2 Answers
আপনি ব্যাখ্যাতে তেমন কিছু বলেননি তাই সর্বপ্রথম প্রেগনেন্সি টেস্ট করান। দু মাস আগে যদি নিয়মিত ও কোন সমস্যা ছাড়াই পিরিয়ড হয়ে থাকে তবে পিরিয়ড বন্ধ হওয়া প্রেগনেন্ট হওয়াকে নির্দেশ করে। অবশ্য যদি অন্য কোন রোগ বা কোন ওষুধ সেবনের প্রতিক্রিয়া থাকে তবে এমন হতে পারে। তাই নিশ্চিত হতে প্রেগনেন্সি টেস্ট করান।
আপনি কি বিবাহিতা নাকি অবিবাহিতা তা প্রশ্নে উল্লেখ্য করেন নি। তবে মাসিক বন্ধ হওয়া কিছু কারন থাকে সেই কারন বসত মাসিক পিছিয়ে যায়।
যদি আপনি অবিবাহিতা হোন তাহলে মাসিক বন্ধ হতে পারে , অনিয়মিত মাসিক হলে ,হরমোন জনিত সমস্যা থাকলে,রক্তশুন্যতা ও শারীরিক দুর্বলতা। আয়রনের অভাব । যোনিতে ইনফেকশন হলেও মাসিক বন্ধ হয়ে যেতেে পারে।
সেক্ষেত্রে আপনি প্রথমত ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে যাবেন সেখানে কিশোরীদের স্বাস্থ্য বিষায়ক সমস্যার সমাধান ও পরামর্শ দিয়ে থাকেন এবং ফ্রি চিকিৎসা দেন।
যদি আপনি বিবাহিতা হোন তাহলে
মাসিক বন্ধ হতে পারে , মাসিক অনিয়মিত হলে, গর্ভে সন্তান আসলে মাসিক বন্ধ হবে,যোনিতে ইনফেকশন হলে,জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল খেলে,হরমোন জনিত সমস্যা হলে,ওজন( ৭০+ কেজি) বেশি হলে, আর্লি প্রেগনেন্সি লস,ওজন কম, স্বাস্থ্য সমস্যার কারনেও মাসিক বন্ধ হতে পারে।
সেক্ষেত্রে আপনি প্রথমত স্ট্রিপ কাটি দিয়ে প্রেগন্যান্সি টেস্ট করুন, যদি রেজাল্ট পজেটিভ আসে তাহলে আপনি গর্ভবতী হবেন। যদি রেজাল্ট নেগেটিভ আসে তাহলে একজন গাইনি বিশেষজ্ঞ কাছে চিকিৎসা নিন।
ধন্যবাদ