4 Answers
মূলত জোহরের নামাজের পরিবর্তেই জুমার নামাজ আদায় করা হয়।
ছেলে দের জন্য জুম আর নামাজ। পরে যোহর এর নামাজ পরা লাগবে না৷ শুধু মেয়ে দের জন্য যোহর এর নামাজ পরতে হবে৷
জুমার নামাজের পর জোহরের নামাজ পড়তে হয় না।কারণ জুমার নামাজ পড়া হয় যোহরের নামাজের পরিবর্তে(শুক্রবার)।যদি আপনি জুমার নামাজ
(ইমামের সাথে) পড়তে না পারেন, তাহলে আপনাকে যোহরের নামাজ পড়তে হবে।
জুমুয়ার নামাজ মোট ২২ রাকাত। তাইিয়্যাতুল অজু ২ রাকাত। দুখুলুল মসজিদ ২ রাকাত। ক্বাবলাল জুমআ ৪ রাকাত। ফরজ ২ রাকাত৷ বাদাল জুমআ ৪ রাকাত। আখরি জুহর ৪ রাকাত। নফল ২ রাকাত।
জুমআর ৪ রাকাত জুহরঃ-
বলা বাহুল্য শরীয়াতের বিভিন্ন মাছয়ালা মাছায়েল নিয়ে আদিকাল থেকেই মত পাথক্য আছে। তেমনি আখিরি জুহর নিয়ে বহু বিতক দেখা যায়। কেহ এই জুহর নামাজ আদায় করাকে না জায়েজ বলেছেন, কেহ বেদআত ও মুতাযিলাদের রীতি বলেছেন ইত্যাদি আরো অনেক কিছু বলেছেন।
এর সঠিক ব্যাক্ষা হলোঃ - একদল হককানী উলামায়েকেরাম, রাজ্যে খোলাফত জারি না থাকার কারনে গ্রামে ও শহরে জুমুআর শত সমূহ পূনভাবে না পাওয়ার কারনে জুমআর পর জুহরের নিয়তে ৪ রাকাআত নামাজ পড়াকে আখরি জুহর বা ইহতিয়াতি জুহর নামকরণে স্থান ভেদে ওয়াজিব বা মুস্তাহাব বলেছেন। কারন আল্লাহ পাক না করুন জুমআর এবং ইমামের শত মিল না থাকলে যদি জুমআ কবুল না হয় তাহলে আখরি জুহর ৪ রাকাত জুহরের ৪ রাকাত ফরজের দায় মুক্ত করবে। আর জুমআ আদায় হলে আখেরি জুহর ৪ রাকাত নফলের মর্যাদা বহন করবে।
( দলিলঃ- ফতোয়ায়ে শামী,আলমগীরী,আজজী,মেরকাত,ছগীরি,কাবীরি,ফাতহুল কাদীর,তাহতাবী,তাফসীরে আহমদী,মুহীত,কাফী,নেকায়ার টিকা ইত্যাদি আরো বহু নিভরযোগ্য কিতাব সমূহে আখরি জুহর নামাজ পড়তে বলা হয়েছে।)