1 Answers
ইসলামে হস্তমৈথুন হারাম করা হয়েছে।
এ সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেনঃ “আর যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে হেফাযত করে। নিজেদের স্ত্রী বা মালিকানাভুক্ত দাসীগণ ছাড়া; এক্ষেত্রে (স্ত্রী ও দাসীর ক্ষেত্রে) অবশ্যই তারা নিন্দিত নয়। যারা এর বাইরে কিছু কামনা করবে তারাই সীমালঙ্ঘনকারী।”
[সূরা মুমিনুন, আয়াত: ৫-৬]
সুতরাং স্ত্রী বা দাসী ছাড়া অন্য কোন ক্ষেত্রে পুরুষাঙ্গ ব্যবহার করা বৈধ হবে না, হস্তমৈথুনও বৈধ হবে না। সীমালঙ্ঘনকারীর শাস্তি সম্পর্কে আল্লাহই ভালো জানেন। তবে এ পাপটি ক্ষমার যোগ্য। হস্তমৈথুন ত্যাগ করে সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন-যাপন করলে ইনশাল্লাহ কবর আযাব হবেনা।
কিভাবে তওবা করলে আমি বুঝব যে আমার গুনাহ মাফ হয়েছে এবং তওবা করার সঠিক নিয়ম কি?
এ সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেনঃ “আর যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে হেফাযত করে। নিজেদের স্ত্রী বা মালিকানাভুক্ত দাসীগণ ছাড়া; এক্ষেত্রে (স্ত্রী ও দাসীর ক্ষেত্রে) অবশ্যই তারা নিন্দিত নয়। যারা এর বাইরে কিছু কামনা করবে তারাই সীমালঙ্ঘনকারী।”
[সূরা মুমিনুন, আয়াত: ৫-৬]
সুতরাং স্ত্রী বা দাসী ছাড়া অন্য কোন ক্ষেত্রে পুরুষাঙ্গ ব্যবহার করা বৈধ হবে না, হস্তমৈথুনও বৈধ হবে না। সীমালঙ্ঘনকারীর শাস্তি সম্পর্কে আল্লাহই ভালো জানেন। তবে এ পাপটি ক্ষমার যোগ্য। হস্তমৈথুন ত্যাগ করে সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন-যাপন করলে ইনশাল্লাহ কবর আযাব হবেনা।
কিভাবে তওবা করলে আমি বুঝব যে আমার গুনাহ মাফ হয়েছে এবং তওবা করার সঠিক নিয়ম কি?
2544 views
Answered