নিমপাতার গুনাগুন সম্পর্কে জানতে চাই..?
4 Answers
নিমের সব থেকে বড় গুণ হল এটি এন্টিসেপটিক হিসেবে কাজ দেয়।এটি ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে পারে। এটি ব্রণ,এলার্জি, মাথা ব্যথা,দাদ,কৃমি নির্মূল করতে,কফ সারাতেও কাজ দেয়।এছাড়া দাতের ক্ষয়,কোষ্ঠকাঠিন্য এর সমস্যা দূর করতেও কাজ দেয়।আপনি যদি ব্রণের জন্য এটি ব্যবহার করতে চান তাহলে নিমপাতার গুড়া এবং বেসন একত্রে করে মুখে লাগাতে পারেন,ইনশাল্লাহ সর্বোচ্চ ফল পাবেন। এছাড়া নিমপাতা বেটে ব্রনের উপর লাগালেও ভাল ফল পাওয়া যায়।
নিম পাতার গুনাগুন • কেটে বা ছিড়ে গেলে বা পোকার কামড় খেলে ক্ষতস্থানে নিমপাতা বাটা লাগিয়ে নিন। ইনফেকশন হবে না। ক্ষত তাড়াতাড়ি শুকোবে। • খুশকির সমস্যা থাকলে নিমপাতা পানিতে সিদ্ধ করুন। পানির রং সবুজ হলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করুন। শ্যাম্পু করার পর ওই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। • ত্বকে বিভিন্ন ধরনের রোগ হয়। কাঁচা হলুদ বাটার সঙ্গে নিমপাতা বাটা মিশিয়ে ব্যবহার করুন। • দাঁতে সমস্যা হলে বা মুখে দুর্গন্ধ হলে নিম ডাল দিয়ে দাঁত মাজুন। • পেটের সমস্যা হলেও নিমপাতা খেলে উপকার পাবেন।
মুখের দিক থেকে:-নিমের রস মুখে লাগালে অনেক উপকার পাবেন। তবে এর মধ্যে কয়েকটির নাম আমি বলতে পারি। প্রথমেই চোখের কথায় আসি - চোখের সমস্যা দূর করতে নিম পাতার রস খুবই অসাধারণ একটি জিনিস। প্রথমে নিম পাতা সেদ্ধ করে নিন। করার পর পুরপুরি ভাবে সেকে ঠান্ডা করে নিন।তারপর সেটা দিয়ে চোখ ধুয়ে নিলে চোখের যেকোন প্রদাহ, ক্লান্তি দূর হয় এবং সাথে লালচে ভাব দূর হয়।
এরপর বেটে রস বানিয়ে যদি মুখে নেওয়া যায় তবে দেখা যায় কি ব্রণ হলে ব্রণ সেরে যায়,ফুসকুড়ি হলে ফুসকুড়ি সেরে যায়,ডার্ক স্পট হলে সেটাও সেরে যায়। আবার যদি আপনি রস করে এর সাথে মধু নিয়ে বা মিশিয়ে মূখের ত্বকে ব্যাবহার করেন তবে ত্বকে উজ্জ্বল ভাব দেখা যাবে।
অন্য কাজ বলতে শরীরের ভেতর ও বাহিরের কাজ এবং হাত-পায়ের এবং চুলের সমস্যার কাজে ব্যাবহার করা হয়। সেগুলোর মধ্যে আমরা বলতে পারি জন্ডিস। জন্ডিস সারাতে হলে আমাদের যেটা করা লাগবে - ২৫-৩০ ফোটা নিম পাতার রস নিয়ে সামান্য পরিমানে মধু নিয়ে সকালে খালি পেটে খাবেন। জন্ডিস ভালো হয়ে যাবে।
জন্ডিস ছাড়াও নিম পাতা আরো একটি জিনিসে ভালো কাজ করে রূপচর্চা বিভাগ থেকে নিম রূপচর্চার জন্য আদর্শ একটা ঔষধি উদ্ভিদ। আপনি যদি নিম পাতা বেটে মাথায় লাগান তবে দেখবেন নিম পাতার রস আপনার চুল সুন্দরের সাথে সাথে উকুন দূর করবে।
নিম পাতার রস আরো অনেক ভাবে ব্যাবহার করা যায়।বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে নিম পাতা আদর্শ একটি ঔষধি উপাদান। শুধু যে পাতা তা নয় নিমের ছাল,ডাল,মূল পর্যন্ত কাজে লাগে অসুখ নিরাময় করতে।
আশাকরি বুঝতে পেরেছেন। বিস্ময়ের সাথেই থাকুন।
রুপচর্চায় নিমপাতায় উপকারিতা :
- ত্বকের যেকোন ক্ষতের দাগ দূর করার জন্যে সামান্য নিমপাতা বেটে লাগিয়ে নিতে পারেন।
- চার কাপ পানিতে এক মুঠো নিমের পাতা দিয়ে গরম করতে হবে এই পানি ঠান্ডা হলে চুল শ্যাম্পু করার পর এই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। খুশকি দ্রুত দূর হয়ে যাবে।
- নিম পাতা বেটে ও মধু মিশিয়ে ব্রণে লাগালে দ্রুত ব্রণ দূর হয়।
- ত্বকের কালো দাগের জন্য্র সামান্য নিমপাতার রস মধুতে মিশিয়ে লাগিয়ে নিন। ১০ মিনিট ধুয়ে নিন।
- মেটাবলিজম বৃদ্ধি করিতে একমুঠো নিম ফুল চূর্ণ করে নিন। আপনি এর সাথে এক চামুচ মধু এবং আধা চামুচ লেবুর রস দিয়ে ভালোভাবে মিশান।প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই মিশ্রণটি পান করুন।
- ভালো ফল পেতে নিমের কচি পাতার রস প্রতিদিন সকালে খালি পেটে পান করুন। রক্তে সুগার লেবেল নিয়ন্ত্রণ করে।
- ছত্রাকের ক্ষেত্রে নিম পাতার পেস্ট বানিয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগালে নিরাময় লাভ করা যায়।কফ জনিত বুকে ব্যাথা দূর করে।
- দাঁত মজবুত করে ও দাঁতের ক্ষয় রোধ করে।
- অ্যালার্জি দূর করতে নিমপাতা কার্যকরী।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy