user-avatar

MdAbuSaeed

◯ MdAbuSaeed

"সমশক্তিসম্পন্ন অরবিটাল এ ইলেকট্রন সমুহ এমনভাবে প্রবেশ করে যেনো তারা সর্বাধিক অযুগ্ম(বিজোড়) অবস্থায় থাকে এবং এসব অযুগ্ম ইলেকট্রন এর দিক একমুখী হয়" 

সহজ কথায়, যেসকল অরবিটাল এর শক্তি সমান, সেসকল অরবিটাল এ ইলেকট্রন একটি একটি করে প্রবেশ করে।  এভাবে সবগুলো অরবিটাল এ একটি করে ইলেকট্রন প্রবেশের পর পুনরায় ১টি করে ইলেকট্রন প্রবেশ করে। 

যেমন: ফ্লোরিন এর জন্য,

F - ১s² ২s² ২px² ২py² ২pz¹

     ২p এর জন্য            

⬆️⬇️⬆️⬇️⬆️

 

১০১.৩২৫ কিলো প্যাস্কেল চাপ এবং ১৫°সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ঘনত্ব ১.২২৫কেজি/মিটার³

জারণ অর্ধবিক্রিয়া:
2Fe2+ -2e ----> 2Fe3+


বিজারণ অর্ধবিক্রিয়া:
Cl2 +2e ----> 2Cl-
এখানে, 

ফেরাস ক্লোরাইড এর ক্লোরিন এর জারণ মানের পরিবর্তন হয় নি। 

প্রক্রিয়া হলো একটি পদ্ধতি বা নিয়ম। সেটা যেকোনো কিছুর ক্ষেত্রে হতে পারে। কিন্তু বিক্রিয়া বলতে মূলত রাসায়নিক বিক্রিয়া কেই বোঝায়। বিক্রিয়ায়, এক বা একাধিক পদার্থ নিজেদের মধ্যে বন্ধন ভাঙন বা গঠনের মাধ্যমে নতুন পদার্থ উৎপন্ন করে। 

= √{s(s-a)(s-b)(s-c)}

= (1/2)ab sinC = (1/2)bc sinA = (1/2)ca sinB

যেখানে, a,b,c হলো বাহুর দৈর্ঘ্য এবং 

s = অর্ধ পরিসীমা = (a+b+c)/২

A= b এবং c বাহুর মধ্যবর্তী কোন

B= a এবং c বাহুর মধ্যবর্তী কোন

C= a এবং b বাহুর মধ্যবর্তী কোন


EZn/Zn2+ = 0.76 V
EM/M2+ = 0.126 V

এখানে, জিংক এর জারণ বিভব বেশি। তাই এটি 

অ্যানোড হিসেবে কাজ করবেআর M  ক্যাথোড হিসেবে কাজ করবে।


কিন্তু পাত্র ক্ষয় হবে, কি হবে না, এধরনের অঙ্কের ক্ষেত্রে পাত্রকে সর্বদা অ্যানোড ধরতে হবে। পাত্রটিকে অ্যানোড এবং দ্রবণটি কে ক্যাথোড ধরে কোষ বিভব বের করতে হবে। ধনাত্মক হলে ক্ষয় হবে, ঋণাত্মক হলে ক্ষয় হবে না। পাত্রের অঙ্কের ক্ষেত্রে এটাই নিয়ম। 

আপনার অঙ্কে যদি বলা থাকে m ধাতুর পাত্রে জিংক এর লবণ রাখা যাবে কিনা??, তাহলে জিংক কে ক্যাথোড ধরতে হবে।

একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে কোনো চলমান বিন্দুর দূরত্ব এবং ঐ চলমান বিন্দু থেকে কোনো রেখার লম্ব দূরত্ব যদি সর্বদা সমান হয়, তবে চলমান বিন্দুর সঞ্চরপথকে পরাবৃত্ত বলে। 

পীড়ন ও বিকৃতির অনুপাত সর্বদা ধ্রুবক নাকেবলমাত্র স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে ধ্রুবক

স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে অর্থাৎ বাহ্যিক বলের যে মান পর্যন্ত কোনো বস্তু পূর্ণ স্থিতিস্থাপক বস্তুর ন্যায় আচরণ করে, সেই মানের মধ্যে পীড়ন (বাহ্যিক বল) বৃদ্ধি করলে বিকৃতি ( বস্তুর আকারের পরিবর্তন) বেশি হয়। পীড়ন কম হলে বিকৃতি কম হয়। স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে পীড়ন প্রয়োগের ফলে বিকৃতি এমনভাবে পরিবর্তিত হয় যে এদের অনুপাত সর্বদা ধ্রুবক থাকে। এটি কেবলমাত্র স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে প্রযোজ্য।

ফোনের রেডিয়েশন ক্ষতিকর না। এটি থেকে মূলত নন আয়োনাইজিং বিকিরণ নির্গত হয় যা শুধু কোনো কিছুকে উত্তপ্ত করতে পারে। আয়োনাইজিং বিকিরণ ক্ষতিকর কিন্তু এটা ফোন থেকে নির্গত হয় না। ফোনে ইন্টারনেট ব্যাবহারের সময় বা কথা বলার সময় হেডফোন ব্যাবহার করুন। এই ভিডিওটি দেখুন

প্লিজ বলুন ?

MdAbuSaeed
Sep 30, 05:46 AM

T1/2 = .693/μ

μ = ক্ষয় ধ্রুবক।


N = No e-μt
যেখানে N= অক্ষত পরমাাণুর সংখ্যা

No = মোট পরমাণুর সংখ্যা

 t=সময়


তাপ তাপমাত্রা
১. এক প্রকার শক্তি। ১.এটি কোনো শক্তি নয়, এটি বস্তুর উষ্ণতা বা শীতলতা নির্দেশ করে।
২.এস আই এককে এর একক জুল। ২.এস আই এককে এর একক কেলভিন।
৩.এটি তাপের আদান প্রদানের দিক নির্দেশ করে না। ৩. এটি তাপের আদান প্রদানের দিক নির্দেশ করে।
৪.তাপ উষ্ণ বস্তু থেকে শীতল বস্তুতে প্রবাহিত হয়। ৪.তাপমাত্রা প্রবাহিত হতে পারে না।
৫. তাপ এক প্রকার শক্তি হওয়ায়, একে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায়। ৫. একে কোনো শক্তিতে রূপান্তর করা যায় না।

ধরি, নৌকার বেগ = u স্রোতের বেগ = v স্রোতের অনুকূলে, ১৫ মিনিটে যায় = ৩ কিলোমিটার। ১ মিনিটে যায় = (৩/১৫)=(১/৫)কিলোমিটার। অতএব, বেগ, u+v=(১/৫)-------(১) স্রোতের বিপরীতে, ১৫ মিনিটে যায়=১ কিলোমিটার ১ মিনিটে যায় = (১/১৫) কিলোমিটার অতএব, বেগ, u-v=(১/১৫)-------(২) এখন,  (1)+(2)  2u = (1/5)+(1/15) 2u = (4/15) u = (2/15) (1)-(2) 2v = (1/5)-(1/15) 2v = 2/15 v = (1/15) স্রোতের বেগ (১/১৫) কিলোমিটার/মিনিট নৌকার বেগ (২/১৫) কিলোমিটার/মিনিট

একটি মুদ্রা তিনবার নিক্ষেপ করলে নমুনাক্ষেত্রঃ- 

{HHH, HHT, HTH, HTT, THH, THT, TTH,TTT}= ৮ টি।


তিনটি হেড উঠার অনুুুুকূল ফলাাাফলর


কমপক্ষে একটি টেল উঠার সম্ভাবনা = (৭/৮) 

তিন তিনটি হেড উঠার অনুকূল ফলাফল{HHH}=একটি 

আবার কমপক্ষে একটি টেল ওঠার অনুকূল ফলাফল ={HHT, HTH, HTT, THH, THT, TTH,TTT}=সাতটি।

অর্থাৎ তিনটি হেড অথবা  একটি টেল উঠার অনুকূল ফলাফল =(১+৭)=৮ অর্থাৎ মোট অনুকূল ফলাফল=৮।

 অতএব সম্ভাবনা ৮/৮=১

কিন্তু, 

তিনটি হেড এবং  একটি টেল উঠার অনুকূল ফলাফল =০ অর্থাৎ মোট অনুকূল ফলাফল=০

সম্ভাবনা=০/৮=০ অসম্ভব ঘটনা।

এক তৃতীয়াংশ খালি মানে 240 এর এক-তৃতীয়াংশ অর্থাৎ 80 লিটার পানি অপসারিত হয়েছে। এখন চৌবাচ্চায় পানি আসে 240 - 80=160 লিটার।
না। বেগের পরিবর্তনের হারকে ত্বরণ বলে৷ এখন কোনো বস্তুর বেগ শূন্য হলে অর্থাৎ বস্তুটি স্থির থাকলে এর বেগের কোন পরিবর্তন হবে না। অর্থাৎ বস্তুটির ত্বরণ শূন্য হবে।

সহজভাবে বললাম:

অনুভূমিক দূরত্ব: অনুভূমিক বরাবর অথবা আপনি যে তল থেকে নিক্ষেপ করছেন, সেই তল বরাবর কোনো বস্তু যে দূরত্ব অতিক্রম করে, তাকে অনুভূমিক দূরত্ব বলে। যেমন: আপনি যদি ছাদে বা মাটিতে দাড়িয়ে কোনো বস্তু নিক্ষেপ করেন তবে বস্তুটি ছাদ বা মাটি বরাবর যে দূরত্ব অতিক্রম করব, সেটাই অনুভূমিক দূরত্ব। আর 

অনুভূমিক তলের সাথে লম্ব বরাবর (ছাদ বা মাটির উপর লম্ব অর্থাৎ আকাশের দিকে বা ঊর্ধ্বমুখী) যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে উলম্ব দূরত্ব বলে। 

এখন, আপনি যদি কোনো বস্তুকে খাড়াভাবে নিক্ষেপ করেন, তবে উলম্ব বরাবর (ঊর্ধ্বমুখী )  সর্বাধিক যে দূরত্ব যায়, সেটি হলো উলম্ব দূরত্ব। খাড়াভাবে নিক্ষেপ করলে বস্তুকে যেখান থেকে নিক্ষেপ করবেন সেটি সেখানেই পড়বে, অর্থাৎ অনুভূমিক বরাবর কোনো দূরত্ব অতিক্রম করে না। তাই অনুভূমিক দূরত্ব শূন্য।




তিন ছয় তিন  নয় তিন আঠারো


 ৩      ৬     ৩    ৯    ৩       ১৮

3639318

উত্তর হবে জলীয়বাস্প। কারণ: এটি সাগরে উৎপন্ন হয়, আকাশে ভাসমান থাকে, পরবর্তীতে আবার বৃষ্টির মাধ্যমে সাগরে পতিত হয়।

মারা না গেলে জীবিত থাকে।
এরকম আসার কথা না। তবে মনে হচ্ছে প্রশ্নকর্তা কোনো কোড এর মাধ্যমে লেখাটি ঐভাবে লিখেছেন। এরকম তো আগে কখনো দেখিনি।
নিশ্চিতভাবে জানলেই বলবেন। আজকের মধ্যেই লাগবে
সব পরমাণুর পারমাণবিক ভর জানার প্রয়োজন নেই। মুখস্থ করা সবচেয়ে ভালো উপায়। কিছু গুরুত্বপূর্ণ মৌলের পারমাণবিক ভর মুখস্থ করেন। যেমন: H,He,C,N,O,F,Na,Mg,Al,Si,P,S,Cl,K,Ca,Cr,Fe,Ni,Cu,Zn,Ag,Pb,Au,Th,U ইত্যাদি।
F সাচ দ্যাট A টেন্ডস টু B

এটা বলা সম্ভব না। স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে ও এটা বলা যাবে না। স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে পীড়ন বিকৃতির সমানুপাতিক কিন্তু সমান না। পীড়ন হলো একক ক্ষেত্রফলে প্রযুক্ত বাহ্যিক বল। এটা বলা যাবে না।

পরম মান মুলবিন্দু থেকে কোনো সংখ্যার দূরত্ব নির্দেশ করে। এটি সর্বদা ধনাত্মক। এর চিহ্নের নাম মডুলাস।

রোধের উল্টা। অর্থাৎ, k1ও k2 স্প্রিং ধ্রুবক বিশিষ্ট দুটি 

স্প্রিং শ্রেণীতে থাকলে (১/ks)=(১/k1)+(১/k2) আর

 সমান্তরালে যুক্ত থাকলে,

 kp=k1+k2

ভর কাকে বলে?

MdAbuSaeed
Sep 15, 05:29 PM
কোনো বস্তুতে মোট যতটুকু পদার্থ আছে, তার পরিমাণকে ভর বলে। ভর সবক্ষেত্রেই অপরিবর্তনীয়।(ব্যতিক্রম আছে)  এটি অন্য কোনো রাশির ওপর নির্ভর করে না।