সূরা আল মায়িদাহ (المآئدة), আয়াত: ১ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ أَوْفُوا۟ بِٱلْعُقُودِ أُحِلَّتْ لَكُم بَهِيمَةُ ٱلْأَنْعَٰمِ إِلَّا مَا يُتْلَىٰ عَلَيْكُمْ غَيْرَ مُحِلِّى ٱلصَّيْدِ وَأَنتُمْ حُرُمٌ إِنَّ ٱللَّهَ يَحْكُمُ مَا يُرِيدُ উচ্চারণঃ ইয়াআইয়ূহাল্লাযীনা আ-মানূআওফূবিল‘উকূদি উহিল্লাত লাকুম বাহীমাতুল আন‘আ-মি ইল্লা-মা-ইউতলা-‘আলাইকুম গাইরা মুহিলিলসসাইদি ওয়া আনতুম হুরুমুন ইন্নাল্লা-হা ইয়াহকুমুমা-ইউরীদ। অর্থঃ মুমিনগণ, তোমরা অঙ্গীকারসমূহ পূর্ন কর। তোমাদের জন্য চতুষ্পদ জন্তু হালাল করা হয়েছে, যা তোমাদের কাছে বিবৃত হবে তা ব্যতীত। কিন্তু এহরাম বাধাঁ অবস্থায় শিকারকে হালাল মনে করো না! নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা যা ইচ্ছা করেন, নির্দেশ দেন। এখানে এহরাম কি?এবং এহরাম বাধা অবস্থায় শিকারকে হালাল মনে করো না সেটা দ্বারা কি বোঝাচ্ছে?
2796 views

1 Answers

 ইহরাম অর্থ হলো কোনো জিনিসকে নিজের ওপর হারাম বা নিষিদ্ধ করে নেয়া। 

আর এ ইহরামই হজ ও ওমরার প্রথম ফরজ কাজ। 

হজ্জে নির্দিষ্ট মিকাত থেকে পুরুষদের জন্য সেলাইবিহীন দুই টুকরো সাদা কাপড় আর নারীদের জন্য স্বাচ্ছন্দ্যময় শালীন পোশাক পরিধান করাই হলো ইহরাম। 


এই ইহরাম বাধা অবস্থায় কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে, যেমন - প্রাণী শিকার করা, শিকারের প্রতি নির্দেশ করা ইত্যাদি। 


আরো জানতে -- 
https://www.google.com/amp/s/www.al-feqh.com/bn/amp/%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B9%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%25AE?espv=1
2796 views

Related Questions