক্ষেতের ফসল বা হিন্দুর তৈরি কোন মসল্লা কিনা এই সব খেয়াল করবেন।)
বিধর্মীদের হাতের তৈরি করা খাবার ও বেনামাজির রান্নাকরা খাবার খাওয়া যাবে। অন্য ধর্মাবলম্বীদের রান্না করা খাবার খাওয়া জায়েজ। তবে খাবারটি হালাল হতে হবে। উক্ত খাবারে হারাম কোনো কিছুর সংমিশ্রণ থাকা যাবে না।
আল্লাহ তায়ালা বলেন, আজ তোমাদের জন্য সমস্ত ভাল জিনিস হালাল করা হলো ও যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের খাদ্যদ্রব্য তোমাদের জন্য হালাল এবং তোমাদের খাদ্যদ্রব্য তাদের জন্য বৈধ। (সুরা মায়িদাঃ ৫)।
খাদ্যবস্তুতে আহলে-কিতাব, পৌত্তলিক, মুশরেক সবাই সমান। রুটি, আটা, চাল, ডাল ইত্যাদিতে যবেহ করার প্রয়োজন নেই। এগুলো যে কোন লোকের কাছ থেকে যে কোন বৈধ পন্থায় অর্জিত হলে মুসলিমের জন্যে খাওয়া হালাল।
আনাস বিন মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে: এক ইহুদী মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে একটি বিষযুক্ত ভেড়া নিয়ে আসে এবং তিনি সে ভেড়া থেকে খেয়েছেন। (সহিহ বুখারীঃ ২৪৭৪ ও সহিহ মুসলিমঃ ২১৯০)।
প্রমাণযুক্ত দলীলটি যাতে রয়েছে যে, খায়বারবাসী সদ্য ভাজা একটি ছাগী রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে উপঢৌকন দিয়েছিল যার একটি কাঁধে তারা বিষ মিশ্রিত করেছিল। কেননা, তাদের জানা ছিল যে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কাদের গোশত পছন্দ করে থাকেন। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ঐ গোশত মুখে দিয়ে দাঁত দ্বারা কাটা মাত্রই আল্লাহর নির্দেশক্রমে ঐ কাঁধ বলে উঠলোঃ আমাতে বিষ মিশ্রিত রয়েছে। তিনি তৎক্ষণাৎ ওটা থুথু করে ফেলে দিলেন। ওর ক্রিয়া তার সামনের দাঁতে রয়েও গেল।
তার সাথে হযরত বাসার ইবনে মারূরও (রাঃ) ছিলেন। ঐ বিষক্রিয়াতেই তিনি মৃত্যু মুখে পতিত হলেন। এর প্রতিশোধ হিসেবে বিষ মিশ্রিতকারিণী মহিলাটিকেও হত্যা করা হলো, যার নাম ছিল যয়নব।
অতঃএব হিন্দু বা বিধর্মীদের তৈরি হালাল খাবার মুসলমানের জন্য খাওয়া জায়েয। তবে তাদের যবাইকৃত প্রাণীর গোশত খাওয়া হারাম।
কেননা,সূরা আনআমের ১১৮ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ তাআলা বিধান দিয়েছেন: অতঃপর যে জন্তুর উপর আল্লাহর নাম উচ্চারিত হয়, তা থেকে ভক্ষণ কর যদি তোমরা তাঁর বিধানসমূহে বিশ্বাসী হও।
সুতরাং তাদের বাড়িতে তাদের যবেহ করা প্রাণীর গোশত খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy