2 Answers
অস্থায়ীভাবে জন্ম নিয়ন্ত্রনের জন্য যেকোন পদ্ধতি-ই জায়েজ। এক্ষেত্রে পিল খাওয়া হারাম নয়। অস্থায়ী পদ্ধতি এমন যে, যার ফলে স্বামী-স্ত্রীর কেউ প্রজনন ক্ষমতাহীন হয়ে যায় না। এছাড়া পিল খাওয়া কেবল নিম্মোক্ত ক্ষেত্রে বৈধ হবে। ❖ বাচ্চার জন্মের মাঝে কিছু সময় বিরতি দেওয়া যাতে প্রথম সন্তানের লালন-পালন, পরিচর্যা ঠিকমত হয়। ❖ কোন কারণে মহিলার বাচ্চা লালন-পালনের সামর্থ না থাকলে। ❖ মহিলা অসুস্থ ও দূর্বল হওয়ার কারণে গর্ভধারণ বিপদজনক হলে। তবে যদি কথা এমন হয় যে, সন্তান জন্ম নিলে তার রিযিকের ব্যবস্থা করা যাবে না। এক্ষেত্রে পিল খাওয়া হারাম। বর্তমানে সন্তানের জন্মদানকে বন্ধ করার জন্য জন্ম নিয়ন্ত্রণের নানান পদ্ধতি গ্রহণ করা হচ্ছে। আর এ কথা সবারই জানা যে, এ পদ্ধতি গ্রহণ করা হচ্ছেঃ এ কথা বলে যে, মানুষ বেশি হলে অভাব দারিদ্র দেখা দিবে, রিযিকের ঘাটতি পড়ে যাবে। এ সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করছেনঃ তোমরা তোমাদের সন্তানদের হত্যা কর না দারিদ্রের কারণে, আমিই তোমাদের রিযিক দান করি এবং তাদেরও আমি করব। (আনআম ৬:-১৫১) আল্লাহ আরো বলেনঃ এবং তোমরা হত্যা কর না তোমাদের সন্তানদের দারিদ্রের ভয়ে, আমি তাদের রিযিক দেব এবং তোমাদেরও নিশ্চয়ই তাদের হত্যা করা বিরাট ভুল। (বানী ইসরাঈল ১৭:- ৩১) ভবিষ্যতে দরিদ্র ও অভাবগ্রস্ত হয়ে পড়ার আশঙ্কায় যারা সন্তান জন্মদানে ভয় পায়, যারা মনে করে যে, আরো অধিক সন্তান হলে জীবনযাত্রার মান রক্ষা করা সম্ভব হবে না, এবং এজন্য জন্মনিরোধ বা নিয়ন্ত্রণের পন্থা গ্রহণ করে, উপরোক্ত আয়াতদ্বয়ে তাদের সম্পর্কে নিষেধ বানী উচ্চারণ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, বর্তমানে তোমাদের যেমন আমিই রিযিক দিচ্ছি, তোমাদের সন্তান হলে অভিষ্যতে আমিই তাদের রিযিক দেব, ভয়ের কোন কারণ নেই। তবে জন্মনিরোধ করা সম্পূর্ণরূপে হারাম কেননা তা সম্পূর্ণরূপে সন্তান দানের ক্ষমতাকে বিলুপ্ত করে দেয়।