6 Answers

প্রথমত,আমি কোন আলেম না।ভালো হবে যদি আমি কোন আলেমের কাছে প্রশ্ন করেন তবে।তবুও সল্প যা জানা আছে তাই বলছি।হারাম গ্রহনকারী শরীর জান্নাতে প্রবেশ করবে না।হারাম রক্ত মাংশ যতক্ষন আপনার শরীরে থাকবে ততক্ষন আপনার কোন ইবাদত কবুল হবে না।

3109 views

হারাম উপার্যন করলে সালাত আদায় হবে না।

3109 views

হ্যা হয়ে যাবে কারন হারাম বস্তুও রিজিক তবে হারাম জিনিস ব্যবহারের কারনে আপনি গুনাহগার হবেন

3109 views

কোনো ইবাদত আদায় হওয়া আর কবুল হওয়া কিন্তু ভিন্ন বিষয়। নামাজ আদায় হওয়ার সম্পর্কটা হল নামাজীর শরীর, কাপড় ও জায়গা পাক হওয়ার সাথে। তাই এগুলো যদি পাক থাকে, তাহলে তার নামাজ হয়ে যাবে। যদিও হারাম সম্পত্তি ভোগ করার কারণে তার নামাজ 'কবুল' হবে কি না, সেটা ভিন্ন বিষয়। তবে কোনো ইবাদত কবুল করা না করা সম্পূর্ণ আল্লাহর বিষয়। এটা কেউ নিশ্চিতভাবে বলতে পারবে না যে, তার ইবাদত কবুল হয়েছে কি না।

3109 views

অবৈধভাবে উপার্জিত খাবার খেয়ে ইবাদত করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে না। ওই ইবাদতের মাধ্যমে জান্নাতে যাওয়া যাবে না। মহানবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘ওই গোশত (দেহ) জান্নাতে যাবে না, যা হারাম (খাবার) থেকে উৎপন্ন। জাহান্নামই এর উপযোগী। ’ (সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস নম্বর : ১৭২৩, তিরমিজি, হাদিস নম্বর : ৬১৪)

3109 views

হালাল উপার্জন ইবাদত কবুলের পূর্বশর্ত।

ইবাদতের সওয়াবও  ফজিলত পেতে হলে বান্দাকে বৈধ পন্থায় উপার্জিত খাবার গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় ইবাদতের  সুফল পাওয়া যাবে না।

ইসলাম এক মহাসৌন্দর্যমণ্ডিত জীবনবিধান। মানুষের জীবন স্বাচ্ছন্দ্যময় করার উদ্দেশ্যে ইসলামের বহু বিধিবিধান দেওয়া হয়েছে। ইসলামে যদি কোনো জিনিস হারাম করা হয়, তাহলে তার পরিবর্তে কোনো উৎকৃষ্টতর জিনিসকে হালাল করে দেওয়া হয়েছে। এর বিপরীতে অতীব উত্তম বিকল্প পেশ করা হয়েছে। সে বিকল্প এমন যে তার দ্বারা একদিকে যেমন সব বিপর্যয় সৃষ্টিকারী জিনিসের পথ রুদ্ধ হয়ে যায়, তেমনি হারাম জিনিসের ওপর নির্ভরশীলতা নিঃশেষ হয়ে যায়। যেমন-ইসলাম সুদ খাওয়া হারাম করে দিয়েছে। তার পরিবর্তে মুনাফাপূর্ণ ব্যবসা বৈধ করে দিয়েছে।

ইসলাম জুয়া খেলা হারাম করেছে, তার পরিবর্তে ঘোড়া, উট ও তীরের প্রতিযোগিতালব্ধ ধন-সম্পদ গ্রহণ বৈধ করেছে। শর্ত হলো, যতক্ষণ পর্যন্ত তা শরিয়তের পরিপন্থী না হয়।

ইসলাম পুরুষদের রেশম ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। তার পরিবর্তে সুতা, পশম, কাতানের বিভিন্ন সৌন্দর্যময় পোশাক বৈধ করেছে। ইসলাম জিনা-ব্যভিচার হারাম করেছে। তার পরিবর্তে বিবাহিত স্ত্রীর সঙ্গে বৈধ উপায়ে যৌন সঙ্গম বৈধ করেছে। ইসলাম মাদকদ্রব্য হারাম করেছে। তার পরিবর্তে দেহ ও মনের উপকারী সুস্বাদু পানীয় হালাল করে দিয়েছে। ইসলাম খারাপ ও নিকৃষ্ট ধরনের খাদ্য হারাম করেছে। তার পরিবর্তে উত্তম, উত্কৃষ্ট ও ভালো খাদ্য হালাল করে দিয়েছে।

বৈধভাবে উপার্জনের নির্দেশ প্রত্যেক নবীর জন্য প্রযোজ্য ছিল। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে রাসুলরা! তোমরা পবিত্র বস্তু ভক্ষণ করো এবং নেক কাজ করো। ’ (সুরা : মুমিনুন, আয়াত : ৫১)

অবৈধভাবে উপার্জিত খাবার খেয়ে ইবাদত করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে না। ওই ইবাদতের মাধ্যমে জান্নাতে যাওয়া যাবে না। মহানবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘ওই গোশত (দেহ) জান্নাতে যাবে না, যা হারাম (খাবার) থেকে উৎপন্ন।

জাহান্নামই এর উপযোগী। ’ (সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস নম্বর : ১৭২৩, তিরমিজি, হাদিস নম্বর : ৬১৪)

মহান আল্লাহ সৎভাবে জীবিকা নির্বাহ করার বহু পথ খোলা রেখেছেন। যেমন—ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি-বাকরি, অফিস-আদালত, বিবিধ কল-কারখানা, যানবাহন, ক্ষেত-খামারে দিনমজুর বা শ্রমিকের কাজ করা ইত্যাদি।

এভাবে ইসলামের বিভিন্ন বিধিবিধান পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, আল্লাহ তাআলা একদিকে মানুষের জন্য কোনো কোনো জিনিস হারাম করেছেন, অন্যদিকে বহু জিনিস হালাল করে জীবনে বিপুল প্রশস্ততা এনে দিয়েছেন। একদিকের দুয়ার বন্ধ করে তিনি অন্যদিকের দ্বার উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। আসলে ইসলামের বিধিবিধান স্রষ্টার আনুগত্য প্রদর্শনের জন্য, মানুষের জীবন সংকীর্ণ করার জন্য নয়। পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করতে চান; কিন্তু যারা কুপ্রবৃত্তির অনুসরণ করে, তারা চায় তোমরা ভীষণভাবে সত্যপথ বিচ্যুৎ হও। আল্লাহ তোমাদের ভার লাঘব করতে চান। কেননা মানুষ তো দুর্বলতম সৃষ্টি। ’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ২৭-২৮)

অতএব,কোরান ও হাদিসের আলোকে একথা প্রতীয়মান হয় যে,ইবাদত কবুল হওয়ার পূর্ব শর্ত হালাল উপার্জন৷

বাকি আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু, আল্লাহর ইচ্ছা তো কাউকে ক্ষমা করে তার ইবাদতকে কবুল করতে পারে!

তবে যা শরীয়তের দৃষ্টিতে স্পষ্ট হারাম তা থেকে ক্ষমা আশা করলেও ইবাদত কবুল হওয়ার আশা করলে "তাওবাহ"আবশ্যক৷ 


3109 views

Related Questions