ফর্সা হবার কোনো উপায় আছে কি সাইড ইফেক্ট ছাড়া?
8 Answers
রং ফর্সাকারী ক্রিমের কদর তাই কমে না কখনোই। এসব রাসায়নিক পদার্থের মিশ্রণে তৈরি প্রোডাক্টগুলো ত্বকের নানা ক্ষতি করে থাকে। আসুন জেনে নিই প্রাকৃতিক কিছু উপায়ে কীভাবে গায়েব কালো রংকে উজ্জ্বল করা যায়, কীভাবে ফর্সা হওয়া যায়।
- বেসন, লেবুর রস ও কাঠবাদাম একসাথে পেস্ট করে ১০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে ফেলুন। বেসন ও লেবুর রস মুখের মৃত কোষ, কালোদাগ দুর করতে সহায়তা করে। কাজু বাদাম ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে।
- কলা ও দুধ একত্রে পেস্ট করে মুখে ও ঘাড়ে ১৫ মিনিট রেখেদিন। তারপরে পরিষ্কার ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ত্বক মসৃন করতে কলার কোন জুড়ি নেই।
- মধুর ঔষধি গুনের কথা কে না জানে। ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃন করতেও মধু খুব কার্যকর। দই, মধু ও লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে ২০ মিনিট ধরে মুখে লাগিয়ে রাখুন। এতকিছু হাতের কাছে না থাকলে শুধু মধুই ২০ মিনিট মুখে লাগিয়ে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত করলে কিছুদিন পরেই দেখতে পাবেন আপনার ত্বক আগের থেকে অনেক বেশী উজ্জ্বল হয়ে গেছে।
- আলু বা টমেটো শুধু ভাল সবজীই নয় বরং এক একটা রং ফসর্াকারী এজেন্ট। আলু এবং টমেটো পেস্ট প্রতিদিন ব্যবহার করলে আপনি পাবেন দ্যুতিময় ত্বক।
- মসুরের ডাল, দুধ লেবুর রস এবং চালের গুড়া একসাথে পেস্ট করলেই হয়ে যাবে সুন্দর ও কার্যকরী স্ক্রাব। সপ্তাহে তিন দিন ব্যাবহার করুন। আপনার ত্বক হবে আরো পরিষ্কার।
- ডিমের সাদা অংশ ও মধু একসাথে মিশিয়ে ২০ মিনিট মুখে মেখে রাখুন। তার পরে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক উজ্জ্বল ও টান টান ভাব আনতে সাহায্য করবে এই ফরমুলা।
- এক চামচ চিনির সাথে দুই চামচ লেবুর রস মিশিয়ে আলতো ভাবে মুখে ডলতে থাকুন যতক্ষন পর্যন্ত চিনি পুরোপুরি গলে না যায়। এমনকি পুরো শরীরেও লাগাতে পারেন।
- শিশুদের মত কোমল ও মসৃন ত্বক পেতে দুই চামচ চিনির মধ্যে তিন চামচ বেবী ওয়েল দিয়ে পেস্ট বানিয়ে মুখে নিয়মিত ব্যবহার করুন।
- মুখে ব্রনের দাগ থাকলে কর্ণফ্লাওয়ার এবং শসার মিশ্রন তৈরী করে প্রতিদিন মাখতে থাকুন। দ্রুত ভাল ফল পাবেন।
- পানি, সবুজ সবজী, ফলের রস, মাছ, ডিম রক্ত পরিষ্কার করে থাকে তাই এইগুলো পর্যাপ্ত পরিমানে খেতে হবে।তথ্যসূত্র গুগল
আপনি যে রকম আছেন সে রকমই থাকেন। সৃষ্টিকর্তা যা করেন মানুষের ভালোর জন্যই করেন।তাই ফর্সা হওয়ার জন্য কোনো কিছু ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই বললেই চলে।
ঘৃতকুমারীতে রয়ছে ২০ রকমের খনিজ। মানবদেহের জন্য যে ২২টা এএমিনো অ্যাসিড প্রয়োজন এতে বিদ্যমান। এছাড়াও ভিটামিন A, B1, B2, B6, B12, C এবং E রয়েছে। অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারীর রস নিয়মিত ত্বকে ব্যবহার করলে ভাল ফল পাবেন। সাথে মধু ব্যবহার করতে পারেন।
ফর্সা হওয়া না হওয়া সম্পূর্ণ নির্ভর করে জিনের উপর। আপনার পরিবারের কেউ কালো হলে আপনি কালো হওয়া স্বাভাবিক। তবে আপনি কিছু কাজ করলে আপনার ত্বক সুস্থ রেখে ত্বক উজ্জ্বল করতে পারেন।
- আপনাকে নিয়মিত ত্বক এবং মাথার ত্বকের যত্ন নিতে হবে।
- প্রতিদিন ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমান।
- ৮ গ্লাস করে পানি পান করুন।
- মাথার ত্বক এবং ত্বক দুইই পরিষ্কার রাখুন।
- সপ্তাহে একদিন আপনার বিছানা চাদর, বালিশের কভার, চিরুনি, তোয়ালে গরম পানি দিয়ে ধুয়ে দিবেন।
- আলাদা তোয়ালে ব্যবহার করবেন।
- দিনে কমপক্ষে দুবার শুধু পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলবেন।
- দিনে অন্তত একবার ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম ব্যবহার করবেন।
- আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী ফেইসওয়াশ ব্যবহার করুন।
- কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে তা দূর করার জন্য কাজ করুন।
- পেট পরিষ্কার না থাকলেও ত্বক অনুজ্জ্বল দেখায়।
- শারীরিক পরিশ্রম করুন,এতে ত্বকে অক্সিজেন এর সরবরাহ বাড়বে। এর ফলে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।
ফর্সা হবার জন্য সব থেকে ভাল উপায় হল ভাতের মাড় এবং ভাত। আপনার যেহেতু ব্রণ নেই তাই আপনি প্রতিদিন কমপক্ষে দুইবার ভাতের মাড় ব্যবহার করবেন। এলোভেরা জেল+গোলাপ জল+ভাত একত্রে করে উপটান বানান। ভাত যেন শক্ত না থাকে তাই ভাত ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিতে পারেন। এই উপটানটি প্রতিদিন লাগান। ইনশাআল্লাহ ছোপ দাগ ও মুখ ফর্সা হতে এটি যথেষ্ট কাজ দিবে। এছাড়া যেসব স্থানে ছোপ দাগ আছে সেস্থানে মধু ম্যাসাজ করুন ৫মিনিট করে প্রতিদিন ২বার।
দাগ দূর ও ত্বক ফর্সা করতে নিচের নিয়ম অনুসরণ করুন
-
২ চামচ বেসন, ১ চা চামচ কাঁচা হলুদ বাটা, ১ চা চামচ কমলার খোসা বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করুন। এবার এটা ত্বকে রেখে ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের পোড়া দূর হবে ও ত্বক উজ্জ্বল হবে।
-
১ চামচ দুধ, ডিমের সাদা অংশ এবং কমলার রস মেশান। এবার মিশ্রণটা ত্বকে ২০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন।
দেখেন আপু।
মানুষের রং নিয়ন্ত্রণ করে মেলাটিন হরমোন ।
এক্ষেত্রে হরমোন কে প্রভাবিত করে বাজারে এমন হরেক রকম রং ফর্সাকারী ক্রিম পাওয়া যায়।
কাজেই এই সব রং ফর্সাকারী ক্রিম ব্যবহার করলে প্রথমত মেলাটিনকে প্রভাবিত করে থাকে, কাজে্ই একটা ক্ষতির আশঙ্কা থেকেই যায়।
দ্বিতীয়ত: রং ফর্সাকরা ক্রিম আর যাই ব্যবহার করেন , যদি আপনি ছায়ায় থাকেন তাহলে আপনার ত্বকের রং এমনিতেই দীর্ঘমেয়াদী ফর্সা থাকবে।
কিন্তু পরর্বতী ব্যবহার করা থামিয়ে দিলে আবার আগের মতো অবস্থায় ফিরিয়ে আসবে।
সুতরাং, নিয়মিত ভেষজ টুকিটাকি ব্যবহার করে দেখতে পারেন । আশা করি ভাল ফলাফল পাবেন।