2 Answers
আপনি ভালো একটি প্রশ্ন করেছেন। বর্তমানে এর জন্য মুসলমানেরা বিভ্রান্তির পথে ধাবমান হচ্ছে। এ সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন, "কোন ব্যক্তি যেই জাতির অনুকরণ করবে, সে তাদের অন্তর্ভুক্ত বলেই গণ্য হবে।" (আবু দাউদ)। আনাস ইবনে মালিক (রা.) বর্ণিত, তিনি বলেন, "রাসূলুল্লাহ (সা.) যখন (মদীনায়) আসলেন, তখন তাদের দুটো উৎসবের দিন ছিল। তিনি (সা.) বললেন, ‘এ দুটো দিনের তাৎপর্য কি?’ তারা বলল, ‘জাহিলিয়াতের যুগে আমরা এ দুটো দিনে উৎসব করতাম।’ রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘আল্লাহ তোমাদেরকে এদের পরিবর্তে উত্তম কিছু দিয়েছেন: ইয়াওমুদ্দুহা ও ইয়াওমুল ফিতর ।" (সূনান আবু দাউদ)। এ হাদীস থেকে দেখা যাচ্ছে যে,ইসলাম আগমনের পর ইসলাম বহির্ভূত সকল উৎসবকে বাতিল করে দেয়া হয়েছে এবং নতুনভাবে উৎসবের জন্য দুটো দিনকে নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই সাথে অমুসলিমদের অনুসরণে যাবতীয় উৎসব পালনের পথকে বন্ধ করা হয়েছে। মদীনায় ইসলামপূর্বে দু’টি উৎসব চালু ছিল। নওরোয ও মেহেরজান নামে। সাহাবীগণ ওই দুটি উৎসব পালন করতে চাইলে রাসূলুল্লাহ (সঃ) তা পালনের অনুমতি দেননি। বরং এর উত্তম বিকল্প হিসেবে মুসলমানদের জন্য স্বতন্ত্র দুটি ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা উপহার দিয়েছেন। এ থেকে এ সত্যটি অনুধাবন করা যায় যে যদি মুসলমানদের জন্য অন্যদের উৎসব পালন করার সুযোগ থাকতো তাহলে তিনি ওই উৎসব পালন করা থেকে সাহাবীদের বিরত করতেন না। আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রা. বলেছেন "যারা বিধর্মীদের মত উৎসব করবে, কিয়ামত দিবসে তাদের হাশর ঐ লোকদের সাথেই হবে।" (আস্সুনানুল কুবরা,হাদীস ১৫৫৬৩)। রাসূলুল্লাহ (সঃ) আরো বলেছেন, "যে ব্যক্তি অন্য ধর্মাবলম্বীদের সাদৃশ্যতা অবলম্বন করবে সে তাদের অন্তুর্ভূক্ত।" (আবূ দাউদ)। তাই, উক্ত হাদীসগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী বলা যায়, ইসলামে শুধু ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহা ছাড়া সকল উৎসবই বাতিল বলে গণ্য হবে।
আল্লাহ তাআলা বলেছেন, নিশ্চয় আমার নিকট গ্রহনযোগ্য দ্বিন বা ধর্ম একটি সেটা ইসলাম! সুরা আলে ইমরান আয়াত ১৯এর প্রথমাংশ।তো ইসলাম একমাত্র সঠিক ধর্ম এবং বাকি ধর্ম গুলি বাতিল ধর্ম।তাহলে মুসলমানরা জানে যে ,তাদের ধর্ম সঠিক আর ধর্ম যেহেতু সঠিক তাহলে সে ধর্মের উৎসবগুলিও সঠিক।আর অন্যান্য ধর্ম যেহেতু বাতিল,বানানো,ভূয়া তাই তাদের উৎসবগুলিও বাতিল বানানো ভূয়া।আর মুসলমানরা জানে যে অন্য ধর্মের উৎসব বাতিল তাই তারা তা পালন করেনা।