আমার বয়স ২১ কিন্তু শরীর অত্যন্ত রোগা-পাতলা ও শক্তিহীন। ওজন মাত্র ৪৬কেজি। দিনে ৫-৬ বেলা খাই তাওকোনো পরিবর্তন নেই। রাতে ঘুম হয় না। কোনো কিছু করতে ভালো লাগে না, মন বসে না। এ অবস্থায় আমার করণীয় কি..??
3410 views

5 Answers

স্বাস্থ্য ভালো রাখার আছে কিছু বিশেষ উপায়ঃ ১. পুষ্টিকর খাবার খাওয়া: সুস্থ স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজন শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। কিছু বিশেষ খাবার আছে যেগুলো স্বাস্থ্য ভালো রাখার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে। তাই পালং শাক, ব্রকলি, লেটুস, ফুলকপি, বাঁধাকপি, চিনি ছাড়া চা, রঙিন ফল, ডিম, বাদাম ও বিভিন্ন বীজ, তৈলাক্ত মাছ ও ডার্ক চকলেট নিয়মিত খাবার তালিকায় রাখুন। ২. ব্যায়াম করা: স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করা প্রয়োজন। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট এক টানা হাঁটার চেষ্টা করুন। এছাড়াও দৌড়ানো, সাইকেল চালানো, সাঁতার ও অন্য যে কোনো ব্যায়াম যেগুলো ক্যালোরি ক্ষয় করে সেগুলো সবই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীরের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে এবং লিবিডো বৃদ্ধি পায় যা স্বাস্থ্যের জন্য জরুরী। ৩. পরিচ্ছন্নতা: সুস্থ্য স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজন পরিচ্ছন্নতা। ৪. প্রচুর পানি খাওয়া: স্বাস্থ্য রক্ষা করার জন্য প্রয়োজন প্রচুর পানি পান। শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি উপস্থিত না থাকলে নানান রকমের সমস্যা দেখা দেয় শরীরে। তার মধ্যে একটি হলো লিবিডো কমে যাওয়া। তাই সুস্থ্য স্বাস্থ্যের জন্য দিনে অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করুন। ৫. ধূমপান ও মদ্যপান ত্যাগ করুন: ধূমপান ও মদ্যপান লিবিডো কমিয়ে দেয়। ফলে স্বাস্থ্য মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। নিকোটিন রক্ত জমাট বাধিয়ে ফেলে এবং রক্তচলাচল কমিয়ে দেয়।

3410 views

নিচের নিয়মগুলো অনুস্বরন করুন ১.সকালে সূর্যোদয়ের আগে ঘুম থেকে উঠা উচিত।মুখ ধুয়েই এক থেকে দুই গ্লাস পানি খাওয়া ভাল।এতে সহজে কোন পেটের রোগ হয় না। ২.পানি খাবার পর কিছুক্ষন খোলা জায়গায় হাটা উচিত।সকালের বিশুদ্ধ বাতাস শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী। ৩.খালি পেটে চা বা কফি খাওয়া ঠিক না ।খাবার আগে অবশ্যই কিছু খাওয়া প্রয়োজন। ৪.খাবার যতদূর সম্ভব নিয়মিত খাওয়া উচিত।খিদে না পেলে কখনই খাওয়া উচিত নয়,আবার খু্ব বেশী বা খুব কম খাওয়াও উচিত নয়। ৫.সপ্তাহে বা ১৫ দিনে একদিন উপবাস করলে পাকস্থলির কর্মক্ষমতা ঠিক থাকে।আমাবশ্যা বা পূর্ণিমাতে উপবাস করলে স্বাস্থ্য ভাল থাকে। ৬.খাবার সময় বেশি পানি খাওয়া ঠিক না।খাবার শেষ করার অন্তত ১ ঘন্টা পরে পানি খাওয়া উচিত তবে দিনে যত বেশি পানি পান করা যায় ততই ভাল।বেশি পানি পান করলে কোন ক্ষতি নেই। ৭.তাড়াতাড়ি বা অন্যমনস্ক হয়ে খাবার খাওয়া ঠিক না।খাবার সময় কথা বলা ঠিক না। ৮.খাবার ভালমত চিবিয়ে খাওয়া উচিত।খাবার যত চিবিয়ে খাওয়া যায় তত তাড়াতাড়ি হজম হয়। ৯.দুপুরে খাবার সময় ১২ টা এবং রাতে খাবার সময় ৯ টার আগে হওয়া উচিত।কেননা বেশি রাতে খেলে খাবার ঠিকমত হজম হয় না,তাই রাতে হালকা খাওয়া উচিত।অধিক রাতে দুধ ছাড়া কিছু খাওয়া ঠিক না। ১০.রাতে খাওয়ার অনন্ত আধ ঘন্টা থেকে এক ঘন্টা পরে ঘুমাতে যওয়া উচিত। ১১.অতিরিক্ত পরিশ্রমের পর বিশ্রাম না নিয়ে খাওয়া ঠিক নয়, তেমনি খাবার পর অবশ্যই কিছুক্ষন বিশ্রাম নেওয়া দরকার। ১২.রোদ থেকে এসে বা অতিরিক্ত পরিশ্রমের পর সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা পানি খাওয়া ঠিক না।

3410 views

স্বাস্থ্য ভালো রাখার নিয়ম সমূহ ১.সকালে সূর্যোদয়ের আগে ঘুম থেকে উঠা উচিত।মুখ ধুয়েই এক থেকে দুই গ্লাস পানি খা‌ওয়া ভাল।এতে সহজে কোন পেটের রোগ হয় না। ২.পানি খাবার পর কিছুক্ষন খোলা জায়গায় হাটা উচিত।সকালের বিশুদ্ধ বাতাস শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী। ৩.খালি পেটে চা বা কফি খাওয়া ঠিক না ।খাবার আগে অবশ্যই কিছু খাওয়া প্রয়োজন। ৪.খাবার যতদূর সম্ভব নিয়মিত খাওয়া উচিত।খিদে না পেলে কখনই খাওয়া উচিত নয়,আবার খু্ব বেশী বা খুব কম খাওয়াও উচিত নয়। ৫.সপ্তাহে বা ১৫ দিনে একদিন উপবাস করলে পাকস্থলির কর্মক্ষমতা ঠিক থাকে।আমাবশ্যা বা পূর্ণিমাতে উপবাস করলে স্বাস্থ্য ভাল থাকে। ৬.খাবার সময় বেশি পানি খাওয়া ঠিক না।খাবার শেষ করার অন্তত ১ ঘন্টা পরে পানি খাওয়া উচিত তবে দিনে যত বেশি পানি পান করা যায় ততই ভাল।বেশি পানি পান করলে কোন ক্ষতি নেই। ৭.তাড়াতাড়ি বা অন্যমনস্ক হয়ে খাবার খাওয়া ঠিক না।খাবার সময় কথা বলা ঠিক না। ৮.খাবার ভালমত চিবিয়ে খাওয়া উচিত।খাবার যত চিবিয়ে খাওয়া যায় তত তাড়াতাড়ি হজম হয়। ৯.দুপুরে খাবার সময় ১২ টা এবং রাতে খাবার সময় ৯ টার আগে হওয়া উচিত।কেননা বেশি রাতে খেলে খাবার ঠিকমত হজম হয় না,তাই রাতে হালকা খাওয়া উচিত।অধিক রাতে দুধ ছাড়া কিছু খাওয়া ঠিক না। ১০.রাতে খাওয়ার অনন্ত আধ ঘন্টা থেকে এক ঘন্টা পরে ঘুমাতে যওয়া উচিত। ১১.অতিরিক্ত পরিশ্রমের পর বিশ্রাম না নিয়ে খাওয়া ঠিক নয়, তেমনি খাবার পর অবশ্যই কিছুক্ষন বিশ্রাম নেওয়া দরকার। ১২.রোদ থেকে এসে বা অতিরিক্ত পরিশ্রমের পর সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা পানি খাওয়া ঠিক না।

3410 views

শরীর ভালো থাকলে যেমন বাড়ে কাজের স্পৃহা বাড়ে, তেমন মনও থাকে ফুরফুরে ও সতেজ। আর মন ভালো থাকলে সবকিছুই ভালো লাগে। তাছাড়া সুস্থ, সুন্দর ও ফিটশরীর সবারই কাম্য। তাইতো বলা হয়'স্বাস্থ্যইসকল সুখের মূল'। স্বাস্থ্য ভালো তো সব ভালো। তবে সুস্থ থাকার জন্য সবাইকেই হতে হবে সচেতন, প্রতিদিন মেনে চলতে হবে কিছু নিয়ম। তাহলেই থাকবেন সুস্থ এবং হবেন সুন্দর দেহের অধিকারী। চলুন জেনে নিই সুস্থ থাকার কিছু নিয়মাবলী-# নিয়মিত ও পরিমিত খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন।খাবার তালিকায় আঁশযুক্ত খাবার বাড়ান। আমিষ ও চর্বিজাতীয় খাবার কমিয়ে আনুন। ভাজা-পোড়া ও ফাস্টফুড জাতীয় খাবার সম্পূর্ণ বন্ধ করুন।# খাবারের শুরুতে এক থেকে দুই গ্লাস পানি পান করুন। খাবার শেষে অন্তত এক থেকে দুই ঘন্টা পর পানি পান করবেন।# লালমাংস (চার পা বিশিষ্ট পশুর মাংস), দোকানের কেনা মিষ্টি, ঘি, ডালডা, ডাল ও ডালজাতীয় খাবার কম খান।# ফলমূল ও শাকসবজি বেশি করে খাদ্য তালিকায় রাখুন। একবারে বেশি করে খাওয়ার চেয়ে অল্প অল্প করে বারবার খেতে পারেন।# রাতে তাড়াতাড়ি খাওয়া উচিত। খাওয়ার এক থেকে দুই ঘন্টা পর শোওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।# সুস্বাস্থ্য ও ফিগারের জন্য নিয়মিত ও পরিমিত ঘুমপ্রয়োজন। দিনে শোওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করে রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমের অভ্যাস গড়ে তুলুন।# যাদের মেদ বা ভুড়ি জমেছে তারা নিয়মিত ও সঠিক ব্যায়াম করতে পারেন। এর জন্য একজনফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করা যেতে পারে। মনে রাখবেন ভুল ব্যায়াম ও অনিয়ন্ত্রিত 'জিম এক্সারসাইজ'আপনার সমস্যা আরো বাড়িয়ে তুলতে পারে।# প্রতিদিন সমতল জায়গায় হাঁটার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন হাঁটা সর্বোৎকৃষ্ট ব্যায়াম। নিয়মিত অন্তত এক থেকে দুই ঘন্টা হাঁটার অভ্যাস করুন।# ভোরে ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস গড়ে তুলুন। সকালে স্কুল, কলেজ বা অফিসে যাওয়ার আগে গোসল সেরে নিন।# বেশি উঁচু তলায় উঠার দরকার না হলে, লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যাবহার করুন।# প্রতিদিন ছয় থেকে সাত ঘন্টা ঘুমের অভ্যাস গড়ুন।

3410 views

মন ভাল থাকলে স্বাস্থ এমনিতেই ভাল হয়ে যায়....................... তাই মন ও স্বাস্থ ভাল রাখার কিছু টিপস দেওয়া হল.............. ১. নেতিবাচক চিন্তা করার বদলে ইতিবাচক চিন্তা করুন। ২. বিপদে মনোবল হারাবেন না। ৩. সফল ব্যক্তিদের জীবনী পড়ুন। ৪. প্রিয়জনের সঙ্গে কাটান। ৫. পরিবার বা বন্ধুদের সাথে বেড়াতে যান। ৬. নিজেকে কখনোই দুঃখী মানুষ ভাববেন না। ৭. ভালো কোনো গল্পের বই পড়ুন, ভালো চলচ্চিত্র দেখুন। ৮. শিল্প-সাহিত্যবিষয়ক প্রদর্শনী দেখতে যান। ৯. প্রিয়জনদের সাথে যোগাযোগ করুন। তাদের উপহার দিন। ১০. সুখ স্মৃতি স্মরণ করুন। ১১. প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে কষ্ট ভাগ করুন। ১২. মুক্ত বাতাসে, খোলা আকাশের নিচে হাঁটুন। ১৩. ছুটির দিনে দূরে কোথাও পিকনিকে যান বা বেড়াতে যান। ১৪. সহকর্মীদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তুলুন। ১৫. অফিস বা পড়ার টেবিলে ছোট্ট ফুলদানিতে তাজা ফুল রাখুন। ১৬ কাজের মাঝে বিরতি দিন ১৭. নির্জনে কোনো এক স্থানে বসে ২০ থেকে ৩০ মিনিট নিয়মিত মেডিটেশন বা ধ্যান করুন। ১৮. দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। ১৯. সুষম খাবার খান। ২০. সৃজনশীল কাজ করুন।

3410 views

Related Questions