রাত জেগে পড়তে পারছি না......... !?

আমার রাত জেগে পড়ার অভ্যাস ছিল। কিন্ত এখন সেই অভ্যাস টা কে পূর্বের ন্যায় ব্যাবহার করতে পারি না....!!!?? আমার ক্লাস শুরু হয় সকাল ৯ টাই কিন্ত প্রতিষ্ঠান এর নিয়ম অনুযায়ী আমাকে ৮:২০ মি: এ আইডি কার্ড পাঞ্চ করে ক্লাস এ ঢুকে যেতে হয় এবং ক্লাস শেষ হয় ৩:৪০মি: এ। মাঝে লাঞ্চ এর জন্য ব্রেক দেয় ৪৫ মি: এর। এখন মূল কথা হলঃ ৩:৪০ এ ক্লাস শেষ করে যেয়ে ভিশন ক্লান্ত অনুভব করি। পরে বিছানাতে শুয়ে পড়ি মাঝে মাঝে ঘুমিয়ে যায় ঘুম থেকে উঠে গোসুল করি। তাঁর পর রাতের খাবার খাই ৭:০০-৭:৪৫ এর মধ্যে। তাঁর পর আর পড়তে ইচ্ছা করে না। এই টা নিয়ে অনেক সমস্যা হচ্ছে আমার। এখন আমাকে অনেক লার্জ টাইম লেখা পড়া করতে হবে কিন্ত আমি সেটা পারছি না। নিজেকে দূর্বল মনে হচ্ছে। এর থেকে কিভেবে নিজেকে বার করে আনতে পারি।
2957 views

3 Answers

আমার মতে আপনি মাঝে বেশি পরিশ্রম করে ফেলেছিলেন, এ কারণে বর্তমানে আর পারছেন না। সবকিছুর তো একটা লিমিট আছে। আপনার রাত জাগা, পড়াশুনা এগুলো বেশি হয়ে যাওয়ায় এখন শরীরও একটু বিশ্রাম চাচ্ছে।  যতদূর বুঝি আপনি এখনো ফার্স্ট ইয়ারে। আমার প্রথম সাজেশন প্রথমেই এত কষ্ট না করে ধীরে ধীরে এগোন। সামনে এখনো বহুত প্যারা বাকি, সব সামাল দিতে বিশ্রাম প্রয়োজন।  এবার আসি আপনার রুটিন এর ক্ষেত্রে। আপনি যদি ৪টা-সাড়ে ৪টায় রুমে ফিরেন আর ফ্রেশ হয়ে ৬ টা পর্যন্ত ঘুমান তাহলে আপনার ক্লান্তি অনেকটা কেটে যাওয়া উচিৎ। উত্তম হবে গরম পানি দিয়ে গোসল করে ঘুমানো, তাহলে ঘুম ঘন হবে ও পূর্ণ বিশ্রাম হবে।  ধরি ৮টায় আপনি পড়তে বসবেন। এখন আপনার রাত জেগে পড়ার কী দরকার! সাড়ে ১১টা থেকে ১২টার ভেতরে পড়া শেষ করে ফেলুন। যেহেতু ক্লাস করছেন তাই নিজে বেশি পড়ে বিশ্রাম কমাবেন না। এখন যদি রাতে ৭-৮ ঘণ্টা না ঘুমান পরবর্তী ক্ষেত্রে শারীরিক সমস্যার প্যারায় পড়াই বন্ধ হয়ে যাবে।  প্রতিদিন অল্প অল্প পড়ে সপ্তাহের ছুটির দিন বেশি পড়ুন। নরমাল দিনে যদি সাড়ে তিন ঘণ্টা পড়েন তাহলে ছুটির দিনে ৫-৬ ঘণ্টা করে পড়ুন। আর অবশ্যই ছুটির দিনে পর্যাপ্ত ঘুমাবেন, ভালো খাওয়া-দাওয়া করবেন, বাইরে বেড়াবেন। এতে মাইন্ড ফ্রেশ হয়ে আগামী দিনে এনার্জিটিকভাবে পড়াশুনা করতে পারবেন। প্রতি ছুটির দিনে একটা ভালো কোনো বই পড়ার অভ্যাস রাখুন। আশা করি ফ্যাক্টটা বুঝতে পেরেছেন।

2957 views Answered

রাত জাগা ক্ষতিকর। তাই রাত জেগে পড়ার কোনো প্রয়োজন নেই। আপনার শরীর ও পড়াশোনা ঠিক রাখতে আপনার নিয়মানুবর্তিতা ও সময়ানুবর্তিতা তথা শৃঙ্খলার উপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত। প্রতিদিন ভোর ৪টায় ঘুম থেকে উঠবেন। ১০-১৫ মিনিট হালকা ব‍্যায়াম করে ফজর নামাজের আগ পর্যন্ত পড়াশোনা করবেন। তারপর ফজর নামাজ পড়ে ও কুরআন তিলাওয়াত করে আবার পড়তে বসবেন। পড়াশুনা শেষে সকাল ৮টার মধ‍্যে গোসল ও খাওয়া-দাওয়া করে অতঃপর স্কুলে যাবেন। স্কুলে যোহরের নামাজের আগ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে ক্লাস করবেন। তারপর দুপুর ২টার মধ‍্যে যোহর নামাজ ও খাওয়া-দাওয়া করে মনোযোগ দিয়ে পুনরায় ক্লাস করবেন। স্কুল ছুটি শেষে ফ্রেশ হয়ে মসজিদে গিয়ে আসর নামাজ আদায় করবেন। আসর নামাজের পর থেকে মাগরিব নামাজের আগ পর্যন্ত খেলাধুলা করবেন অথবা ঘুরে বেড়াবেন। মাগরিব নামাজ পড়ে পড়তে বসবেন। অতঃপর এশার নামাজ পড়ে রাত ৮টা-৯টার মধ‍্যে খাওয়া-দাওয়া করবেন। এরপর রাত ১০ টা পর্যন্ত পড়াশোনা করে ঘুমিয়ে পড়বেন। রাত ১০টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত ৬ঘন্টা ঘুম ও বিশ্রাম নিন। এভাবে কন্টিনিউ করলে আপনার মধ‍্যে শৃঙ্খলা আসবে এবং এগুলো আপনার ভালো অভ‍্যাসে পরিণত হবে। ফলে আপনি ইহকাল ও পরকাল উভয় জায়গাতেই ভালো রেজাল্ট করতে পারবেন। আল্লাহ আমাদের মেধা ও জ্ঞান শক্তি বৃদ্ধি করুক। আমিন। ধন‍্যবাদ।

2957 views Answered

রাত জেগে পড়তে হলে আপনি রাতের খাবার আরো পরে করতে হবে মানে যখন আপনার প্রচন্ড ঘুম পাবে তখন। তাহলে দেখবেন ঘুম কেটে যাবে এবং পড়ার জন্য উৎসাহী হবেন।

2957 views Answered

Related Questions

Next steps