3 Answers

এখানে অাপনি কি ধরনের কথা বলবেন তার উপর গুনাহ নির্ভর করে,,অাপনি যদি অতি প্রয়োজনে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেন অাশা করা যায় গুনাহ হবেনা,,তবে যদি মেয়ের সাথে ভালোবাসার কথা তার সৌন্দর্যের কথা বা খারাপ কোন বিষয়ে কথা বলেন তাহলে গুনাহ হবে,,,দেখা গেলো অাপনাদের মাঝে কথা বলার এক পর্যায়ে ছবি মোবাইল নাম্বার অাদান প্রদান হবে এবং তার মাধ্যমে শেষ পযন্ত অবৈধ সম্পর্ক সৃস্টি হতে পারে,,,তাই সর্বদা এসব বিষয়ে নিজে সতর্ক থাকুন,,,ধন্যবাদ

3054 views

আল্লাহ মুমিন দের গুণাবলি দিতে গিয়ে বলেন যারা অনর্থক কথা-বার্তায় নির্লিপ্ত(সুরা মুমিন ৩) বেগানা মেয়েদের সাথে অপ্রয়োজনীয় কথা বলা জিহ্বা র জিনা,, তার দিকে হেটে যাওয়া পায়ের জিনা, তাকে দেখা চোখের জিনা,, এভাবে লজ্জাস্থান তা পুর্ন করে দেয়,,, এই হাদিসটা সবাই জানি একজন মেয়ের হাসি, কান্না, চাহনি- সবকিছুতেই রয়েছে পুরুষের জন্য আকর্ষণ। মেয়েদের সাথে অপ্রয়োজনীয় কথা বললে সেখানে দিগুন গুনাহ হয়,, একটা অপ্রয়োজনীয় কথা বলতে গিয়ে,, আর অপরটি জিনার গুনাহ,,

3054 views

পুরুষের সাথে নারী অথবা নারীর সাথে পুরুষ কথা বলতে পারবে, তবে না বলাই শ্রেয়। যদি কোন খুব দরকার দেখা দেয়, তাহলে তখন বললে কোনো সমস্যা হবে না। (তরীকুল ইসলাম, প্রথম খন্ড, পৃষ্ঠা নং ১৯৭)। আল্লাহ তায়ালা এ সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেছেন, "হে নবী-পত্নিগণ !, তোমরা অন্য কোন নারীর মত নও। যদি তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর, তবে (পরপুরুষের সাথে) কোমল কণ্ঠে কথা বলো না, তাহলে যার অন্তরে ব্যাধি রয়েছে সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায়সঙ্গত কথা বলবে। (সুরা আহযাব, আয়াত নং ৩২)। উক্ত আয়াতের নির্দেশাবলীতে সম্বোধন যদিও পবিত্রা স্ত্রীগণকে করা হয়েছে, যাঁদের প্রত্যেককে 'উম্মুল মু'মিনীন' (মু'মিনদের মাতা) বলা হয়েছে, তবুও বর্ণনা ভঙ্গীতে প্রকাশ পাচ্ছে যে, উদ্দেশ্য সমগ্র মুসলিম নারীকে বোঝানো ও সতর্ক করা। অতএব উক্ত নির্দেশাবলী সমগ্র মুসলিম নারীর জন্য মান্য ও পালনীয়। আর পুরুষদের ক্ষেত্রেও উক্ত নির্দেশাবলী বিদ্যমান।  

3054 views

Related Questions