আজ আমি স্কুলে গিয়ে দেখি আমার একটা ফ্রেন্ডের শরীর খারাপ। অন্য একজন আমাকে বলেছিলো, ও নাকি সকাল থেকে কিছু খায়নি। কারন কোচিং করতে যাওয়ায় সময় পাইনি। তখন আমি কিছু নাস্তা, চকলেট, এবং ড্রিংকস নিয়ে ওকে দিই। কিন্তু ও খাইনি। সবাই জানে ওর সুগার প্রবলেম। তবে আমাদের teacher বলাতে ও খেয়ে নেয়। কিন্তু পরে জানলাম, ওর আম্মু ওকে বলেছিলো তুই যদি আজকে থেকে কিছু খাস তোর পড়ালেখার মাথা খাবি। কথাটা রাগ করে একটা সমস্যা হওয়ায় তার মা বলেছিলো। এটা আমি জানতাম না। তাই জোর করে ওকে নাস্তা খাইয়ে দিই। এখন আমার ফ্রেন্ড খুব চিন্তিত কিছু সমস্যা হবে কিনা?
এখন আমার প্রশ্ন হলো-
ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে এ কারণে কিছু হবে কি? আর যদি হয় তাহলে তার জন্য কি করতে হবে?

ইসলাম কি বলে এ সম্পর্কে?

2769 views

2 Answers

কিছু হবে না। কারণ মা তার সন্তানদের আদরমাখা শাসনে এরকম অনেক কিছুই বলে থাকেন।

2769 views

আপনি একটি সুন্দর ও জীবন ঘনিষ্ঠ প্রশ্ন করেছেন। এ ধরনের ঘটনা অনেকের ক্ষেত্রেই ঘটে। কিন্তু তার বিধান না জানার কারণে অনেককে অস্বস্তিতে ভুগতে হয়। তাই বিষয়টি নিয়ে নিম্নে আলোচনা করা হলো-

আপনি হয়তো ভাবছেন যে, তার মা তাকে যা বলেছে, এ কারণে কোন কসম বা শপথ সংঘটিত হয়েছে কিনা। না তার মায়ের উক্তি “তুই যদি আজকে থেকে কিছু খাস তোর পড়ালেখার মাথা খাবি”  এ ধরনের বাক্য দ্বারা ইসলামী শরীয়ত মতে কোন ধরনের শপথ সংঘটিত হয় না। তাই এখানে ভয়ের কিছু নেই। কারণ ইসলামে কসম সংঘটিত হওয়ার জন্য শর্ত হলো আল্লাহর নামে শপথ করা। কিন্তু আপনাদের বেলায় এসবের কিছুই হয় নি। তাই আপনি, আপনার বন্ধু এবং বন্ধুর আম্মা সবাই আশংকা মুক্ত। আর এসবের জন্য আপনাদের কিছুই করতে হবে না। তবে আপনার বন্ধুকে এ কথা জানাবেন যে, মায়ের বৈধ যে কোন নির্দেশ পালন করা সন্তানের জন্য আবশ্যক। এবং অহেতুক তাদের মনে কষ্ট দেওয়া হারাম। আশা করি আপনার উত্তর পেয়েছেন। ধন্যবাদ।

2769 views