2 Answers
একমাত্র সমাধান নামাজ ! 5 ওয়াক্ত নামাজ পরুন। বন্ধুদের সাথে সময় কাটান। খেলাধুলা করতে পারেন, ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
টেনশন আর মানসিক চাপ মানুষকে বিভিন্ন ভাবে কষ্ট দেয়। শুধু তাই না, এর জন্যে অনেক রোগ হয়। টেনশন থেকে বাচতে মনে রাখতে হবে, আপনি নিজেই কেবল পারেন আপানকে এসব থেকে বাচাতে। আপনার চেষ্টাই আপনাকে টেনশন থেকে বাচাতে পারে। টেনশন থেকে বাচার সবচেয়ে ভালো উপায় হল নামাজ পড়া। আপনি ৫ওয়াক্ত নামাজ সঠিক ভাবে পড়ুন, টেনশন না করে টেনশনের কথা আল্লাহ কে খুলে বলুন, সেজদায় গিয়ে আল্লাহর কাছে সেই বিষয়ের সমাধান চান, আপনার কৃত কোনো খারাপ কাজে চাপে ভুগে থাকলে নফল নামাজ পরুন। মাফ চান। দেখবেন অনেক বেশি হাল্কা লাগছে। নামাজ একদম মন দিয়ে পড়বেন, আর ভরসা রাখবেন যে আল্লাহ আপনাকে নিশ্চয় এর থেকে রক্ষা করবেন, নিরাশ হবেন না। যদি খুব কাছের কেও ভরসা করার মত থাকে তাকে আপনার চিন্তার কারন টা খুলে বলুন, আলোচনা করুন। শেয়ার করলে চাপ অনেকটাই কমে যায়। খামোখা মানিসিক চাপে না ভুগে, একদিন মন স্থির করে আপনার সমস্যা টি নিয়ে চিন্তা করুন, কোন কোন ভাবে তা ঠিক করা যায়, কিংবা তার সমাধানের উপায় খুব কাছেই আছে কিনা। আমরা বেশির ভাগ সময় ই বেশি বেশি দুশ্চিন্তার কারনে হাতের খুব কাছেই সমাধান থাকা সত্তেও সমাধান খুজে পাই না। ১টা কথা মাথায় রাখবেন, তাহলে ইনশায়াল্লাহ আপনার টেনশন হবে না- .আপনি টেনশন করলে কি সমস্যা টা কমবে? যদি না কমে তাহলে খামখা টেনশন কেন করবেন! যদি কোনো সমস্যার জন্যে টেনশনে ভুগেন তাহলে দুইটা কাজ করবেন- ১. ভেবে দেখেন আপনার কাছে কি সেটার সমাফহান আছে কোনো! যদি থাকে তাহলে আল্লাহর নাম নিয়ে সমাধানে লেগে পড়ুন। ২. আপনার কাছে সমস্যার কোনো সমাধান নেই। তাহলে টেনশন করে কি লাভ। আল্লাহর কাছে দোওয়া করুন আর আল্লাহর উপর ভরসা করে অপেক্ষা করুন। মনে রাখবেন দুশ্চিন্তা কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারে না, বরং সমস্যা কে আরো জটিল করে ফেলে।