3 Answers
পুষ্টিকর খাবার খাবেন যেমন দুধ, ডিম, মাছ, মাংশ, শাক সব্জি ইত্যাদি। তবে খাওয়া দাওয়া রুটিন মাফিক খেতে হবে। তাহলে আশা করি আপনি সাস্থের উন্নতি করতে পারবেন।
সকাল বেলা তাড়াতাড়ি ঘুম হতে উঠুন। রাতে ভাল ঘুম না হলেও উঠা উচিত। সকালে তাড়াতাড়ি উঠা মানে নিজেকে সারাদিনের জন্য প্রফুল্ল চিত্তে রাখা। প্রথমে একগ্লাস পানি খেয়ে হাল্কা ব্যায়াম করে আসুন। যদি শুকনো দেহে কুলোয়,তবে বার ইঞ্চি দুটো ইট দিয়ে প্রথমদিন থেকেই হাতের ব্যায়াম করতে থাকুন। যত বেশী পারবেন,তত আপনার মাসল উন্নত হবে। ব্যায়াম করে এসে পুনরায় এক গ্লাস পানি খান। সকালের নাস্তা হয়তো দেরীতে হবে,কিংবা আপনাকে হয়তো এমন কিছু খেতে দেওয়া হবে যা আপনার রুচিতেই আসে না। নো প্রবলেম, খুজে দেখুন গত রাতের বাসী ভাত আছে কিনা। যদি থাকে তাহলে একটি পেয়াজ,দুটো পোড়া মরিচ আর এক চামচ আয়োডিনযুক্ত গলগন্ড প্রতিরোধকারী লবণ নিন। তারপর পানি দিয়ে পান্তা ভাত তৈরি করে খান। এতে সবচেয়ে বড় সুবিধা হল আপনি যত বড় খাদকই হন না কেন আপনার পেট এই পান্তা ভাতের মাধ্যমে ভরে যেতে বাধ্য। এরপর অনেকে আবার দুপুরের আগে কোন কিছু না খেয়েই থাকেন। কিন্তু আর না, এখন থেকে অবশ্যই খেতে হবে। ভাবছেন কি খাবেন? দুপুরের জন্য যে ভাত রান্না হয়েছে তার মালসার মধ্যে দেখুন অত্যন্ত পুষ্টিকর ভাতের মাড় বা ফেন, যা প্রায় সময়ই গরুকে খাওয়ানো হয়, (ইহা আবার বাতের ব্যাধির জন্য অত্যন্ত উপকারীও বটে) সবটুকু নিন। তারপর পরিমাণমত আয়োডিনযুক্ত লবণ নিয়ে চামচ দিয়ে ভাল করে নেড়ে খেয়ে নিন। খেয়াল রাখবেন যাতে লবণের পরিমাণ বেশী না হয়,তাহলে অতিরিক্ত লবণ কটার জন্য খেতে পারবেন না। সুন্দরভাবে নাড়াচাড়ার পর চামচ দিয়ে খেয়ে দেখবেন অত্যন্ত সুস্বাদু হয়েছে। খাওয়ার পর আপনার মনে হবে আজ সারাদিন না খেলেও আপনার পেট ভরা থাকবে।
মোটা হতে চাওয়ার পুর্বে আপনার চিকন হবার কারন গুলো খুজে দেখুন অনেকেই এই কাজ না করে শুধু শুধু অনেক ঔষধ বা ব্যায়াম শুরু করেন যা কোন ফল তো দেওয়া দুরের কথা আরো সমস্যার সৃষ্ট করে তাই প্রথমেই আপনি চিকন বা পাতলা বা কতটা আন্ডার ওয়েট সেটি বের করুন এর পর বয়স/উচ্চতার সাথে সামঞ্জস রেখে ওজন কতটুকু ওজন থাকা দরকার সেটি বের করুন। এর পর অজান্তে থাকা কিছু অভ্যাস আছে কিনা খুজে দেখুন ১। কম ঘুমানোর অভ্যাস ২। রাত জেগে থাকার অভ্যাস ৩। ধুম/মদ্য পানের অভ্যাস ৪। খাবারে অরুচি ৫। পানি কম পান করা ৬। পুরুষদের হস্ত মৈথুন করার অভ্যাস আরো কিছু বাজে অভ্যাস আমাদের অজান্তেই শরীরের ওজন কমাতে দারুন ভুমিকা রাখে প্রথমে সেগুলো চিহ্নিত করে অভ্যাস ত্যাগ করার চেষ্ট করা এবং সুষম খাবারের পরিমান বাড়িয়ে সুস্বাস্থ ফিরিয়ে নিয়ে আসার চেষ্টা করা... খুব বেশি রোগা শরীর হলে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া।