5 Answers

খাবারে প্রচণ্ড অরুচি, কিছুই মুখে নিতে ইচ্ছে করে না। এমন দিন অনেক সময় আসে। অনেক কারণেই এটা হতে পারে। যকৃতের সমস্যায়, জন্ডিসে রুচি কমবেই। পাকস্থলীর বা অন্ত্রের সমস্যায়, অম্লতায়, সংক্রমণ বা ক্যানসারের কারণে বিশ্রি ধরনের অরুচি হয়। কিডনির রোগীদেরও একই সমস্যা। নানা ধরনের ওষুধে রুচি কমে যেতে পারে। এমনকি বিষন্নতায় বা উদ্বেগজনিত মানসিক রোগেও এটা হতে পারে। আবার এমন হতে পারে যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেও রুচি কমার কোনো কারণ পাওয়া যায় না। তার মানে হয়তো খাবারটাই হয়ে পড়ছে ক্লান্তিকর ও বিস্বাদ। বড় কোনো রোগবালাই ছাড়া রুচি কমে এলে তা বাড়ানোর কিছু উপায় চেষ্টা করা যায়।
পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার বেছে নিন
যাঁরা বেশি খেতে পারছেন না বা খেতে ইচ্ছে করে না, তাঁরা এমন খাবার বেছে নিন, যা কম খেলেও বেশি পুষ্টি দেবে। যেমন, শাকসবজি বা ফলমূল, গোটা শস্য, বাদাম, বীজজাতীয় খাদ্য এবং আমিষ। যেমন, মাছ, মাংস বা দুধ। চিপস, বেকিং করা খাবার, ফাস্ট ফুড পেটের ভরা ভরা ভাব আরও বাড়াবে এবং খিদে আরও কমিয়ে দেবে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার এবং মাছ ও মুরগির আমিষ মস্তিষ্কের খিদে কেন্দ্রকে উজ্জীবিত করে। একবারে বেশি পরিমাণে না খেতে পারলে বারবার অল্প পরিমাণে খান।
খাবারকে দৃষ্টিনন্দন করুন
বিজ্ঞানীরা বলেন, আমরা কেবল মুখ ও জিভ দিয়ে খাই না, চোখ-নাক দিয়েও খাই। মানে খাবারের স্বাদ কেবল নয়, গন্ধ, রং ও চেহারাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই খাদ্য প্রস্তুতের সময় খাবারের চেহারার দিকে মনোযোগ দিন। বিভিন্ন রং ও স্বাদ যোগ করুন। যেমন—ক্যাপসিকাম, লেটুস, টমেটো ও বিভিন্ন রঙের ফলমূল। গন্ধ বাড়াতে লেবুর রস, সিরকা, সরিষা, বিভিন্ন মসলা।
খাওয়ার সময় বেশি পানি নয়
পানি বা তরল খাবেন দুটি আহারের মধ্যবর্তী সময়ে। আহারের মাঝখানে নয়। খাওয়ার সময় বেশি পানি বা পানীয় খেলে পেট অল্পতে ভরে যাবে। কফি-চা-জুস ইত্যাদি বেশি গ্রহণ করলেও খাবারের ইচ্ছে কমে আসে।
বন্ধু ও ব্যায়াম
একা একা খাওয়ার তুলনায় পছন্দের সঙ্গী বা বন্ধুবান্ধব থাকলে খাবারের রুচি বাড়ে—এটা পরীক্ষিত সত্য। তাই মাঝেমধ্যে অতিথি আপ্যায়ন করা ভালো। প্রতিদিন কিছু ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম করুন। এতে মেটাবলিজম বাড়বে এবং খিদে বাড়বে।
ভিটামিন কি রুচি বাড়ায়?
অনেকেই রুচি বাড়ানোর জন্য নানা ধরনের ভিটামিন বা টনিক খেয়ে থাকেন। আদতে ভিটামিন বড়ি বা টনিক রুচি বাড়ায় না। তবে একমাত্র যে ভিটামিন রুচি বাড়াতে কিছুটা সাহায্য করে তার নাম ফলিক অ্যাসিড বা ফলেট। মেরিল্যান্ড মেডিকেল সেন্টারের গবেষকেরা দেখিয়েছেন যে ফলিক অ্যাসিড রুচি কেন্দ্র বা এপিটাইট সেন্টারকে উজ্জীবিত করতে পারে। এই ভিটামিন পাবেন গাঢ় পাতাবহুল সবজি যেমন শাক, সরিষাশাক, বাঁধাকপি, বিট, বীজজাতীয় শস্য ইত্যাদিতে। এ ছাড়া পাবেন কলিজা ও কমলার রসেও। সূত্র: ওয়েবমেড, লিভস্ট্রং, এবিসি হেলথ।

19745 views Answered

আপনি "এমিটন-প্লাস" সিরাপটি খেতে পারেন।এটি মুখের রুচি বৃদ্ধি করে এবং সাস্থ্য ভাল রাখতে সহায়তা করে।

19745 views Answered

আমলকি প্লাস ঔষুধটি খাবেন।

19745 views Answered

সিনকারা নামের সিরাপ টি খেতে পারেন। অথবা বি- ফিফটি ফোর্ট ক্যাপসুল খেতে পারেন। এতে আপনার রুচি বেড়া যাবে।

19745 views Answered

স্বাভাবিক নিয়মে অরুচি হলে নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে পারেন...... * প্রতিদিন দুপুরে খাবার আগে লবণ দিয়ে একটু আদা চিবিয়ে খান । এতে ক্ষিধে বাড়বে এবং মুখের রুচি ফিরে আসবে। * খাওয়ার আগে হালকা হাঁটাহাঁটি করুন, এতে খাওয়ার রুচি বাড়বে, হার্টও ভালো থাকবে। * আগে পুষ্টিকর খাবার খান, এরপর পানি ও পানিজাতীয় খাবার। * মিষ্টি স্বাদের ফল রুচিবর্ধক। তাই এক বা একাধিক ফল ও ফলের জুস খেতে পারেন। * ক্ষুধা বা রুচিবর্ধক আরো কিছু খাবার আছে। যেমন- আমলকী, কিশমিশ, মিষ্টি, আচার, সালাদ, পেঁয়াজ ইত্যাদি। তবে যদি কোনো রোগের কারণে খাদ্যে অরুচি দেখা দেয় বা হঠাত করে অরুচি দেখা দেয় তাহলে অবশ্যই চিকিত্সকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

19745 views Answered

Related Questions

Next steps