3 Answers
রাসুল (সা) বলেছেনঃ ‘যে ব্যক্তি কোনও জ্যোতিষীর কাছে গেলো ও তাকে কিছু জিজ্ঞেস করলো (ভবিষ্যৎ জানতে চাইলো) চল্লিশ দিন ও রাতের জন্য তার সালাত কবুল হবে না।’ সাহিহ মুসলিম, ভলিউম ৪. পৃষ্ঠা ১২১১. নং ৫৪৪০ ইসহাক (রহঃ) ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের মধ্য থেকে সত্তর হাজার লোক বিনা হিসেবেই জান্নাতে প্রবেশ করবে। তারা হবে এমন লোক- যারা ঝাড়ফুকের শরণাপন্ন হয় না, কুযাত্রা মানে না এবং নিজেদের প্রতিপালকের উপরই ভরসা রাখে। সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কোমল হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৬০২৮ আলী (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ লোকজন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জ্যোতিষদের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করল। তিনি বললেনঃ তারা মূলত কিছুই নয়। তারা জিজ্ঞাসা করল, ইয়া রাসুলাল্লাহ! কখনো কখনো তারা তো এমন কিছু কথাও বলে ফেলে যা সত্য হয়। এতে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ এসব কথা সত্য। জিনেরা এসব কথা প্রথম-শোনে, (মনে রেখে) পরে এদের দোসরদের কানে মুরগির মত করকর রবে নিক্ষেপ করে দেয়। এরপর এসব জ্যোতিষী সামান্য সত্যের সাথে শত মিথ্যার মিশ্রণ ঘটায়। গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৭০৫১ আলী ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ কতিপয় লোক রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর নিকট গণকদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃএ নিশ্চই নয়। তারা বলল ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! ওরা কখনও কখনও আমাদের এমন কথা শোনায়, যা সত্য হয়ে থাকে। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ ঐ কথা সত্য। জিনেরা তা ঠো মেরে নেয়। পরে তাদের বর (গণক) এর কানে ঢেলে দেয়। তারা এর সাথে শত মিথ্যা মিশ্রিত করে। আলী (রহঃ) বলেন, আব্দুর রাযযাক (রাঃ) বলেছেনঃ এ বানী সত্য মুরসাল। এরপর আমার কাছে সংবাদ পৌছেযে পরে এটি তিনি মুসনাদ রুপে বর্ননা করেছেন। সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ চিকিৎসা হাদিস নাম্বারঃ ৫৩৫০
আমি জানিনা আসলে এটা হারাম কিনা, তবে এটুকু বলতে পারি ইসলাম এটা সাপোর্ট করে না । এটা অন্যায় । করা যাবেনা বা বিশ্বাস করা যাবেনা । কারন ভবিষ্যৎ জানেন একমাত্র আল্লাহ ।
হারাম হারাম হারাম হাজার বার হারাম । ভবিষ্যৎ জানেন একমাত্র আল্লাহ এই শ্রেষ্ঠত্তের অধিকারী । এটা শিরিকি কাজ তাই এটা হারাম