কত ভালোবাসি।আজ আত্মহত্যা ছাড়া উপায় নেই।ভালো থাক?
5 Answers
সুসময়ে বন্ধু অনেকে হয়,অসময়ে হায় হায় কেউ কারো নই।।।।। অসময়ে যে পাশে থাকে সেই প্রকৃত বন্ধু।।আর ভালোবাসার মানুষ যত কষ্ট ও বিপদ আসুক না কেন ছেডে যেতে পারে না।।।প্রথিবীতে জোর করে কার কাছ থেকে ভালোবাসা পাওয়া যায় না।।।আমাদের প্রত্যেকের উচিৎ ভালোবাসার মানুষকে মুক্ত করে রাখা।।। প্রিয় ভাই আমার যে মেয়ে চাবিতে সুযোগ হয়নি বলে আপনাকে ছেডে দিয়েছে।।সেই মেয়ে আপনাকে নয় ভালোবাসতে চায় চাবিতে পডা একটা ছেলেকে।।।সেই মেয়ে লোভী।।তাকে ছাড়া বাচতে শিখায় আপনার জন্য ভালো।।কেননা আপনার বাবা মা আপনার কাছ থেকে বড কিছু আশা করে।।।কিভাবে আত্নহত্যার কথা চিন্তা করতে পারেন সেটা বোঝতে পারি না।।।মনে রাখবেন আত্নহত্যাকারীর স্থান জাহান্নামে।।।তাই মেয়েটাকে ভুলে নিজের ভবিষ্যত জীবন সুন্দর করে সাজান।।।তাহলে এমন অনেক মেয়ে পাবেন জীবন সংী হিসাবে।।। ইসলাম প্রেম ভালোবাসা বিয়ের পর সমথর্ন করে আগে নয়।।। তাই বাজে চিন্তা বাদ দিয়ে নিজের জীবন সুন্দর করে সাজান।।।।।।
Milon Chandra Roy Joy, আপনি সম্পূর্ণ উত্তরটি ভালোভাবে পড়ুন।যদিও এই প্রশ্নের উত্তর সংক্ষেপে দেওয়া কঠিন, তবুও চেষ্টা করছি।
প্রথমত, এটা অবশ্যই মানতে হবে যে সৃষ্টিকর্তা যা করেন ভালোর জন্যই করেন।
আপনি এখনও সম্পূর্ণ ম্যাচিউরড নন। আপনার এখন একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত ভালোভাবে পড়াশোনা করে ক্যারিয়ার গঠন করা। আপনি পিইসি থেকে জেএসসি এবং জেএসসি থেকে এসএসসিতে খারাপ রেজাল্ট করেছেন। তাই ভবিষ্যতে ভালো রেজাল্ট করতে হবে। আপনার মা-বাবা আপনাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখেন এবং আপনি স্বীকারও করেন যে মা-বাবা ও পরিবারের প্রতি আপনার অনেক কর্তব্য রয়েছে। যেহেতু আপনি পরিবারের বড় সন্তান তাই আপনাকে পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। অবশ্যই মনে রাখবেন মা-বাবার চেয়ে আপন কেউ কেউ নেই। জীবনে পথ চলতে হলে নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখতে হবে। বাস্তবতার দিকে তাকান। পৃথিবীতে অনেকেই তাদের ভালোবাসার মানুষকে হারিয়ে বেঁচে আছেন। মনির খান অঞ্জনাকে হারিয়েই আজ এত বড় শিল্পী। ঢাবিতে চান্স না পাওয়া এবং ঐ মেয়েটির সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হওয়াকে অভিশাপ নয় বরং আশীর্বাদ হিসেবে গ্রহণ করুন। হয়তো, সৃষ্টিকর্তা এর চেয়েও ভালো কিছু আপনার ভাগ্যে লিখে রেখছেন।
কাঁদতে চাইলে মন খুলে কান্না করুন তাহলে নিজেকে হালকা করতে পারবেন। খেয়াল রাখুন ৬ সদস্যের পরিবার আপনার দিকে তাকিয়ে আছে। আপনার ১ম স্বপ্ন ঢাবিতে চান্স পাওয়া। আপনার ২য় স্বপ্ন বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে ম্যাজিস্ট্রেট হওয়া। আপনার ১ম স্বপ্ন পূরণ হয় নি। তাই আপনার ২য় স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে কাজ করুন।
জীবনে সুখী হতে চাইলে তাকেই ভালোবাসুন যে আপনাকে ভালোবাসে।
কথায় আছে, প্রজাপতির পিছনে ছুটে সময় নষ্ট না করে ফুলের চাষ কর, প্রজাপতিই তোমার পিছনে ছুটবে। তাই প্রথমে নিজে প্রতিষ্ঠিত হোন। দেখবেন এর চেয়ে অনেক ভালো ভালো মেয়ে পাবেন।
ছোট বেলায় হয়তো সেই সারাংশটি পড়ছেন, অতীতকে ভুলে যাও......। জানি, অতীতকে ভোলা সহজ নয়। চেষ্টা করুন ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে। গতস্য শোচনা নাস্তি- গত সময়ের জন্য অনুশোচনা করে লাভ নেই। ধৈর্য ধারণ করুন। Patience is bitter but it's fruit is sweet.- সবুরে মেওয়া ফলে।
কেউ অবহেলা করলে সবেচেয়ে বড় জবাব হচ্ছে সেদিকে আর ফিরে না তাকানো। অভাগী তো সে-ই যে আপনার ভালোবাসা বুঝল না। আপনি তার চেয়ে ভালো কোনো মেয়েকে জীবন সঙ্গী করে আপনার যোগ্যতা প্রমাণ করুন।
আজকের এই পৃথিবীতে অর্থ, খ্যাতি, সামাজিক সম্মান প্রভৃতি ব্যতীত শুধু ভালোবাসার মূল্য পাওয়া যায় না।
কাউকে ভালোবাসলে অবশ্যই তাকে পরীক্ষা করে নেবেন যে সত্যিই সে আপনাকে ভালোবাসি কিনা। নিজের সম্পর্কের বিষয়ে বন্ধুদেরকে না জানানোই ভালো। কারণ ঘরের শত্রু বিভীষণ। আপনি হিন্দু ধর্মাবলম্বী। ভবিষ্যতে কাউকে পছন্দ করলে পূর্বেই তার বর্ণ-সম্প্রদায় প্রভৃতি মিলিয়ে দেখুন। উভয়ের পারিবারিক অবস্থানের সামঞ্জস্য দেখুন। অবশ্যই আগে থেকেই উভয়ের পরিবারকেই জানিয়ে রাখবেন। নয়তো সম্পর্ক অনেক দূর এগিয়ে যাওয়ার পর কোনো পক্ষের পরিবার রাজি না থাকলে তখন আরও বেশি কষ্ট পাবেন। হয়তো বলবেন, এত কিছু ভেবে কি ভালোবাসা হয়? উত্তরে বলব, কল্পনায় ভেসে যাবেন না। চোখ মেলে দেখুন যুগ বদলে যাচ্ছে। মানুষ জীবনে ভুল করে একবার, দ্বিতীয় বার করে অন্যায়। নিজের জীবনের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিতে শিখুন।
সর্বোপরি, পরিবারের সঙ্গে কোথাও গিয়ে ঘুরে আসুন। কয়েক দিন বাইরে থেকে আসুন। নিজের পড়াশোনা ও পারিবারিক কাজ-কর্মের মধ্যে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন।মোটিভেশনাল ভিডিও দেখুন ও মোটিভেশনাল বই পড়ুন। মন ভালো হয়ে যাবে। সব সময় আপনার পরিবার এবং আপনার লক্ষ্যের দিকে খেয়াল রাখুন। আপনার ১ম স্বপ্ন (ঢাবি) ব্যর্থ হয়েছে কিন্তু ২য় স্বপ্ন (বিসিএস ক্যাডার) যেন ব্যর্থ না হয়। নিজের মধ্যে জেদ তৈরি করুন। মনে রাখবেন- হোঁচট খাওয়া মানেই হেরে যাওয়া নয়, জয়ের অনীহা থেকেই পরাজয়ের শুরু হয়। অবসর সময়ে বিস্ময়ে আসুন। আপনার সমস্যা জানান। অন্যদের সমস্যার সমাধান করুন। বিস্ময়ের সঙ্গেই থাকুন। Best of luck.
ধন্যবাদান্তে-
মোঃ নুরুল ইসলাম।
- আত্মহত্যা করে নেওয়া
- নিজের জীবন নতুন ভাবে শুরু করা।
ভালোভাসা স্টিকারের মতো। যখন লাগানো হয় তখন খুব শক্ত ভাবে লেগে থাকে। যখন স্টিকার তুলে নেওয়া হয় তখন সব কিছু হারিয়ে চলে যায়। কিন্তু আঠালো ভাবে ভালোবাসার ক্ষতটা থেকে যায়। আপনার ভালোবাসাও এরকম৷ মেয়েটি আপনাকে ছেড়ে যখন থাকতে পারছে তখন আপনারও উচিত জীবন নতুন ভাবে শুরু করা।
একটি শিশু যদি হোঁচট পড়ে যায় সে সেখানে বসে পড়ে না। উঠে দাড়ানোর চেষ্টা করে। আপনাকেও উঠে দাড়ানোর চেষ্টা করতে হবে। আপনি বিসিএস ক্যাডার হতে চান তাহলে তার জন্যে প্রস্তুতি নিন। ভালোভাবে পড়ালেখা করুন। নিজেকে সফল করার চেষ্টা করুন।
মেয়েটি হয়ত আপনাকে ভালোবাসেনি ভালো ভেসেছিল আপনার সফলতা কে। আপনি অসফল হয়ে পড়েছেন তাই আপনাকে সে অবজ্ঞা করছে। সুতরাং, মেয়েটিকে আপনার ভুলে যাওয়া ভালো।
আপনার মা-বাবা আপনাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখেন এবং আপনি স্বীকারও করেন যে মা-বাবা ও পরিবারের প্রতি আপনার অনেক কর্তব্য রয়েছে। যেহেতু আপনি পরিবারের বড় সন্তান তাই আপনাকে পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। অবশ্যই মনে রাখবেন মা-বাবার চেয়ে আপন কেউ কেউ নেই।
জীবনে পথ চলতে হলে নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখতে হবে। বাস্তবতার দিকে তাকান। পৃথিবীতে অনেকেই তাদের ভালোবাসার মানুষকে হারিয়ে বেঁচে আছেন। আবেগ কে যদি কন্ট্রোল করতে পারেন তাহলেই জীবনে উন্নতি করতে পারবেন।
সৃজনশীল কাজ আপনাকে অনেক খাটাবে যার ফলে তাকে ভুলে যেতে অনেক সুবিধা হবে। সৃজনশীল কাজের ফলে মনোযোগ থাকবে সেই কাজে ফলে মেয়েটির দিকে মনোযোগ যায় কিভাবে?
প্রতিদিন সকালে একটু বাহিরে দৌড়াদৌড়ি করবেন। এই দৌড় মনের শান্তি আনবে। মনে শান্তি থাকলে আর কি চাই। শান্তি থাকলে প্রেমিকার প্রয়োজন পড়ে না। তবে যদি পারেন চা/কফি খেয়ে ব্রাশ করে দৌড়াদৌড়ি করে কিছুক্ষণ পড় খাবার খেয়ে নিজের কাজের যায়গায় বেড়িয়ে পড়বেন। কাজে যদি ব্যস্ত থাকতে পারেন তবে আপনার প্রেমিকাকে ভুলতে পারবেন।
তাকে ভুলতে চাইলে তার সব স্মৃতি আপনার মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। তাকে নিয়ে কম কথা বলবেন। তার ব্যাপারে কোন কথা হলে সেখানে না থাকার চেষ্টা করবেন। তার সাথে কোনপ্রকার যোগাযোগ চলবে না।
এখন আপনি মেয়েটিকে ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করুন। এর জন্যে আপনি নিচের অন্যান্য টিপস ফলো করতে পারেন।
- পুরোন দিনের কথা ভাববেন না এর বদলে আপনার ক্যারিয়ার সম্পর্কে চিন্তা করুন। পরিবারকে গুরুত্ব দিন এবং পরিবারের সবার সাথে মিলেমিশে থাকার চেষ্টা করুন।
- আপনি একা থাকবেন না। একা থাকলে পুরনো দিনের এবং স্মৃতি খুব মনে পড়ে তাই আপনি একজন বন্ধু নির্বাচন করুন, যার সাথে আপনি মিলেমিশে থাকতে পারবেন।
- সব সময় নিজেকে কোন কাজে ব্যস্ত রাখুন।
- নিজের মনকে সবসময় শান্ত রাখার চেষ্টা করুন এবং সবার সাথে মিলেমিশে থাকুন। ফ্যান্টাসি বিষয়টিই মানুষকে হাসিয়ে তোলে এবং মানসিকভাবে সবসময় সতেজ রাখে। এ কারণে ফ্যান্টাসি বিভিন্ন ধরনের কবিতা, গল্প, উপন্যাস জাতীয় সাহিত্য পড়ুন। এছাড়া আপনার পাঠ্যবইয়ের সাহিত্য পড়ুন। দেখবেন আপনি বেশ প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছেন।
- টিভিতে জ্ঞান মূলক টক শো অথবা চ্যানেল দেখতে পারেন।
- অবসর সময়ে কোন কাজ না থাকলে গান শুনতে পারেন।
নিচে তিনজনের বিস্তারিত উত্তরের পরে আর বেশি কিছু বলতে চাইনা।
তবে মাথায় রাখবেন, এই দুনিয়ায় আমর অল্প কিছু দিনের জন্য আসছি। আমাদের আসল ঠিকানা পরকাল। সো এই দুনিয়ার সংক্ষিপ্ত সময়টা কে ভালো কাজে লাগান। এখানে যাই করুন ভেবে চিন্তে করুন।
আত্মহত্যা কখনোই সমাধান হতে পারে না।
ভালো থাকবেন, ভালো চিন্তা করবেন।