3 Answers
যদি প্রযুক্তি ব্যবহার করতে চায় তাহলে তাই দেয়া হবে। কিন্তু সেখানে এই মনোভাব নাও থাকতে পারে।কুরআনে এদিকে ইঙ্গিত করে বলা হয়েছে;সূরা নাহল:31 - সর্বদা বসবাসের উদ্যান, তারা যাতে প্রবেশ করবে। এর পাদদেশে দিয়ে স্রোতস্বিনী প্রবাহিত হয় তাদের জন্যে তাতে তা-ই রয়েছে, যা তারা চায় এমনিভাবে প্রতিদান দেবেন আল্লাহর পরহেযগারদেরকে, সূরা যুখরুফ:71 - তাদের কাছে পরিবেশন করা হবে স্বর্ণের থালা ও পানপাত্র এবং তথায় রয়েছে মনে যা চায় এবং নয়ন যাতে তৃপ্ত হয়। তোমরা তথায় চিরকাল অবস্থান করবে।
বেহেশতে মানুষ প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারবে কি পারবেনা এমন প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট ভাষায় কোরআন ও হাদিসের কোথাও উল্লেখ করা হয়নি। তবে ঈমান ও নেক আমলের সুবাদে যে সব নর-নারী পরকালে জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের মন যা চায় এবং যা দাবী করবে তাই সরবরাহ করা হবে। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, আর সেখানে অর্থাৎ জান্নাতে তোমাদের জন্য তোমাদের মন যা চায় তা-ই আছে; তোমরা যে জিনিসের আকাঙ্ক্ষা কর, তোমাদের জন্য সেখানে তা-ই আছে। (সূরা হা-মিম সিজদা বা ফুসসিলাত আয়াতঃ ৩১) তাফসীরে বলা হয়েছেঃ ফেরেশতাগণ মুমিনদেরকে বলবে, তোমরা জান্নাতে মনে যা চাইবে তাই পাবে এবং যা দাবী করবে তাই সরবরাহ করা হবে। এর সারমর্ম এই যে, তোমাদের প্রতিটি বাসনা পূর্ণ হবে-তোমরা চাও বা না চাও। অতঃপর আপ্যায়নের কথা বলে ইঙ্গিত করা হয়েছে যে, এমন অনেক নেয়ামতও পাবে, যার আকাঙ্খাও তোমাদের অন্তরে সৃষ্টি হবে না। যেমন মেহমানের সামনে এমন অনেক বস্তুও আসে যার কল্পনাও পূর্বে করা হয় না, বিশেষতঃ যখন কোন বড় লোকেরা মেহমান হয়। হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যদি জান্নাতী ব্যক্তি নিজ গৃহে সন্তান জন্মের বাসনা করে, তবে গৰ্ভধারণ, প্রসব, শিশুর দুধ ছাড়ানো এবং যৌবনে পদাৰ্পন সব এক মুহূর্তের মধ্যে হয়ে যাবে। (তিরমিয়ীঃ ২৫৬৩)
জান্নাতের বিভিন্ন ধরনের নাজ-নেয়ামতের ভিতরে দুনিয়ার এসব সমান্য প্রযুক্তির কথা আপনার মাথায় ই থাকবে না। আপনার দুনিয়ার জিবনের কথা আপনি ভুলে যাবেন।সেখানে আপনার মন যা চাই তারই ব্যবহার করতে পারবেন।