4 Answers

  • ১।গাজর খেলে বৃদ্ধি পাবে আপনার দৃষ্টিশক্তি। এতে আছে বেটা ক্যারোটিন যা আমাদের লিভারে গিয়ে ভিটামিন এ তে বদলে যায়। যা পরে চোখের রেটিনায় গিয়ে পৌছিয়ে চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে, সেই সাথে রাতের বেলায় অন্ধকারেও চোখের ভাল দেখার জন্য দরকারি এমন এক ধরনের বেগুনি পিগ্মেন্ট এর সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়ে দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখতে সাহায্য করে গাজর।
  • ২. গাজর যারা খান তাদের ক্যান্সারের ঝুকি কম থাকে। গাজরে আছে falcarinol এবং falcarindiol যা আমাদের শরীরে এন্টিকান্সার উপাদানগুলোকে রিফিল করে। তাই গাজর খেলে ব্রেস্ট, কোলন, ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার ঝুকি কম থাকে।
  • ৩. গাজর শুধু শরীরের জন্য ভাল তাই নয় এটি আমাদের জন্য এন্টি এজিং উপাদান হিসেবেও কাজ করে। এতে যে বেটা ক্যারোটিন আছে তা আমাদের শরীরের ভেতরে গিয়ে এন্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে আমাদের শরীরের ক্ষয়প্রাপ্ত সেলগুলোকে ঠিকঠাক করে যা সাধারন মেটাবোলিজমের কারনে হয়ে থাকে। এছাড়াও এটি এজিং সেলগুলোর গতি ধীর করে দিতে সাহায্য করে, ফলে আপনি ধরে রাখতে পারবেন আপনার যৌবনকে অধিক সময়ের জন্য।
  • ৪. সুন্দর ত্বকের জন্যও গাজর খেতে পারেন। এটা আপনার ত্বককে ভেতর থেকে সুন্দর করে তুলতে সাহায্য করবে। এর ভিটামিন এ ও এন্টিওক্সিডেন্ট আপনার ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দুর করবে। সেই সাথে ভিটামিন এ ত্বকের অযাচিত ভাঁজ পড়া, কালো দাগ, ব্রন, ত্বকের রঙের অসামাঞ্জসসতা ইত্যাদি দূর করে আপনাকে সুন্দর হয়ে উঠতে সাহায্য করবে।
2683 views

গাজর খাওয়ার উপকারিতা সমূহঃ 

১. ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখে : শরীর থেকে সব ধরনের টক্সিক উপাদান বের করে দেওয়ার মধ্য দিয়ে ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখতে এই উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে। সেই সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থাকে এতটাই শক্তিশালী করে তোলে যে ছোট-বড় কোনো রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। 

প্রসঙ্গত, শীতকালে নানা কারণে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খুব দুর্বল হয়ে যায়। 

২. চোখকে সুরক্ষিত রাখে : দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটানোর পাশপাশি সার্বিকভাবে শরীরকে চাঙ্গা রাখতে গাজরের কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ এই সবজিটির ভেতরে থাকা ভিটামিন এ এবং উপকারি বিটা ক্যারোটিন চোখের ক্ষমতা অনেক বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে ছানি পড়ার মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমায়।

৩. হার্টকে সুরক্ষিত রাখে : ১০০ গ্রাম গাজরে থাকে দিনের চাহিদার প্রায় ৩৩ শতাংশ ভিটামিন এ, ৯ শতাংশ ভিটামিন সি এবং ৫ শতাংশ বি৬। সেই সঙ্গে প্রচুর মাত্রায় থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই সবকটি উপাদান হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের কোনো ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে শূন্যে এসে দাঁড়ায়।

৪. ত্বক ভালো রাখে : শীতকাল মানেই স্কিনের আদ্রতা হারিয়ে যাওয়া এবং সেই সঙ্গে নানাবিধ ত্বকের রোগের মাথা চাড়া দিয়ে ওঠা। এমন পরিস্থিতিতে ত্বককে বাঁচাতে পারে একমাত্র গাজর। কারণ এই সবজিটির মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের ভেতরে জমে থাকা টক্সিক উপাদানদের শরীর থেকে বের করে দেয়। সেই সঙ্গে কোলাজেনের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। ফলে ত্বক উজ্জ্বল এবং প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। তবে এখানেই শেষ নয়, গাজরের অন্দরে থাকা একাধিক ভিটামিন এবং মিনারেল ড্রাই স্কিনের সমস্যা দূর করতে, কালো কালো ছোপ দাগ কমাতে এবং বলিরেখা ভ্যানিশ করতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৫. ডায়াবেটিসকে প্রতিরোধ করে : গাজরে থাকা ভিটামিন এবং মিনারেল ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা এতটা বাড়িয়ে দেয় যে ডায়াবেটিস রোগ ধারে কাছে ঘেঁষার সুযোগ টুকু পায় না।  

৬. লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়ায় : বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে লিভারের ভেতরে থাকা বর্জ্য পদার্থদের বের করে দিয়ে শরীরে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই অঙ্গটির কর্মক্ষমতা বাড়াতে গাজরের কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে

2683 views
    1। গাঁজরের রয়েছে প্রচুর ভিটামিন 'এ', 'সি', 'কে' এবং ফাইবার। ভিটামিন 'এ' দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।
    ২। ক্যালসিয়ামের সঙ্গে দুধের মিশ্রনে হতে পারে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার। সেই হিসেবে গাঁজরের সঙ্গে কাজু বাদাম আর কিশমিশ মিশিয়ে তৈরি করতে পারেন এ খাবার আইটেম। এতে তৈরি হবে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও। তাই প্রতিদিন গাজরের হালুয়া খাওয়ার ফলে অনেক উপকার পাবেন।
    ২। গাজরে থাকা ভিটামিন এবং মিনারেল ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা এতটা বাড়িয়ে দেয় যে ডায়াবেটিস রোগ ধারে কাছে ঘেঁষার সুযোগ টুকু পায় না।
    ৩। শীতে বুকের ওপরের অংশে সংক্রমণ বাড়লে গাঁজরে থাকা ভিটামিন 'এ' আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে উন্নত করবে যা আপনাকে রক্ষা করবে সংক্রমণ থেকে।
    ৪। মৌসুমী খাবার সবসময় উপকারী। যেমন, শীতকালে সূর্যের ইউভি রশ্মি থেকে নিজেদের রক্ষার জন্য সানস্ক্রিন ব্যবহার করি। গাঁজর একটি বিটা-ক্যারোটিন সমৃদ্ধ সবজি যা ইউভি রশ্মিকে অবরোধ করে, ত্বককে রক্ষা করে ক্ষতিকর এই উপাদান থেকে। এ জন্য শীতে গাঁজরের হালুয়াকে করতে পারেন বাধ্যতামূলক।
    ৫। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো ঘরে তৈরি গাঁজর বাইরের খাবারের চেয়ে অন্তত স্বাস্থ্যকর। ফলে ১০০ গুণ পুষ্টি সমৃদ্ধ এ খাদ্যটি গ্রহণে আর কোনো যুক্তির প্রয়োজন পড়ে না।
    ৬। গাঁজরকে খারাপ মনে করার কোনো কারণ নেই। এতে রয়েছে ভিটামিন 'ডি' যা কেবল আপনার শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান দূর করতে সাহায্য করবে না, আপনার দৃষ্টিশক্তিও উন্নত করবে। এতে নেই কোনো ক্যালোরিও। ফলে এ সংক্রান্ত সমস্যার নেই কোনো কারণও।
    ৭। ওপরের সমস্ত গুণাগুণ যদি বাদ দেওয়া হয়, তবু শুধু ত্বকের পরিচর্যায়ও আপনি গাঁজরের হালুয়া খেতে পারেন। শীতকালে ত্বকের শুষ্কতা ও অনুজ্জ্বল ভাব কাটিয়ে এটি আপনার ত্বককে করে তুলবে উজ্জ্বল প্রাণবন্ত।
2683 views

নিয়মিত গাজর খাওয়ার অনেক উপকারিতা রয়েছে।এর মধ্যে নিম্নে কিছু উল্লেখ করা হলো *সুন্দর ত্বক পাওয়ার জন্য গাজরের বিকল্প নেই।নিয়মিত গাজর খেলে ত্বকের রোদে পোড়া ভাব,ব্রণ,কালো দাগ ইত্যাদি সহজেই দূর হয়ে যায়। *গাজর খেলে সহজেই কোষ্ঠকাঠিন্য খেকে রক্ষা পাওয়া যায়। *গাজরে ক্যারোটিন হৃৎপিণ্ডের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা। *নিয়মিত গাজর খাওয়ার মাধ্যমে লিভারের অতিরিক্ত চর্বি অপসারণ করা সম্ভব। তাই আমাদের প্রতিদিন কমপক্ষে একটি গাজর খাওয়া দরকার।

2683 views

Related Questions