পড়াশোনায় ক্ষতি হচ্ছে...?
2 Answers
সরাসরি কথা বলুন। বন্ধু জিবনে হাজার হাজার আসবে আর যাবে। কিন্তু জিবনে একবার পিছনে পড়লে সাফল্য অর্জন করতে অনেক অনেক কষ্ট হবে। জীবন আপনার, আর আপনি কিভাবে চলবেন সেটা আপনার বিষয়। অন্য কেউ কি বলবে সেটা নিয়ে এত চিন্তা করলে জিবনে কিছুই করতে পারবেন না।
মিথ্যা বলা মুলত হারাম যা গুনাহের কাজ। কিন্তু শুধুমাত্র তিন ক্ষেত্রে কিছু শর্ত সাপেক্ষে মিথ্যা বলা যায়েজ। কিন্তু আপনার প্রশ্ন সাপেক্ষে উক্ত ক্ষেত্রে মিথ্যা কথা বলা এমনকি 'কিরা খাওয়া, তথা কসম করা যায়েজ হবে না। উম্মে কুলসুম (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দুদলের মধ্যে শান্তি স্থাপন করতে ভালো কথা বানিয়ে বলে কিংবা কল্যাণের কথা বলে সে মিথ্যুক নয়। (বুখারি ও মুসলিম) মুসলিমের বর্ণনায় আছে, উম্মে কুলসুম বলেন, আমি তাকে কখনও মানুষকে চতুরতা অবলম্বন করার অনুমতি দিতে শুনি-নি। তবে তিনটি ক্ষেত্রে অনুমতি দিয়েছেনঃ যুদ্ধের ব্যাপারে, মানুষের মাঝে বিবাদ মিটিয়ে সন্ধি ও শান্তি স্থাপনে এবং স্বামী স্ত্রীর সাথে ও স্ত্রী স্বামীর সাথে কথোপকথনে। (রিয়াজুস সালেহিন, পরিচ্ছেদঃ ২৬১) আর গায়রুল্লাহর নামে কসম খাওয়া মোটেই যায়েজ নয়। এমনকি, বাপ, মা, ছেলে, পীর, কাবা, নবী, মসজিদ, কিবলা, ইত্যাদির নামে কসম খাওয়া শিরক। কসম হবে কেবল আল্লাহর নামে অথবা তার কোন গুনের নাম নিয়ে। ইবনে উমার (রাঃ) একটি লোককে বলতে শুনলেন ‘না, কাবার কসম!’ তিনি তাকে বললেন, ‘আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে কসম খেও না। কেননা, আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি গায়রুল্লাহ নামে কসম করে, সে কুফরি অথবা শিরক করে। (আবু দাউদঃ ৩২৫১, তিরমিজিঃ ১৫৩৫) রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আরো বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা তোমাদেরকে তোমাদের বাপ দাদার নামে শপথ করতে নিষেধ করেছেন। সুতরাং যে শপথ করতে চায় সে যেন আল্লাহর নামে শপথ করে, নচেৎ চুপ থাকে। (বুখারিঃ ৩৮৩৬, মুসলিমঃ ১৬৪৬)
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy