নামায ও অযুর বিকল্প পদ্ধত্তি...!?
2 Answers
আপনাকে তায়াম্মুম করে নামায পড়তে হবে।আর দাঁড়াতে বা বসতে সমস্যা হলে শুয়ে নামাজ পড়তে পারবেন।এতে সমস্যা নেই।এক্ষেত্রে আপনাকে ইশারা করে নামায পড়তে হবে।
প্রথমে দাঁড়ানো বা বসে নামাজ পড়া বিষয়ে কিছু কথা বলে মূল কথায় যাবো। একজন মানুষ কখন দাঁড়িয়ে বা বসে নামাজ পড়তে অক্ষম বলা যাবে? এমন সমাধান ফেকাহর গ্রহনযোগ্য কিতাব গুলোতে বর্ণনা করা হয়েছে। এখানে দুই একটি দলীল উপস্থাপন করলাম; ফাতওয়ায়ে শামীতে এসেছে, যতটুকু দাড়িয়ে থাকা সম্ভব ততটুকু দাঁড়িয়ে থাকবে, যদিও তা এক আয়াত বা তার চেয়ে কম হোক।এরপর অক্ষম হলে যেভাবে সম্ভব সেভাবে পড়বে।২/৯৭ আল্লামা ইবনুল হুমাম ফাতহুল কাদীরে লেখেন; যদি নিজে দাঁড়াতে না পারে বরং কোন কিছুতে ভর দিয়ে বা কারো শরীরে ভর দিয়ে দিয়ে নামাজ আদায় করতে সক্ষম হয় তাহলে সেভাবে আদায় করতে হবে।এমন ব্যক্তির জন্য বসে নামাজ জায়েজ নয়।২/৩ এমন অবস্থা যদি বসার ক্ষেত্রে হয়, অর্থাৎ নিজে বসতে পারেনা তবে অন্যের সাহায্যে বা কোন কিছুতে হেলান দিয়ে বসতে পারে তাহলে সেভাবেই নামাজ আদায় করতে হবে।(আল মুহিতুল বুরহানি,২/২৭২) এখন যদি হয় উপরোল্লেখিত দুই পদ্ধতির কোনটাই গ্রহণ করা সম্ভব না হয়, অর্থাৎ দাঁড়িয়ে বা বসে যেকোন পদ্ধতি অবলম্বন করলে অসুস্থতা বৃদ্ধি বা অত্যন্ত কষ্ট হয় তাহলে চেয়ারে বসে বা শুয়ে ইশারায় নামাজ আদায় করা যাবে।(আল-জাওহারা,১/৩১২) (আল-বাহরুর রায়েক,২/১২৩) এখন আপনি নির্ণয় করে আপনার অবস্থান অনুযায়ী নামাজ আদায় করুন! তায়াম্মুম কিভাবে করবেন। প্রথমে যা দিয়ে তায়াম্মুম করবেন তা দিয়ে পবিত্রতা অর্জনের নিয়াত করতে হবে। এরপর,দুই হাত মাটি বা মাটি জাতীয় কোন জিনিসের উপর মেরে পুরা চেহারা মাসাহ করতে হবে। এরপর আরেকবার মেরে দুই হাতের কনুই থেকে আঙ্গুলের মাথা পর্যন্ত মাসাহ করতে হবে। মনে রাখবেন! চেহারা এবং হাতের কোন অংশ যেন মাসাহ থেকে বাদ না পড়ে, তাহলে মাসাহ হবেনা।(শরহুল বেকায়া,১/৯০) বি.দ্র. কোন বিষয়ে অস্পষ্ট থাকলে মন্তব্য করবেন!