2 Answers

ঘি-এর অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে। শরীরের দুবলতা কাটাতে, শরীরের সুস্থতা বজায় রাখতে কিংবা শরীরের অন্যান্য অনেক দিকে উপকারিতা রয়েছে ঘি-এর। ঘি-এ থাকা ভিটামিন, মিনারেল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেকোনো রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে দারুণ উপাদেয়। ঘি-এর কয়েকটি স্বাস্থ্য উপকারিতা হলো: ১| হজমে উন্নতি ঘটায়। ২| পুষ্টির ঘাটতি মেটায়। ৩| শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ৪| শরীরের তাপ বাড়ায়। ৫| দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ৬| মস্তিষ্কের উন্নতি ঘটায়। ৭| ক্যান্সার প্রতিষেধক। ৮| চুলের খুশকি কমায়।

2965 views

ঘিয়ের বহু উপকারিতা তো রয়েছেই, ঘি কিন্তু ওজন কমাতেও সাহায্য করে। জেনে নিন কী কী কাজ করে ঘি। ১। স্ফুটনাঙ্ক- ঘি-এর স্ফুটনাঙ্ক খুব বেশি। ২৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত ঘি গরম করা যায়। অধিকাংশ তেলই এই তাপমাত্রায় গরম করলে ক্ষতিকারক হয়ে যায়। ২। নষ্ট হয় না- ঘি সহজে নষ্ট হয় না। প্রায় ১০০ বছর পর্যন্ত ঠিক থাকে ঘি। ৩। স্বাদ- সুন্দর গন্ধ ও স্বাদ অথচ অধিকাংশ দুগ্ধজাত দ্রব্যের মতো ঘি থেকে অ্যালার্জি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ৪। ভিটামিন- ভিটামিন এ ও ই থাকায় ঘি পুষ্টিগুণে ভরপুর। ৫। কনজুগেটেড লিনোলেক অ্যাসিড- এই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের অ্যান্টি-ভাইরাল গুণ রয়েছে। যা ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। ডেলিভারির পর নতুন মায়েদের ঘি খাওয়ানো হয় এই কারণেই। ৬। ওজন ও এনার্জি- ঘিয়ের মধ্যে থাকা মিডিয়াম চেন ফ্যাটি অ্যাসিড খুব এনার্জি বাড়ায়। অধিকাংশ অ্যাথলিট দৌড়নোর আগে ঘি খান। এর ফলে ওজনও কমে। ৭। হজম ক্ষমতা- ঘিয়ের মধ্যে রয়েছে বাটাইরিক অ্যাসিড। এই অ্যাসিড হজম ক্ষমতা বাড়ায়। ৮। রোগ প্রতিরোধ- বাটইরিক অ্যাসিড শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ৯। খিদে বাড়ায়- হজম ক্ষমতা বাড়ানোর কারণে ঘি খিদে বাড়ায়।

2965 views

Related Questions