user-avatar

Ferdausi Begum

◯ Ferdausi

Sehri Time Dhaka 2019

রমজান মে/জুন বার সাহরীর সতর্কতামূলক
শেষ সময়
ফজরের ওয়াক্ত
শুরু
ইফতারের
সময়
০১ ০৭ মে মঙ্গল ৩:৫২ am ৩:৫৮ am ৬:৩৪ pm
০২ ০৮ মে বুধ ৩:৫১ am ৩:৫৭ am ৬:৩৪ pm
০৩ ০৯ মে বৃহস্পতি ৩:৫০ am ৩:৫৬ am ৬:৩৫ pm
০৪ ১০ মে শুক্র ৩:৫০ am ৩:৫৬ am ৬:৩৫ pm
০৫ ১১ মে শনি ৩:৪৯ am ৩:৫৫ am ৬:৩৬ pm
০৬ ১২ মে রবি ৩:৪৯ am ৩:৫৫ am ৬:৩৬ pm
০৭ ১৩ মে সোম ৩:৪৮ am ৩:৫৪ am ৬:৩৬ pm
০৮ ১৪ মে মঙ্গল ৩:৪৮ am ৩:৫৪ am ৬:৩৭ pm
০৯ ১৫ মে বুধ ৩:৪৭ am ৩:৫৩ am ৬:৩৭ pm
১০ ১৬ মে বৃহস্পতি ৩:৪৭ am ৩:৫৩ am ৬:৩৮ pm






১১ ১৭ মে শুক্র ৩:৪৬ am ৩:৫২ am ৬:৩৮ pm
১২ ১৮ মে শনি ৩:৪৬ am ৩:৫২ am ৬:৩৯ pm
১৩ ১৯ মে রবি ৩:৪৫ am ৩:৫১ am ৬:৩৯ pm
১৪ ২০ মে সোম ৩:৪৪ am ৩:৫০ am ৬:৪০ pm
১৫ ২১ মে মঙ্গল ৩:৪৪ am ৩:৫০ am ৬:৪০ pm
১৬ ২২ মে বুধ ৩:৪৩ am ৩:৪৯ am ৬:৪১ pm
১৭ ২৩ মে বৃহস্পতি ৩:৪৩ am ৩:৪৯ am ৬:৪২ pm
১৮ ২৪ মে শুক্র ৩:৪২ am ৩:৪৮ am ৬:৪২ pm
১৯ ২৫ মে শনি ৩:৪২ am ৩:৪৮ am ৬:৪২ pm
২০ ২৬ মে রবি ৩:৪১ am ৩:৪৭ am ৬:৪৩ pm






২১ ২৭ মে সোম ৩:৪১ am ৩:৪৭ am ৬:৪৩ pm
২২ ২৮ মে মঙ্গল ৩:৪০ am ৩:৪৬ am ৬:৪৪ pm
২৩ ২৯ মে বুধ ৩:৪০ am ৩:৪৬ am ৬:৪৪ pm
২৪ ৩০ মে বৃহস্পতি ৩:৪০ am ৩:৪৬ am ৬:৪৫ pm
২৫ ৩১ মে শুক্র ৩:৩৯ am ৩:৪৫ am ৬:৪৫ pm
২৬ ০১ জুন শনি ৩:৩৯ am ৩:৪৫ am ৬:৪৬ pm
২৭ ০২ জুন রবি ৩:৩৯ am ৩:৪৫ am ৬:৪৬ pm
২৮ ০৩ জুন সোম ৩:৩৯ am ৩:৪৫ am ৬:৪৬ pm
২৯ ০৪ জুন মঙ্গল ৩:৩৯ am ৩:৪৫ am ৬:৪৭ pm
৩০ ০৫ জুন বুধ ৩:৩৯ am ৩:৪৫ am ৬:৪৭ pm


ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, এই সূচিতে সতর্কতামূলকভাবে সেহরির শেষ সময় সুবহে সাদিকের ৩ মিনিট আগে ধরা হয়েছে। আর ফজরের ওয়াক্ত শুরুর সময় সুবহে সাদিকের ৩ মিনিট পর রাখা হয়েছে।


image

image

যে ব্যক্তি তার সম্পদের মাঝে বরকত হোক এ বিষয়ে আগ্রহী সে যেনো রাসুল সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর উপরোক্ত দরুদ-শরিফটি পড়ে। (হিসনে হাসিন-২২০) কোনো মুসলমানের কাছে যদি সদকা করার মত কোনো সম্পদ না থাকে তাহলে সে যেনো এ দরুদ শরিফটি দোয়ার মাঝে পড়ে, এটা তার জন্য জাকাতসরূপ হবে। অর্থাৎ এতে তার সম্পদের মাঝে বরকত হবে এবং তা পবিত্র হবে। ফজিলত : যে ব্যক্তি তার সম্পদের মাঝে বরকত হোক এ বিষয়ে আগ্রহী সে যেনো রাসুল সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর উপরোক্ত দরুদ-শরিফটি পড়ে। (হিসনে হাসিন-২২০) কোনো মুসলমানের কাছে যদি সদকা করার মত কোনো সম্পদ না থাকে তাহলে সে যেনো এ দরুদ শরিফটি দোয়ার মাঝে পড়ে, এটা তার জন্য জাকাতসরূপ হবে। অর্থাৎ এতে তার সম্পদের মাঝে বরকত হবে এবং তা পবিত্র হবে। (হাকেম-৭১৭৫) আরবি দোআ : একবার اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ عَبْدِكَ وَرَسُوْلِكَ وَعَلَى الْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَالْمُسْلِمِيْنَ وَالْمُسْلِمَاتِ. বাংলা উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা সল্লি আলা মুহাম্মাদিন আবদিকা ওয়া রাসুলিকা ওয়া আলাল মুয়মিনিনা ওয়াল মুয়মিনাতি ওয়াল মুসলিমিনা ওয়াল মুসলিমাতি। বাংলা অর্থ : হে আল্লাহ! তুমি রহমত বর্ষণ কর তোমার বান্দা ও রাসুল মুহাম্মদ এর উপর, এবং সব মুমিন নর-নারী ও মুসলমান নর-নারীর উপর। মূল- হজরত মাওলানা ইউনুস বিন উমর পালনপূরী
#1 “পুলিশের সমস্যা কি” এরকম একটা প্রশ্ন- ফেসবুক পেজে এবং আমার ব্যক্তিগত প্রোফাইলে। মোটামুটি দুই জায়গা মিলিয়ে হাজার খানেক উত্তর পেয়েছি।অনেকেই তাঁদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন , যেগুলো পড়ে এই বাহিনীর একজন সদস্য হিসেবে খুব কষ্ট অনুভব করেছি।নিজেকে ভুক্তভোগীর জায়গায় কল্পনা করে গা শিউরে উঠেছে। কাজেই, একজন পুলিশ অফিসার হিসেবে এধরণের পরিস্থিতিতে কি করবেন সেটি জানানোর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি। শুরু করার আগে বলে নিই, মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রতিরোধ সংগ্রামের গৌরবদীপ্ত এই বাহিনী তার নানা সীমাবদ্ধতা সত্বেও জনকল্যানে কাজ করে যাচ্ছে। ২০১৩ সালে কর্তব্যরত অবস্থায় এই বাহিনীর ১০৯ জন সদস্য মৃত্যুবরণ করেন- এই ত্যাগের মাত্রাটি বাংলাদেশের যে কোন সংস্থার চাইতে বহুগুণ বেশি। কাজেই , ঢালাওভাবে কেউ যখন গোটা পুলিশকে গালাগালি করেন, আপনাদের জীবন রক্ষার্থে মৃত্যুবরণ করা ওই অফিসারদের আত্মা কষ্ট পায়, কষ্ট পায় তাঁদের আত্মীয় স্বজনেরা। যাঁরা বলেন যে বাংলাদেশ থেকে পুলিশ বাহিনী উঠিয়ে দেয়া হোক, তাঁদেরকে বিনীতভাবে ইউটিউবে গিয়ে “1969 Montreal Night Of Terror” ভিডিওটি দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি। কানাডার মত দেশে সেই ১৯৬৯ এর মত প্রাচীনকালে পুলিশের সামান্য কর্মবিরতিতে কি অবস্থা হয়েছিল সেটা স্বচক্ষে দেখতে পাবেন।কাজেই, এদেশে পুলিশের বিকল্প নেই।

সিদ্ধান্ত আমাদেরঃ আমরা কিরকম পুলিশ চাই- ভালো না খারাপ। ভালো পুলিশ পেতে হলে নাগরিকদেরও কিছু কর্তব্য রয়েছে, সে বিষয়ে কিছুটা আলোকপাত করিঃ উন্নয়নশীল দেশগুলোতে নাগরিকেরা নিজেদের অধিকার এবং আইন সম্পর্কে সচেতন নন, আর এই অসচেতনতার সুযোগ নিয়ে থাকে কতিপয় দুর্নীতিবাজ এবং অসৎ পুলিশ সদস্য। এই দুর্নীতিবাজ এবং অসৎ পুলিশের অপকর্ম ঠেকাতে কঠোর বিভাগীয় শাস্তি যেমন প্রয়োজন, একইভাবে প্রয়োজন জনগণের সচেতনতা। আপনি একটু সচেতন হলে নিজেই অনেক পুলিশি ঝামেলা থেকে বেঁচে যেতে পারবেন। #ডিস্ক্লেইমারঃ আমাদের দেশে ভি-আই-পি দের সংখ্যা একেবারে কম নয়, তাঁরা নিজেরাই নিজেদের পথ খুঁজে নিতে সক্ষম। আমার এই লেখাটি একেবারেই সাধারণ মানুষদের জন্যে লেখা, আশা করি আপনাদের কাজে আসবে।

১) সন্দেহবশতঃ ৫৪ ধারায় যদি বিনা দোষে আপনাকে গ্রেপ্তার করা হয়- জেনে নিন, ২৪ ঘন্টার বেশি আপনাকে আটক করে রাখার উপায় নেই। এক্ষেত্রে সম্ভব হলে দ্রুত কোন আত্মীয়কে থানায় আসতে বলুন। অনেক সময় দেখা যায় বখাটেদের সাথে সাথে ওখানের নিরীহ ছেলেও ধরা পড়ে। এক্ষেত্রে নিকটাত্মীয় যদি থানায় এসে লিখিত দিতে পারে যে ধৃত ব্যক্তি তাঁর সাথে সম্পর্কিত, এবং সে যা পরিচয় দিচ্ছে সেটি সঠিক- এক্ষেত্রে আপনি ছাড়া পেয়ে যাবেন। ২) ধরে আনার কাজটা মূলতঃ করে কন্সটেবল থেকে এস-আই পর্যায়ের অফিসারেরা। একটি থানায় তাদের নেতা হচ্ছেন ওসি।আপনি যদি ওসির সাথে ( ওসি না থাকলে ইন্সপেক্টর-তদন্ত সাহেব) সরাসরি দেখা করে বা যোগাযোগ করে আপনার আত্মীয়ের নির্দোষিতা প্রমাণ করতে পারেন সেক্ষেত্রেও বিপদ কেটে যাবার কথা। ৩) এবার সবচাইতে স্পর্শকাতর বিষয়ে কথা বলি। পুলিশ কর্তৃক নিরীহ মানুষকে আটক করে হয়রানির ভয় দেখিয়ে দুর্নীতি করার অভিযোগ খুব কমন এবং প্রচলিত। এসব ক্ষেত্রে যেটা হয়, ওই অসৎ অফিসার আপনাকে ভয় দেখান এবং আপনিও ভয়ে তার কথামত কাজ করেন। এক্ষেত্রে আমার পরামর্শ, বাংলাদেশ পুলিশ এবং ডিএমপি এ্যাপ, এই দুটি নিজের মোবাইলে রাখুন, সেই সাথে নিজ থানার ওসি/ ওসি তদন্ত / ডিউটি অফিসার – এদের নম্বর রাখুন। আপনি যে এলাকার বাসিন্দা সে এলাকার ডেপুটি পুলিশ কমিশনার/এসপি/সহকারী পুলিশ কমিশনার/ এএসপি – এঁদের ফোন নম্বর অবশ্যই ফোনে সেইভ করে রাখুন।আপনি যদি বিনা কারণে আটক হন এবং আপনি নিজে বা আপনার কোন আত্মীয় যদি এই সিনিয়র অফিসারদেরকে ফোনে জানাতে পারেন- তিনি অবশ্যই খোঁজ নেবেন ব্যাপারটি কি সেটা জানতে। এঁদের কাছ থেকেও আপনি সহায়তা পেতে পারেন।

৪) ধরে নিচ্ছি উপরের কোন স্টেপেই কোন কাজ হলনা, আপনি ওই অসৎ অফিসারের পাল্লায় পড়ে হয়রানির শিকার হলেন। এক্ষেত্রে আপনার কর্তব্য হচ্ছে ছাড়া পাবার পর পুরো ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ সহ লিখিত আকারে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট এলাকার ডেপুটি পুলিশ কমিশনার( মেট্রোপলিটন এলাকায় হলে) বা এসপি (জেলাতে) স্যার বরাবর পাঠানো। প্রয়োজনে আপনি সহকারী পুলিশ সুপার/ এডিশনাল এসপি এমনকী প্রয়োজনে এসপি/ ডেপুটি পুলিশ কমিশনার স্যারের সাথেও দেখা করতে পারেন। বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে ধাপে ধাপে স্বয়ং পুলিশ প্রধানের সাথে দেখা করার অধিকারও আপনার আছে। প্রয়োজন পড়লে এটি প্রয়োগ করুন। ৫) প্র্যাকটিকাল টিপস হচ্ছে, কোন অবস্থাতেই মাথা গরম করবেন না, নমনীয় থাকুন। নমনীয়তা মানে দুর্বলতা নয়, এর মানে আপনি নিজেকে ওই কর্কশ ব্যবহারকারী দুষ্ট অফিসারের পর্যায়ে নামিয়ে নিচ্ছেন না। খুব শান্তভাবে এবং সুকৌশলে তার নাম জেনে নিন এবং পরবর্তীতে ওই অফিসারের সিনিয়র অফিসারের কাছে এ ব্যাপারে তথ্য দিন। ৬) যে কাজটি করা থেকে বিরত থাকতে বারংবার অনুরোধ জানাচ্ছি সেটি হচ্ছে, বিপদ কেটে যাবার পর অন্যায়টিকে “হজম” করে ফেলা। ঘুষ দেয়া এবং ঘুষ নেয়া সমান অপরাধ- মাত্র ১০০/২০০ টাকা দিয়ে “ঝামেলা” এড়াতে এড়াতে আমরা প্রতিবাদ করতে ভুলে গিয়েছি, যথাস্থানে নালিশ জানাতে অস্বীকার করছি। আমরা যেটা করি তা হচ্ছে, ওই ২০০/৩০০ টাকা ঘুষ বিনা প্রতিবাদে দিয়ে দিই, তারপর ফেইসবুকে পুলিশের চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করি- যাতে মানসিক তৃপ্তি হলেও কাজের কাজ কিচ্ছু হয়না। আপনার ফেইসবুক স্ট্যাটাসে ওই ঘুষখোরের কিচ্ছু যায় আসে না। বরং আপনি যদি সুকৌশলে ওর নেমপ্লেট আর কাঁধের ব্যাজ-এ কয়টা দাগ আছে দেখে নিতেন( অথবা সুযোগ পেয়ে মোবাইলে ভিডিও/ছবি তুলে নিতেন)- এরপর সেগুলো দিয়ে তার উপর মহলে( ওসি ও তদোর্ধ্ব) নালিশ জানাতেন, তাতে ও ওই অপকর্মটি করার আগে দুইবার চিন্তা করত। যে কথাটি বার বার বলি সেটিই আবার বলছি- ২০০ বছরের জঞ্জাল এক দিনে যাবেনা।কিন্তু আমরা পুলিশ বাহিনীর লোকজন যখন দেখব, “আরে, আমাদের দেশের মানুষ তো আইন কানুন জানে, তাদের তো বেয়াড়া ধমক দিয়ে হয়রানি করা যায়না!” তখন আমাদের ভেতরেও পরিবর্তন আসবে। সেই সুদিনের প্রতীক্ষায় রইলাম।

(মাসরুফ হোসেন সহকারী পুলিশ সুপার প্রেষণে জাপানে অধ্যয়নরত) সংগ্রহ

এন্ড্রয়েড ফোনে নেট কানেকশন অন থাকলে অনেকের ডাটা + টাকা কেটে নিয়ে যায়। এই সমস্যা দূর করতে প্রথমে আপনার মোবাইল এর Settings থেকে Data counter/ Data Uses এ যান। তারপর ফোনের option বাটন হতে Auto sync Data হতে টিক চিহ্ন তুলে দিন।
ব্যাস। হয়ে গেলো। এখন থেকে সারাদিন ডাটা অন করে রাখেন কোনো সমস্যা নেই।

যেভাবে যায় https://www.youtube.com/watch?v=Gs5hs7hn4As যেভাবে ফিরে আসে https://www.youtube.com/watch?v=KxOp_Rd8_cA
হাঁটুর ইনজুরিতে পড়ে প্রায় মাঠের বাইরে বার্সেলোনার প্রাণভোমরা লিওনেল মেসি। তবে মেসি ভক্তদের জন্য সুখবর দিলেন আর্জেন্টিনা দলের ডাক্তার ডোনাটো ভিয়ানি। তিনি বলেছেন, খুব দ্রুতই মাঠে ফিরবে লিও। আমি যতোটুকু দেখেছি ইনজুরির জন্য অস্ত্রোপচার করার প্রয়োজন নেই। ও পুর্নবাসন প্রক্রিয়াতেই সুস্থ হয়ে উঠবে। বার্সেলোনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চিকিৎসার প্রথম পর্যায় সফলভাবে শেষ হয়েছে। গতকাল থেকে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় পর্যায়ের চিকিৎসা। মেসি এখন ক্রাচ ছাড়াই হাঁটতে পারছেন। বার্সা আরো জানিয়েছে, চিকিৎসার সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে এল ক্ল্যাসিকোর আগেই সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরবে মেসি।

লা লিগায় লাস পামাসের বিপক্ষে নেইমারকে দেখে কেবল ন্যু ক্যাম্প নয়, যেন চমকে উঠল অযুত-নিযুত ফুটবল দর্শকও! মুণ্ডিত মাথার বার্সা ফরোয়ার্ডকে দেখে চেনাই যায় না! চুল নিয়ে অবশ্য নেইমারের পরীক্ষা-নিরীক্ষা নতুন নয়। তবে এমন চেহারায় তাঁকে আগে কখনো দেখা গিয়েছে কি না, সন্দেহ! প্রশ্ন হলো, কেন সাধের কেশ পুরোটাই কেটে ফেললেন ব্রাজিলীয় সেনসেশন? কখনো চুলে রং করেন, কখনো ব্যান্ড পরেন—নেইমারের চুলের কত স্টাইল! সেসব স্টাইল অনুসরণ করে বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা তাঁর বহু ভক্ত-সমর্থক। খেলার জন্য তো বটেই, চুলের জন্যও নেইমারের খ্যাতি কোনো অংশে কম নয়। তবে এবারের স্টাইলটা স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেনি তার ভক্ত-সমর্থকেরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে চলছে এন্তার আলোচনা-সমালোচনা। স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক মুন্ডো দেপোর্তিভোর খবর অনুযায়ী, কেবল ভক্তরাই নয়, নেইমারের নতুন চুলের স্টাইল ভালোভাবে নেয়নি তাঁর স্পনসর জিলেট ও পোকার স্টার্সও। ব্রাজিলীয় তারকার নতুন চেহারাটা নাকি পছন্দ হচ্ছে না স্পনসরদের। এ কারণে দুই স্পনসর তাদের নতুন বিজ্ঞাপনে নেইমারের মুণ্ডিত মাথা দেখাতে আগ্রহী নয়। ডিজিটাল পদ্ধতিতে নেইমারের ছবিতে লম্বা চুল জুড়ে দিতে চায় তারা। দেপোর্তিভো অবশ্য জানিয়েছে, নেইমারের চুল কাটার পেছনে বার্সা সতীর্থ দানি আলভেজের ভূমিকা থাকতে পারে। নিশ্চয় মনে আছে, দুজনই একই চুলের স্টাইলে হাজির হয়েছিলেন ২০১৪ বিশ্বকাপেও। আলভেজের প্ররোচনায় নেইমারের চুল কেটে ফেলাটা তাই বিস্ময়কর কিছু নয়। যদি তা-ই হয়, তবে ক্যানসার-আক্রান্তদের প্রতি সহানুভূতি জানাতে নেইমার চুল কেটেছেন বলে যে খবর, সেটি গুজবই থেকে যাচ্ছে। 

পরিবেশ দূষণ, ধুলা-বালি ইত্যাদি কারণে প্রায় অনেকেরই চোখ চুলকানো বা চোখে জ্বালা-পোড়া হওয়ার সমস্যা হতে দেখা যায়।যারা অতিরিক্ত চোখে হাত দিয়ে থাকেন বা চোখ ঘষাঘষি করেন তাদের এই সমস্যা আরও বেড়ে যায়। ডাক্তারি সমাধান থাকলেও চটজলদি ঘরোয়া কিছু উপায়েই চোখের এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

শসা

শসায় আছে ‘অ্যান্টি-ইরিটেশন প্রোপার্টিজ’ যা জ্বালা-পোড়া, ফোলাভাব, চুলকানো ইত্যাদি সমস্যায় দারুণ কার্যকর। তাই চোখে চুলকানো বা যেকোনো সমস্যায় একটি শসা ভালোভাবে ধুয়ে, পাতলা টুকরা করে কেটে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেফ্রিজারেটরে রেখে দিতে হবে। ঠাণ্ডা হলে দু’চোখের উপর দিয়ে ১০ মিনিট রাখতে হবে। দিনে পাঁচবার এইভাবে শসা ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যাবে।

ঠাণ্ডা দুধ

ঠাণ্ডা দুধে এক টুকরো পরিষ্কার তুলার প্যাড বা বল ভিজিয়ে চোখের চারপাশে আলতো ঘষে নিতে হবে। অথবা ভেজা প্যাডটি চোখের উপর দিয়ে রাখতে হবে। এতে চোখ ঠাণ্ডা হবে এবং চুলকানো কমবে। সকালে এবং সন্ধ্যায়, দিনে দুবার ব্যবহারে উপকার পাওয়া যাবে।

গোলাপজল

চোখের সমস্যায় দারুণ একটি ঘরোয়া সমাধান হল বিশুদ্ধ গোলাপ জল। চোখের জ্বলাপোড়াভাব দূর করে চোখ ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করে এই পানি। চোখ পরিষ্কারের জন্য গোলাপজল ব্যবহার করা যেতে পারে। দিনে দুবার গোলপজল দিয়ে চোখ পরিষ্কার করলে উপকার পাওয়া যাবে। তাছাড়া, তাৎক্ষণিক উপকার পেতে ড্রপ হিসেবেও চোখে গোলাপজল দেওয়া যেতে পারে। যে চোখে সমস্যা সেই চোখে তিন ফোঁটা গোলাপজল ব্যবহারে উপকার পাওয়া যাবে।

লবণ পানি

চোখের চুলকানোভাব এবং জ্বলাপোড়া কমাতে অত্যন্ত কার্যকর হল লবণ পানি। লবণ পানি দিয়ে চোখ পরিষ্কারের ফলে চোখে জমে থাকা যে কোনো ক্ষতিকর উপাদান পরিষ্কার হয়ে যায়। আর লবণে থাকা অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদান যেকোনো জীবাণু ধ্বংস করতে সাহায্য করে। এক কাপ বিশুদ্ধ পানির সঙ্গে এক চা-চামচ লবণ মিশিয়ে অল্প সময় গরম করতে হবে যেন লবণ ভালোভাবে মিশে যায়। মিশ্রণটি ঠাণ্ডা হলে চোখ ধোয়ার জন্য ব্যবহার করতে হবে। দিনে একাধিকবার ব্যবহারে ভালো উপাকার পাওয়া যাবে।

গ্রিন টি

স্বাস্থ্য এবং ত্বক, দুয়ের জন্যই দারুণ উপকারি গ্রিন টি। চোখের সমস্যা থেকে রেহাই পেতেও গ্রিন টি ব্যবহার করা যায়। চোখ পরিষ্কারের জন্য এক কাপ পানিতে দু’টি গ্রিন টি’র ব্যাগ দিয়ে ভালোভাবে ফুটিয়ে নিতে হবে। সম্পূর্ণ ঠাণ্ডা হয়ে গেলে এই মিশ্রণ দিয়ে চোখ পরিষ্কার করা যাবে।

ঘৃত কুমারী বা অ্যালোভেরা

ঘৃত কুমারী ত্বক আর্দ্র রাখতে দারুণ উপকারী। শুষ্ক ত্বক, ত্বকের চুলকানোভাব এবং ফোলাভাব কমাতেও দারুণ কার্যকর। একটি পাতা থেকে অ্যালোভেরা জেল বের করে এর সঙ্গে এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে সঙ্গে আধা কাপ ‘এল্ডারবেরি ব্লসম টি’ মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। যতদিন সমস্যা পুরোপুরি না ভালো হবে ততদিন দিনে দু’বার মিশ্রণটি দিয়ে চোখ পরিষ্কার করতে হবে, দিনে দুবার।

আলু

আলুতে থাকা অ্যাস্ট্রিনজেন্ট উপাদান চোখ চুলকানোর সমস্যা দ্রুত উপশমে সাহায্য করে। তাছাড়া চোখের ফোলাভাব ও লালচেভাব কমাতেও সাহায্য করে আলু। একটি আলু পরিষ্কার করে ধুয়ে পাতলা করে কেটে ঠাণ্ডা হওয়ার জন্য রেফ্রিজারেটরে রাখতে হবে। এরপর ঠাণ্ডা টুকরাটি চোখের উপর দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। দিনে দুই থেকে তিনবার এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে একবার এভাবে আলু ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়।

আমরা লম্বা হওয়ার জন্য কত কিই না করে থাকি। নানা রকম ব্যায়ামসহ রিং এ ঝুলে লম্বা হওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু কয়েকটি খাবার রয়েছে যেগুলো আপনাকে সহজেই আপনাকে লম্বা হতে সাহায্য করবে।

যে কেও যে কেনো সময় লম্বা হতে পারে না। তারজন্য বয়সের একটা সময়সীমা রয়েছে। একটা নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত মানবদেহের এই বৃদ্ধি ঘটে থাকে। তখন বাড়তে থাকে উচ্চতা। দেহ কতখানি লম্বা হবে মূলত সেটি অনেকটাই জেনেটিক। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এটি নির্ভর করে খাওয়া-দাওয়ার ওপর। পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাবে অনেক সময় শরীর বৃদ্ধি বা লম্বা হতে পারে না। আবার কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো দেহ বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিতও করে থাকে। জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু অসাধারণ খাবারের কথা।

আপেল

আপেলে রয়েছে ফাইবার ও পানি। এই ফাইবার এবং পানি বাচ্চাদের লম্বা হতে সাহায্য করে থাকে। আর তাই প্রতিদিন খাবারের আধা ঘণ্টা আগে বাচ্চাদের একটি করে আপেল খেতে দিন। এতে আপনার বাচ্চাকে 2ফাইবারটি লম্বা হতে সাহায্য করবে।

ডিম

ডিম একটি স্বাস্থ্যকর খাবার এটি আমাদের সকলের জানা। এই ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন এবং ভিটামিন। যে কারণে শরীরের বৃদ্ধি হয়ে থাকে এবং লম্বা হতে সাহায্য করে থাকে।

ডার্ক চকলেট

আমরা বাচ্চাদের চকলেট খেতে দিতে চাইনা। আমরা মনে করি চকলেট খেলে নানা রকম ক্ষতি হতে পারে। কিন্তু এই ডার্ক চকলেট বাচ্চাদের লম্বা হতে সহায়তা করে। এতে থাকা ক্যালরি কোষ বৃদ্ধি করে, যে কারণে বাচ্চারা লম্বা হয়ে ওঠে।

বাদাম

বাদাম বা কাজুবাদাম আমরা সখ করে বা কোথাও বেড়াতে গেলে সময় কাটানোর জন্য খেয়ে থাকি। কিন্তু এই বাদাম স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপযোগী একটি খাবার। এই বাদামে থাকা বিভিন্ন প্রোটিন ও ভিটামিন দেহের বিভিন্ন পুষ্টি যোগায়। তাছাড়া এটি লম্বা হতেও সহায়তা করে থাকে।

স্যুপ

স্যুপ আমরা শুধুমাত্র অসুস্থ্য ব্যক্তিকে খাওয়ায়ে থাকি। কিন্তু এই স্যুপ স্বাস্থ্য উপযোগী একটি খাবার। এতে প্রচুর ক্যালরি রয়েছে যা ক্ষুধা বাড়িয়ে দেয়। ফলে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের ফলে কোষ বৃদ্ধি করে লম্বা করে তোলে। তাই নিয়মিতভাবে আপনার বাড়ন্ত বাচ্চাদের এই স্যুপ খাওয়ান।

ছোলা, মসূর, মটরশুটি

ছোলা, মসূর, মটরশুটিতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, ভিটামিন বি ও আয়রণ রয়েছে। যা শরীরের কোষ বুদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে। এটি লম্বা হতেও সাহায্য করে থাকে। তাই ছোলা, মসূর, মটরশুটি বেশি করে খাদ্য তালিকায় রাখুন। প্রতিদিন এই খাবারগুলো নিয়মকরে খাওয়ার চেষ্টা করুন।

আগুন হতে বাঁচাবেন কাকে- মা না বান্ধবীকে? পরীক্ষায় করা হয়েছে এমন এক উদ্ভট প্রশ্ন! এমন প্রশ্নে হতবাক সকলেই। ধরুন ভয়ানক আগুন লেগেছে একটি বাড়িতে! দাউদাউ করে ছড়িয়ে পড়ছে সেই আগুন। সেই আগুনের মধ্যে আটকে গেছেন আপনার মা আর বান্ধবী। আপনি তখন সেই অবস্থায় কাকে বাঁচাবেন? অবাক করা এমন উদ্ভট প্রশ্ন করা হয়েছে বেইজিংয়ের এক আইন পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে। আইন পরীক্ষায় আরও জানতে চাওয়া হয়, ডিভোর্স হওয়ার আগে সেপারেশন পিরিয়ডে কোনো স্বামী যদি তার স্ত্রীর প্রাণ না বাঁচান, তাহলে কি তাকে অপরাধ বলা যাবে? এমন সব প্রশ্নের প্যাঁচে পড়েই মাথা খারাপ হওয়ার মতো অবস্থা হলো হাজার হাজার শিক্ষানবিশ আইনজীবী ও বিচারকদের! অথচ ওই প্রশ্নটার সঠিক জবাব দিতে না পারলে চীনে তাদের আইন অনুশীলনের রাস্তা বন্ধ হয়ে যাবে! মূল আগুন-সংক্রান্ত প্রশ্নটা ছিল এমন— একজন পুরুষ যদি এ রকম পরিস্থিতিতে তার মাকে বাঁচাতে সক্ষম হলেও যদি বেছে নেন বান্ধবীকে, তাহলে কি তাকে ‘ক্রাইম অব নন-অ্যাকশন’-এর দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে? এমন উদ্ভট প্রশ্ন নিয়ে সংবাদ মাধ্যমগুলো ব্যাপক লেখালেখি শুরু করেছে। প্রচার মাধ্যমে অনেক প্রশ্ন রাখার পর সম্প্রতি চীনের আইন মন্ত্রণালয় প্রশ্নগুলোর উত্তরপত্রও প্রকাশ করেছে। তাতে পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে, মায়ের বদলে যদি বান্ধবীকে বেছে নেন তাহলে আইনের চোখে দোষী সাব্যস্ত হবেন সেই ব্যক্তি! কেনো না, চীনের আইনে লেখা রয়েছে, ছেলে সব সময়েই তার মায়ের প্রতি দায়বদ্ধ- তবে বান্ধবীর প্রতি নয়। আইন যা-ই বলুক না কেনো, উত্তরপত্র প্রকাশ্যে আসার পরে বেশ সমালোচনা শুরু হয়েছে চীনে। বেশির ভাগ মানুষ বলছেন যে, ছেলে তো মায়ের প্রতি দায়বদ্ধ সব সময়ই হবে- তার জন্য আইন প্রণয়নের প্রয়োজন কেনো? একজন মা সন্তানকে ছোট হতে বড় করেন, সেই ঋণ তো আর কোনো পুরুষের বান্ধবীর প্রতি থাকতে পারে না! আর তারপর বয়স কম হওয়ার কারণে বান্ধবী প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা নিজে থেকেই করতে পারেন! কিন্তু বৃদ্ধা মায়ের পক্ষে সেটি সম্ভব না-ও হতে পারে! অপরদিকে বান্ধবীদের দাবি, আইনের চোখে সকলের প্রাণের মূল্যই সমান হওয়া উচিত! আইনের কাজই হলো সবাইকে সমান ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা। আর তাই একজনের প্রাণ বাঁচালে সেটা অপরাধ নয়, অন্যের বাঁচালে অপরাধ— এমন আইনের কোনো অর্থই থাকতে পারে না! আইন যদি সবার জন্য সমান হয় তাহলে এমন আইন কেনো? এমন প্রশ্ন অনেকের।

ফেসবুক এখন অনেক স্পর্শকাতর বিষয় অনেকের জন্য। নানান ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে সমৃদ্ধ আপনার ফেসবুক একাউন্টটি যদি হ্যাক হয়ে যায় আপনার এর থেকে বড় বিপদ আর কি হতে পারে বলুন? হ্যা আজ আমরা জানবো কিভাবে আপনি আপনার ফেসবুক পাসওয়ার্ড হ্যাক হলেও আইডি রক্ষা করতে পারবেন।


 

  • আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড যদি সবাই জেনে যায়, তাহলেও কেউ আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে না। অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে? না এটি বাস্তব, তবে এর জন্য প্রথমে আপনাকে যা করতে হবে, ফেসবুকে লগইন করে ওপরে ডান পাশে Home এর পাশে অ্যারোতে ক্লিক করে Account Settings-এ ক্লিক করুন
  • এবার এখানে বাঁ পাশ থেকে Security-তে ক্লিক করুন। এখন Login Approvals-এর ডান পাশ থেকে edit-এ ক্লিক করুন। তারপর Require me to enter a security code এই ঘরে টিকচিহ্ন দিন।
  • টিকচিহ্ন দেওয়ার সময় নতুন একটি বার্তা এলে Set Up Now-এ ক্লিক করুন।
  • এখন Phone number বক্সে আপনার মোবাইল নম্বর লিখে Continue তে ক্লিক করুন।
  • আপনার মোবাইলে একটি কোড নম্বর আসবে। কোড নম্বরটি কোড বক্সে লিখে Submit Code বাটনে ক্লিক করে Close-এ ক্লিক করুন।
  • Login Notifications-এর ডান পাশ থেকে edit-এ ক্লিক করে Email এবং Text message বক্সেও টিকচিহ্ন দিয়ে Save-এ ক্লিক করে রাখতে পারেন। এতে ইমেইলে আপনার কোড সেন্ড হবে। 
  • এখন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগআউট করে পুনরায় আবার ফেসবুকে লগইন করুন। দেখবেন Name New Device নামে একটি পেজ এসেছে। সেখানে Device name বক্সে কোনো নাম লিখে Save Device-এ ক্লিক করুন।

ব্যাস হয়ে গেলো! এখন থেকে থেকে প্রতিবার আপনার কম্পিউটার ছাড়া অন্য কারও কম্পিউটার থেকে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগইন করতে চাইলে আপনার মোবাইলে একটি কোড নম্বর আসবে এবং সেই কোড নম্বরটি কোড বক্সে লিখে Continue তে ক্লিক করলেই আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যাবে। কাজেই আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড সবাই জানলেও কেউ আপনার ফেসবুকে লগইন করতে পারবে না।

কোরবানির ঈদের গরু-খাসির মাংসে থাকে প্রচুর কোলেস্টেরল ও তেল-চর্বিসমৃদ্ধ । তাই এ খাদ্য সতর্ক বা সচেতনভাবে খাওয়া উচিত । মোটকথা পরিমিতিবোধ ভেঙ্গে অসচেতনভাবে কোরবানির মাংস খেলে আন্ত্রিক গোলযোগ বা পেটের নানাবিধ সমস্যা হতে পারে । যাদের হজমশক্তি কম তাদের মাংস গ্রহণ থেকে প্রধানত হজম জনিত সমস্যা এবং পেট খারাপ হয়ে থাকে । যাদের আগে থেকে পেপটিক আলসার ডিজিজ (PUD) বা গ্যাস্ট্রিক আলসার জনিত সমস্যা আছে তাদের পেট-বুক জ্বালাপোড়া ও টক ঢেকুর উঠা সমস্যা আরো বেড়ে যায় । আবার অনেক সময় সঠিক উপায়ে ও সঠিক তাপমাত্রায় মাংস রান্না না করার কারণেও ফুড পয়জনিং হয়ে থাকে। বদহজমে যেসব লক্ষণ দেখা যায় : ফুড পয়জনিং-এর রোগীরা বমি বা বমি বমি ভাব হওয়া, পাতলা পায়খানা, জ্বর এবং মলের সঙ্গে রক্ত যাওয়া সমস্যায় ভোগেন । ঠিকমত রান্না না করা মাংস খেলে পেটে এক ধরনের অস্বস্তিকর অনুভূতি, পেট ফাঁপা ও মোচড়ানো এবং পাতলা পায়খানা হতে পারে । সমস্যা প্রতিরোধে করণীয় : ফুড পয়জনিং বা পাতলা পায়খানা হলে ওরস্যালাইন, লবণ-গুড়ের শরবত, চিড়ার পানি, ডাবের পানি, ভাতের মাড় খেতে হবে । লক্ষ রাখতে হবে রোগীর যেন ডিহাইড্রেশন বা পানিস্বল্পতা না হয় । এ রোগীদের বিশ্রামে থাকা ভালো। লক্ষণ ভিত্তিক চিকিৎসা যেমন জ্বর হলে প্যারাসিটামল, পেট মোচড়ালে এন্টিস্পাসমোডিক ড্রাগ দেয়া হয় । সমস্যা তীব্র হলে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খেতে হয় । এরপরও যদি লক্ষণ না কমে, রোগী দুর্বল ও ডিহাইড্রেশনে ভোগেন তবে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে । সর্বোপরি, পরিপূর্ণ রান্না করা মাংস পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে । এবং পূর্বের গ্রহণ করা মাংস হজম না হওয়া পর্যন্ত নতুন করে মাংস গ্রহণ না করাই ভাল ।
প্রতিদিনই নানা সময়ে নানা কারণে হাই তুলে থাকি আমরা। কখনো কখনো কোনো কাজে বিরক্ত হলে, কখনো বা অত্যন্ত ক্লান্ত বোধ করলে আমরা হাই তুলে থাকি। আর সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজের মাঝে হলে, বা কারো সামনে হলে সম্মান নিয়ে টানাটানি হতে পারে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, হাই তোলার পিছনে নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে। নানা শারীরিক সমস্যায় আমরা অজান্তে হাই তুলে থাকি। ঘনঘন হাই তোলা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো নয়। জেনে নিন কাজের সময়ে ঘন ঘন হাই তোলা থেকে বিরত থাকার উপায়।

উঠে হেঁটে আসুন: অনেক সময়ে বোর হওয়া থেকে বাঁচতে আমরা হাই তুলি। তাতে সামনে থাকা ব্যক্তি বা একাধিক মানুষ বিরক্ত হন। কাজের ফাঁকে বা মিটিংয়ের মাঝে হাই উঠতে থাকলে একটু সময় চেয়ে নিয়ে উঠে যান। একটু হেঁটে এসে, চোখে-মুখে পানি দিয়ে এসে কাজে বসুন।

পানি খান: ক্লান্ত থাকলে অনেক সময়ে লম্বা লম্বা হাই উঠতে থাকে। এমন দেখলে বেশি করে পানি খান। শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে গেলে এমন হয়। পানি খেলে উপকার পাবেন।

লম্বা শ্বাস নিন: অনেক সময়ে অক্সিজেনের অভাবে হাই ওঠে আমাদের। পানি খাওয়ার পাশাপাশি লম্বা লম্বা শ্বাস নিলে তা কমে যায়। কিছুক্ষণ শ্বাস নিয়ে তা চেপে রেখে ছেড়ে দিন। এতে শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে।

হাই তোলা ব্যক্তিদের এড়িয়ে চলুন: হাই অত্যন্ত ছোঁয়াচে। এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা অজানা রয়েছে। তবে এমন ব্যক্তিদের এড়িয়ে চললেই ভালো হবে। কাউকে হাই তুলতে দেখলেই সরে যান। কিছুক্ষণ পরে ফিরে আসুন, ফল পাবেন।

হার্টের চিকিৎসক দেখান: হার্ট ও ফুসফুসের সমস্যা থাকলে ঘন ঘন হাই তোলার সমস্যা হয়। এক্ষেত্রে বেশি সমস্যা হচ্ছে বুঝলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
যেসব তরুণ পিতামাতা বা অভিভাবকের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখে এবং স্বাধীনভাবে তাদের বন্ধুদের সঙ্গে নানা কাজে জড়িত হয়, তারা অধিক মাত্রায় ধূমপায়ী, মাদকাসক্ত ও মদ্যপায়ী হয়ে ওঠে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ। বন্ধুদের হাত ধরেই অধিকাংশ তরুণ ধূমপান, নেশাদ্রব্য ও মদ্যপানের অভ্যাস গড়ে তোলে। আর এ বিষয়টির প্রমাণ পাওয়া গেল সাম্প্রতিক এক সমীক্ষাতেও। এতে জানা গেছে, যেসব তরুণ তাদের পিতামাতার নজরদারির বাইরে বন্ধুদের সঙ্গে বেশি সময় কাটায়, তাদের মাঝে এসব বদঅভ্যাস গড়ে ওঠে। তাদের অনেকেই মারিজুয়ানার মতো নেশাদ্রবেও একইভাবে প্রভাবিত হয়। গবেষকরা দেখেছেন, যেসব তরুণ খেলাধূলার মতো কর্মকাণ্ডে বেশিমাত্রায় যুক্ত হয় তারা ধূমপান ও মাদকদ্রব্য গ্রহণের মতো কাজে কম যুক্ত হয়। অন্যদিকে যেসব তরুণ খণ্ডকালীন কাজ করে তাদের মাঝে ধূমপানের প্রবণতা বেশি হলেও মাদকদ্রব্য গ্রহণের প্রবণতা কম থাকে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি অংশগ্রহণ করলেও তরুণদের মাঝে মাঝে বিপজ্জনক এ প্রবণতা কমার সম্ভাবনা কম। গবেষণাপত্রটির প্রধান লেখক কেনেথ লি। তিনি ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার পিএইচডি শিক্ষার্থী। লি জানান, নিষিদ্ধ দ্রবের প্রতি তরুণদের আগ্রহী হয়ে ওঠার কারণ নিয়ে তারা গবেষণা করছেন। এতে তারা তরুণদের কিছু কার্যক্রম লিপিবদ্ধ করেছেন, যার মাধ্যমে তরুণরা নিষিদ্ধ দ্রব্য গ্রহণে আগ্রহী হয়ে ওঠে। তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি তরুণেরা যদি পিতামাতার নজরদারিহীনভাবে বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটালে এ সময়েই সবচেয়ে বেশি নিষিদ্ধ গ্রহণে আগ্রহী হয়।’ গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে জার্নাল অফ অ্যাডোলেসসেন্ট হেলথ-এ।

এই শিশু জন্মের সময়ই ডাক্তাররা বলেছিল বেশিদিন বাঁচার কোনও আশা নেই। কারণ ও যে মস্তিষ্কের মাইক্রোহাইড্রা্নেসিফাইলিয়া (Microhydranencephaly) আক্রান্ত তাতে মানুষ খুব কম দিনই বেঁচে থাকতে পারে।

জটিল যে রোগে টিনি জাক্সোন নামের এই শিশুটি আক্রান্ত তাকে সহজভাবে বলে বোঝায় ওর মস্তিষ্ক অন্যদের যে অনেকটাই ছোট। তার ওপর আবার ওর মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতাও বেশ কম।কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে সেই শিশুই তার প্রথম জন্মদিন পার করে ফেলল।

প্রতিদিনই ওর স্বাস্থ্যর উন্নতি হচ্ছে। যদিও ডাক্তররা বলছেন জন্মগত এই অসুখ সারার নয়। তবে ডাক্তার ও ওষুধের খরচ এতটাই বেড়ে চলেছে ওর পরিবারের পক্ষে চিকিত্‍সা চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ছে। তাই টিনির জন্মানোর ঘটনার সামনে এনে সাহায্যের কথা বলেছে তার বাবা-মা।

https://youtu.be/olhMAp9KzSE

লাতিন আমেরিকার দেশ ডমিনিকান রিপাবলিকের এক আজব গ্রাম। সেই গ্রামেরই বাসিন্দা জনি। শারীরিকভাবে সে হলো ছেলে। কিন্তু কোনো এক কারণে জনির পুরুষাঙ্গ গঠিত হয়নি। তবে ১২ বছর বয়স হওয়ার পর জনির পুরুষাঙ্গ গঠিত হয়। ডমিনিকান রিপাবলিকের দক্ষিণে সালিনাস নামের এই গ্রামে জনির মতো আরও অনেক ছোট ছোট ছেলেদের ঠিক একই অবস্থা। ১২ বছরের আগে তারা সবাই মেয়ে থাকে। আবার ১২ তে পা দিলেই তাদের পুরুষাঙ্গ গঠিত হয়ে ওরা ছেলেতে পরিণত হয়। স্থানীয়রা এক নাম দিয়েছে বলা হয় guevedoces বা ১২ বছরে পুরুষাঙ্গ রোগ।

জনিকে যেমন সবাই ১২ বছরের আগে বলত মেয়ে। পুরুষাঙ্গ গঠিত হওয়ার পর জনিকে এখন সবাই ছেলে বলে ডাকতে শুরু করেছে। এই গ্রামের এটাই নিয়ম। ১২ বছর না হলে বোঝা মুশকিল সে মেয়ে না ছেলে। স্থানীয়রা জানালেন, এই গ্রামের ছয়জনকে সবাই মেয়ে বলেই চিনত। ওরা ফ্রক, মহিলাদের পোশাক পরেই গ্রামে ঘুরত। চলতি বছর ১২-তে পা দিতেই ওদের পুরুষাঙ্গ গঠিত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ল। এখন ওই ছয়জনই ছেলেদের পোশাক পরে ঘোরে। এটা বড় অসুবিধার। কিন্তু কী কারণ এমন ঘটনা ঘটছে! ডাক্তররা বলছেন, পুরো গ্রামই জেনেটিক ডিসঅর্ডারে ভুগছে।

ইরানের সিনেমা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত একটি কমিটি গভীর পর্যালোচনা শেষে এ ছবি অস্কারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অস্কারের বিদেশী ভাষা প্রতিযোগীতা বিভাগে ইরানের প্রতিনিধিত্ব করবে এ মহান চলচ্চিত্র।

ইরানের খ্যাতনামা পরিচালক মাজিদ মাজিদির সাড়া জাগানো চলচ্চিত্র মুহাম্মদ (সা:) কে ইরানের পক্ষ থেকে ৮৮তম অস্কারের জন্য মনোনয়ন করা হয়েছে। মহাকাব্যধর্মী এ ছায়াছবিতে বিশ্বনবী (সা:) শৈশবের জীবন আলেখ্যকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

গত ২৭ আগস্ট ইরানের রাজধানী তেহরানসহ ১১ শহরের ১৪৩টি প্রেক্ষাগৃহে এই ছায়াছবির প্রথম পর্বের প্রদর্শন শুরু হয়। একই সময়ে কানাডার মন্ট্রিল চলচ্চিত্র উৎসবের আওতায় সেখানকার দুটি সিনেমা হলে দেখানো হয়েছে ইরানের ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এই ছায়াছবি। ইরানে প্রদর্শনীর টিকিট বিক্রি থেকে প্রথম রাতেই উঠে এসেছে ২০০ কোটি রিয়াল।

মহানবী (সা:) কে নিয়ে নির্মিত ট্রিলজি বা তিন খন্ডের ছায়াছবির প্রথম খণ্ডে তাঁর মক্কার জীবনী তুলে ধরা হয়েছে। ২ ঘন্টা ১১ মিনিটের এ ছায়াছবি নির্মাণে সাত বছর সময় লেগেছে। ইরানের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এ ছবি নির্মাণে তিন কোটি ৫০ লাখ ডলার ব্যয় হয়েছে। মোহাম্মদ মাহদি হায়দারিয়ান প্রযোজিত এ ছবির চিত্র ধারণ করা হয়েছে ইরান এবং দক্ষিণ আফ্রিকার শহর বেলা-বেলাতে।

এ ছবিটি নির্মাণে চলচ্চিত্র জগতের আন্তর্জাতিক পরিমলে খ্যাতিমান ব্যক্তিত্বরা সাহায্য সহযোগীতা করেছেন। এতে কাজ করেছেন, ইতালির তিনবারের অস্কারজয়ী সিনেমাটোগ্রাফার ভিত্তোরিও স্তোরারো, ইতালির ফিল্ম এডিটর রোবাতো পেরপিগানি, মার্কিন স্পেশাল এফেক্ট শিল্পী স্কট ই অ্যান্ডারসন, ইতালির মেকআপ আর্টিস্ট গিয়ানেত্তো ডি রোসি এবং ভারতীয় প্রখ্যাত সুরকার এ আর রহমান।

তামাক পাতা দিয়ে সিগারেট তৈরি হয় তা আমরা জানি। যদি বলা হয় এবার ইঁদুরের বিষ্ঠায় তৈরি হবে সিগারেট- তাহলে আশ্চর্য হবেন অনেকেই।

ইঁদুরের বিষ্ঠায় তৈরি হচ্ছে সিগারেট। আপনি টাকা দিয়ে যে সিগারেট কিনে খাচ্ছেন তাতে কী আছে তাকি জানেন? আপনি সহজ জবাব দেবেন তামাক দিয়ে তৈরি হচ্ছে সিগারেট। কিন্তু কিন্তু এবার শোনা যাচ্ছে অনেক সিগারেটের ভেতরে থাকে ইঁদুরের বিষ্ঠা! এমন আশ্চর্যজনক কথা জানিয়েছে একটি গবেষণা প্রাতিষ্ঠান। বিশেষ করে যেসব সিগারেট বাজারে সস্তায় পাওয়া যায়, সেগুলোর ভেতরের উপাদান পরীক্ষা-নিরীক্ষঅ করে দেখা গেছে, এর ভেতরে রয়েছে ইঁদুরের বিষ্ঠা।

ইউনিভার্সিটি অব সিডনির প্রফেসর সিমন চ্যাপম্যান দিয়েছেন এক ভয়ঙ্কর তথ্য। তিনি জানিয়েছেন, সিগারেটের ফিল্টারে ব্যবহার করা হয়ে থাকে নাকি শূকরের রক্ত। নেদারল্যান্ডসের এক গবেষণাকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেছেন যে, ওই গবেষণায় দেখা গেছে ১৮৫টি সিগারেট উৎপাদনকারী কারখানায় ব্যবহার করা হয়ে থাকে শূকরের রক্ত। সিগারেটের ফিল্টারে রক্তের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিমোগ্লোবিন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আবার কখনও কখনও এমনও শোনা যায়, মৃত মাছিও নাকি ব্যবহার করা হয় এই সিগারেট বানাতে।

সিমন চ্যাপম্যান আরও বলেছেন, সিগারেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কি কি উপাদান ব্যবহার করছে তা সব সময় গোপন রাখে। তারা বলে থাকে যে, এটা তাদের ব্যবসা ও তারা ব্যবসার গোমর কখনও ফাঁস করবেন না। আর তাই বিষয়টি নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে জটিলতা।

সিমন চ্যাপম্যান বলেছেন, নেদারল্যান্ডসের ওই গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, শূকরের রক্ত থেকে হিমোগ্লোবিন নিয়ে তা সিগারেটের ফিল্টারে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। গ্রিসের সিগারেট উৎপাদনকারী একটি প্রতিষ্ঠান শূকরের হিমোগ্লোবিন ব্যবহারের বিষয়টি ইতিমধ্যেই স্বীকারও করেছে।

শুকরের রক্ত বা ইঁদুরের বিষ্ঠা যায়ই থাকুক না কেনো, ধুমপায়ীদের কি তাতে কিছু আসবে-যাবে? অন্তত এটি কেও নিশ্চিত করে বলতে পারবেন না। তথ্যসূত্র: mirror.co.uk

বুক জ্বালাপোড়া যেভাবে প্রতিরোধ করা যায়:

একটি কথা প্রচলিত আছে যে, Prevention is batter then cure অর্থাৎ রোগ হওয়ার আগেই সচেতন হওয়া ভাল। ওষুধ ব্যতীত বুক জ্বালাপোড়া থেকে মুক্তি পেতে হলে কিছু নিয়ম মেনে চলা আমাদের সবার জন্য দরকার। নিয়ম গুলো হলো:

> যেসব খাবার ও পানীয় খেলে আপনার বুক জ্বালাপোড়া করে সেগুলো চিহ্নিত করুন এবং এড়িয়ে চলুন।

> ধুমপান বর্জন করুন।

> একসাথে বেশি পরিমাণে না খেয়ে কিছুক্ষণ (২ ঘণ্টা) পরপর অল্প অল্প করে খান। তাহলে খাবার দ্রুত হজম হবে। এবং পেটে অতিরিক্ত গ্যাস ও এসিড উৎপন্ন হবে না। এর পরিনামে আপনি বুক জ্বালাপোড়া হতে রেহাই পাবেন।

> খাওয়ার পরপর শুয়ে পড়বেন না, ব্যায়াম করবেন না। ১ ঘন্টা অপেক্ষা করুন, তারপর ঘুমুতে যান।

> ঘুমানোর সময় বিছানা থেকে মাথাকে ৪ থেকে ৬ ইঞ্চি উচুতে রেখে শয়ন করুন।

> শরীরের বাড়তি ওজন কমিয়ে ফেলুন।

> ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। মোটা বেল্টের প্যান্ট পড়বেন না।

> মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে চেষ্টা করুন।

গর্ভাবস্থায় বুক জ্বালাপোড়া

গর্ভাবস্থায় বুক জ্বালাপোড়া এবটি সাধারন ও স্বভাবিক শরীরবৃত্তীয় ঘটনা বলা যায়। গর্ভাবস্থার চতুর্থ মাস থেকে বুক জ্বালাপোড়া শুরু হতে থাকে। হরমোনের মাত্রার পরিবর্তনের ফলে বুক জ্বালাপোড়া হয়। যার কারণে সমগ্র খাদ্যনালী ও পাকস্থলীর পেশীতে খাবারের বিভিন্নতার কারণে প্রতিক্রিয়া হতে পারে। প্রেগনেনসি হরমোনের (HCG) কারণে খাদ্যনালীর ভাল্ব শিথিল হয়ে যায়, যার কারণে পাকস্থলীর খাদ্যবস্তু ও পাকস্থলীতে সৃষ্ট এসিড গলনালীর গিকে ধবিত হয়। ফল স্বরূপ বুক জ্বালাপোড়া হয়। এছড়াও জরায়ুর বৃদ্ধির কারণে পাকস্থলীর উপর চাপ পড়ে। তাই খাদ্যবস্তু ও এসিড গলনালীর দিকে যায় এবং বুব জ্বালাপোড়া হয়।

প্রতিরোধ: গর্ভস্থ শিশু এবং নিজেকে এ থেকে মুক্ত রাখতে হলে নিচের নির্দেশনা সমুহ অনুসরন করতে পারেন।

* এক সাথে বেশি পরিমাণে না খেয়ে অল্প অল্প করে বারবার খান। খাবার ধীরে ধীরে ভালভাবে চিবিয়ে খান। এতে খাবার দ্রুত ও ভালভাবে হজম হবে।

* বুক জ্বালাপোড়া বৃদ্ধি করে এমন খাবার বর্জন করুন। যেমন – ভাজাপোড়া, অধিক মসলা যুক্ত খাবার, টক জাতীয় খাবার, সস ইত্যাদি।

* খাওয়া সময় পানি কম পান করবেন। খাওয়ার সময় পানি বেশি খেলে খাবার হজমে সহায়তাকারি হাড্রক্লোরিক এসিড পাতলা হয়ে যায়। ফলে খাবার হজমে সমস্যা হয় এবং এসিডকে উপরের দিকে চাপ দেয় ও বুক জ্বালাপোড়া বৃদ্ধি করে।

* খাওয়া শেষ করে সাথে সাথে শুয়ে পড়বেন না।

* ঘুমানোর সময় বিছানা থেকে মাথাকে ৪ থেকে ৬ ইঞ্চি উচুতে রেখে শয়ন করুন।

* ঢিলেঢালা পোষাক পরম্নন। আঁটসাঁট পোষাক পাকস’লী ও তলপেটে চাপ সৃষ্টি করে সমস্যার বৃদ্ধি ঘটায়।

* কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করুন।

গর্ভাবস্থায় বুক জ্বালাপোড়া শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়া পরে ভাল হয়ে যায়। এর পরেও কো সমস্যা থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।

সতর্ক বার্তা: গর্ভাবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া নিজে নিজে কোন ঔষধ খাবেন না।

# ডাঃ মোঃ আশেকুর রহমান খান
বি. এইচ. এম. এস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

আপনি যদি আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে চান তবে আপনার স্ত্রীর কথা শুনুন। ভাবছেন মজা করছি না এটিই সত্যি, স্ত্রীর কথা শুনলে হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার একটি হেলথকেয়ারের গবেষণায় এই তথ্যটি পাওয়া গিয়েছে। স্ত্রীর কথা শুনুন, তাঁর সঙ্গে সময় কাটান। নিজের হৃদয় ও হৃৎযন্ত্রকে সুস্থ রাখার মোক্ষম দাওয়াই- জীবনসঙ্গীর সঙ্গে কথা বলা। মানুষ সামাজিক জীব। আর এই কারণেই মানুষ একা থাকতে পারে না। প্রতিটি মানুষই চায় তার মনের কথাগুলো তার কাছের মানুষের সাথে শেয়ার করতে। হয়তো দেখা গেল কোন একটি কারনে আপনার মন খারাপ। আপনার এই খারাপ লাগা অনুভূতি শেয়ার করুন আপনার প্রিয় মানুষটির সাথে কিংবা বন্ধুদের সাথে দেখবেন মন ভালো হয়ে যাচ্ছে। একটি সময়ে এসে প্রতিটি পুরুষ মানুষেরই কাছের মানুষ হয়ে যায় তার স্ত্রী। আর তখন একটি পুরুষের খারাপ লাগা কিংবা বিষণ্ণতার অস্থির সময়গুলোতে সবচেয়ে প্রেরণাদায়ক হতে পারে তার স্ত্রী। গবেষকেদের পরামর্শ হচ্ছে, সময় বের করে নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলুন। অফিস থেকে ফিরে ক্লান্ত হয়ে পড়লেও কিংবা অবসন্ন হয়ে বিছানায় যেতে মন ছটফট করলেও স্ত্রীর সঙ্গে সময় কাটান, ইতিবাচক আলোচনা করুন। স্ত্রীর সঙ্গে কথাবার্তা আপনার হৃৎযন্ত্রকে সুস্থতা নিশ্চিত করবে। মার্কিন গবেষকেরা সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখেছেন যে, সঙ্গীর সঙ্গে ইতিবাচক কথাবার্তায় হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক কমে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ভিএ গ্রেটার লস অ্যাঞ্জেলেস হেলথকেয়ার সিস্টেমের গবেষক নাটারিয়া জোসেফ বলেন, ‘সঙ্গীর সাথে বেশি নেতিবাচক কথাবার্তার সঙ্গে পুরু ক্যারোটিড আর্টারির সম্পর্ক দেখা যায়। ক্যারোটিড অ্যার্টারি হচ্ছে রক্তনালি যা ঘাড় থেকে মস্তিষ্কে রক্ত পৌঁছে দেয়। পুরু ক্যারোটিডের সঙ্গে হৃৎযন্ত্রের নানা সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার বিষয়টিতে সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া যায়। গবেষকেরা জানিয়েছেন, যাঁরা স্ত্রীর সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা খুব কম করেন তাঁরা সাড়ে আট শতাংশ ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকিতে থাকেন। গবেষকেরা এই গবেষণার জন্য ২৮১ জন মধ্যবয়সী দম্পতির তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন। গবেষকেরা দাবি করেছেন, আবেগ, শারীরিক সম্পর্ক প্রভৃতি বিষয়গুলোর সঙ্গে অন্তরঙ্গভাবে জড়িত থাকে ইতিবাচক কথাবার্তা। এ বিষয়গুলো স্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে লাইভ সায়েন্স সাময়িকীতে। গবেষক জোসেফ দাবি অবশ্য বলেছেন, পুরু ক্যারোটিড অ্যার্টেরিসের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্কের যোগসূত্র থাকতে পারে। অবশ্য এটি কার্যকারণ জাতীয় কোনো সম্পর্ক নয়। তবে আমাদের মস্তিস্কের সাথে যেহেতু পুরো শরীরের একটি সম্পর্ক রয়েছে তাই স্ত্রীর সাথে ইতিবাচক আলোচনায় মানসিক তৃপ্তিকর অনুভূতি শারীরিক সুস্থতায় ভালো ভূমিকা রাখতে পারে।

বাংলা এস এম এস

SMS 01

ঈদের দিনে আসবে বন্ধু
আমার ছোট্ট ঘরে
সম্বল যা আছে আমার
দেব আদর করে
ঈদ মোবারক

SMS 02

ঈদ মানে হাসি
ঈদ মানে খুশি
ঈদ মানে বন্ধু তোকে
অনেক ভালবাসি
ঈদ মোবারক

SMS 03

ঈদের দিনে পায়েস খাব
খাব গরুর গোস্ত
ঘুরতে যাব তোকে নিয়ে
আসিস কিন্তু দোস্ত
ঈদ মোবারক

SMS 04

ভাবছি একটা কথা বলব
কিভাবে শুরু করি ভেবে পাইনা
তবুও বলতে হয় দোস্ত
ঈদের দিনে তোর বাড়িতে
খাব কিন্তু গোস্ত।
ঈদ মোবারক

SMS 05

বন্ধু তুমি অনেক দূরে,

তাই তোমার কথা মনে পরে,

সুন্দর এই সময় কাটুক খুশিতে,

সব কষ্ট ভুলে যেও আপনজনের হাসিতে,

“ঈদ মোবারক”

SMS 06

কিছু কথা অব্যাক্ত রয়ে যায়,

কিছু অনুভূতি মনের মাঝে থেকে যায়,

কিছু স্মৃতি নিরবে কেদে যায়,

শুধু এই একটি দিন সব ভুলিয়ে দেয় ” ঈদ মোবারক ”

SMS 07

নতুন সকাল নতুন দিন।

শুভ হোক ঈদের দিন।

নতুন রাত বাকা চাঁদ।

রঙ্গীন হোক ঈদের রাত।

………. ঈদ মোবারক ……..

SMS 08

পড়েছে আজ চাঁদের নজর,

তাইতো পেলাম ঈদের খবর।

হাসছে চাঁদ আজ জুড়ে আকাশ,

সবাই পেলো ঈদের বাতাস।

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা।

ঈদ মোবারক

SMS 09

আনন্দের এই সময় গুলো, কাটুক থেমে থেমে।

বছর জুড়ে তোমার তরে, ঈদ আসুক নেমে।

“ঈদ মোবারক”

SMS 10

রিমঝিম এই বৃষ্টিতে,

ঈদ কাটাবো সৃষ্টিতে।

খুশির হাওয়া লাগলো মনে,

নাচবে খুকি ক্ষণে ক্ষণে।

সাজবে সবায় নতুন পোশাক,

ঈদ যেন সারা জীবন রয়ে যাক।

“ঈদ মোবারক”

ইংলিশ এস এম এস

Eid SMS 1.

Everyone Sent U ..
Tradition Words About Eid ..
But I m The FIRst One..
To Send U “MEAT MUBARAK” ..
And Keep On Eating ..
Different Dishes ..
On This Season..
.
*Happy EiD Mubarak*

Eid SMS 2.

SHUKER ALHAMDOLILLAH
Eid-ul-Azha ka Chand Nazar Aagaya hai..
Meri Taraf se Aap Sab ko
Eid-ul-Azha Mubarak ho…:-)
Aameen

Eid SMS 3.

Eid-ul-Adha is an Eid of sacrifice;
And commitment of Allah’s orders.
May Allah bless us with the same in all circles of life!
Eid Mubarak!

Eid SMS 4.

May the auspicious occasion of Eid bless you with peace and bring joy to your heart and home.
Eid Mubarak!

Eid SMS 5.

When my arms can’t reach people who are close to my heart, I always hug them with my prayers.
May Allah be always with you and give you peace, abundant happiness and contentment!
Eid Mubarak!

Eid SMS 6.

Hope, Love & Laughter;
Warmth, Prosperity & Joy;
A fragrant bouquet filled with life;
You may Enjoy!
A very happy Eid full of wonderful feasts, jubilation and happines!

Eid SMS 7.

May Allah accept your good deeds;
Forgive your transgressions;
And ease your worldy sufferings.
Wish you a very joyous and peaceful Eid!

Eid SMS 8.

Eid is a wonderful day
To Pray
To Love
To Care
To Smile
To Relax
And to thank Allah for His benevolence!
Happy Eid ul-Adha!

Eid SMS 9.

May Fragrance of the Flowers and Stars in the Sky;
Waves of the Ocean and Angels of Paradise;
Bosom Friends on land and Gods up above in Heaven;
Come together and wish you happy Eid Mubarak!

Eid SMS 10.

May Allah bless:
Ur life wid happiness ;
Ur weeks wid joy;
Ur months wid pride;
Nd ur years wid love
nd also wid peace !
Eid Mubarak

গবেষকরা বলছেন প্রতিবার মুরগির মাংস খেলে সাথে সাথে আপনার শরীরে প্রবেশ করছে মুরগির জন্য প্রয়োগ কৃত অ্যান্টিবায়োটিকের একটি মিশ্রণ। ফলে আপনার শরীরে এই অ্যান্টিবায়োটিক প্রবেশ করে আপনার জীবাণুর প্রতিরোধ ক্ষমতাই ধংস করে দেয়।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে এভাবে কেমিক্যাল সমৃদ্ধ এসব মুরগি খেতে খেতে একপর্যায়ে ওষুধ হিসেবে রোগীকে দেওয়া অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর হয়ে যেতে পারে। খামারে সাধারণত খামারিরা মুরগিকে প্রয়োজনের চেয়েও বেশি অ্যান্টিবায়োটিক টিকা দেয়, যা মুরগির মাংসে তো থাকেই এবং ওই মুরগি মানুষ খেলে তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি না হলেও দীর্ঘদিন খেতে খেতে ধীরে ধীরে অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা কমে যায়। ফলে মানুষের শরীরের জীবাণুরোধী ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।

ভারতে পোলট্রি মালিকেরা ব্যাপক ও বেপরোয়াভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করেন বলে গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে। মুরগিকে দ্রুত বাড়ন্ত করতে এবং সংক্রামক প্রতিরোধে নিয়মিত অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করা হয়। ভারতে পোলট্রি খাতে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কোনো আইন নেই।

ভারতের মত বাংলাদেশের মুরগিতেও এমন কেমিক্যাল এবং ক্রোমিয়াম পাওয়া যাচ্ছে, যা ক্যানসার সহ নানান রোগের জন্য দায়ী।

মানুষকে চিরযৌবন দিতে শিগগিরই আসছে এক মহৌষধ - কি বলছেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা !!..........বিস্তারিত দেখুন এখানে