"বাংলাদেশের ষড়ঋতু" এই রচনাটির 3 টি প্যারা লিখে দিন,,,খুব দরকার,,please please লিখে দিন?
"বাংলাদেশের ষড়ঋতু" এই রচনাটির 3 টি প্যারা লিখে দিন,,,,
রচনা:"বাংলাদেশের ষড়ঋতু"
- ঋতু কী (এখানে ঋতুর সংজ্ঞা দিবেন)
- ঋতুচক্রের আবর্তন
- ঋতু পরিবর্তনের ধারা সুন্দর করে লিখে দিবেন,যদি 3 টি প্যারার মধ্যে 1 টি বা 2 টি পারেন,তাহলেও দিবেন,প্লিজ প্লিজ।।।।
2 Answers
ঋতুঃ সূর্যের তাপ, পৃথিবীর ঘূর্ণন এবং ভৌগোলিক অবস্থান অনুসারে বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন সময়ে বিরাজমান বিবিধ আবহাওয়াকে সামগ্রিকভাবে ঋতু বলা হয়। সময়টাকে আমরা যে ক্ষেত্রে বিভক্ত করেছি তন্মধ্যে বছর, মাস এবং দিন বিদ্যমান। এগুলোকে আবার আমরা ঋতু হিসেবে বিভক্ত করেছি। বাংলাদেশে প্রতি দুইমাসে বিরাজমান আবহাওয়া অনুসারে একেকটি ঋতু মোট ৬টি ঋতু নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের ঋতুগুলি হল- গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত। ঋতুচক্রের আবর্তনঃ (এটিতে প্রতিটি ঋতুর বর্ণনা দেওয়া হয়। আমি একটি ধারণা দিলাম, বড় করে নিবেন) বাংলাদেশের প্রতিটি ঋতুতে দুইটি করে মাস রয়েছে। প্রতিটির রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন আপনা নিজস্বতা। একেকটির বৈশিষ্ট্য একে অপর থেকে সম্পূর্ণ পৃথক, কোনোটির সাথে অপরটির মিল নেই। মূলত বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানই এমন যে একেক সময় একেক দিক দিয়ে বায়ু প্রবাহিত হয়, একেক রকম সূর্যের তাপ পাওয়া যায়। তবে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশ নাতিশীতোষ্ণ দেশ। নিম্নে বাংলাদেশের ঋতুগুলির সংক্ষিপ্ত বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হলো- (প্রতিটি ঋতুর সাথে একটি কবিতা এবং সুন্দর বর্ণনা দিবেন) ঋতু পরিবর্তনের ধারাঃ (এখানে কীভাবে এক ঋতুর পর আরেক ঋতু আসে সেটা লিখতে হবে, সংক্ষেপে দিলাম) বাংলাদেশের ঋতুগুলি ধারাবাহিকভাবে পরিবর্তিত হয়। প্রতিটি ধীরে ধীরে কিন্তু নিশ্চিতভাবে পরিবর্তিত হয়। গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপ থেকে নিম্নচাপ ও জলীয় বাষ্প তৈরি হয়ে বর্ষাকাল আসে। বর্ষাকালের বারিধারা ধীরে ধীরে থামতে থামতে শরৎকালের কোমল শুভ্র পরিবেশ আসে। কোমলতা বেড়ে ধূসর হেমন্ত আসে, বর্ষার পলি ও উপযুক্ত পরিবেশে ফসল তোলার সময় হয়। হেমন্ত থেকেই ধীরে ধীরে শীতলতা বেড়ে শীতকালে দেখা দেয় কনকনে শীত। এই শীত কমতে কমতেই আবার গ্রীষ্মে ধারণ করে প্রচণ্ড উত্তাপ। এভাবেই বিচিত্রভাবে ঋতু আবর্তিত হয় এবং নতুন ঋতু আসে। (আরো বিস্তারিত লিখুন)
২টি লিখে দিলাম: ঋতু : ঋতু হলো, একটি বর্ষের মধ্যে জ্যোতির্বিদ্যার (অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল) নিয়মপদ্ধতিতে সময়ের কয়েকটি সুনির্দিষ্ট বিভাজন। আর ঋতুচক্র হলো, আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করে আপন আপন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বজায় রেখে চক্রাকারে বারংবার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতিতে একই সময়ে ঋতুদের আবর্তন প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা। আবার অন্য কথায়,ঋতু হল বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে ভূ-পৃষ্ঠের কোনো একটি স্থানের জলবায়ুর ধরন।বছরের একটি খণ্ডবিশেষ যা নির্দিষ্ট সার্বজনীন কোন সূত্রের ভিত্তিতে স্থির করা হয়। সচরাচর স্থানীয় আবহাওয়ার ওপর ভিত্তি করে বৎসরের ঋতু বিভাজন করা হয়। ঋতুচক্রের আবর্তন:বিশ্বের অধিকাংশ দেশে বসন্ত (স্প্রিং), গ্রীষ্ম (সামার), হেমন্ত (অটাম-ব্রিটিশ, ফল-আমেরিকান) ও শীত (উইন্টার) - এই চারটি প্রধান ঋতু দেখা যায়। কিছু দেশের জনগণ ঋতুকে আরো কয়েকভাগে বিভক্ত করেছেন। তন্মধ্যে বাংলাদেশ , অস্ট্রেলিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্যে ৬টি ঋতু বিদ্যমান।বাংলাদেশের ঋতু পরিবর্তনের মূলে রয়েছে জলবায়ুর প্রভাব ও ভৌগোলিক অবস্থান । এ দেশের উত্তরে সুবিস্তৃত হিমালয় পর্বতমালা , দক্ষিণে প্রবাহিত বঙ্গোপসাগর । সেখানে মিলিত রয়েছে হাজার নদীর স্রোতধারা ।মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে হয় বৃষ্টি । বৃষ্টির ধারা এ দেশের মাটিকে করে উর্বর , ফুল ও ফসলে করে সুশোভিত । নদীর স্রোত বয়ে আনে পলিমাটি ।সে মাটির প্রাণরসে প্রাণ পায় সবুজ বন- বনানী, শ্যামল শস্যলতা । তার সৌন্দর্যে এ দেশের প্রকৃতি হয়ে উঠে অপরূপ । নব নব সাজে সজ্জিত হয়ে এ দেশে পরপর আসে ছয়টি ঋতু ।এমন বৈচিত্রময় ঋতুর দেশ হয়তো পৃথিবীর আর কোথা ও নেই।