5 Answers
প্রতিদিন খাদ্য গ্রহণের পর সকালে কিংবা রাতে দু'বার নিয়মিতভাবে দাঁত ব্রাশ করতে হবে। এর ফলে দাঁতের গঠন সুন্দর এবং মজবুত হবে ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে। বিশেষ করে ফ্লুরাইডযুক্ত টুথপেস্ট বা মাউথওয়াশ ব্যবহার করা উচিত, যা দাঁতকে ব্যাথা ও পোকার হাত থেকে সুরক্ষিত রাখবে।
দাঁতে পোকা থাকার কোনো উপস্থিতি বিজ্ঞানীরা পাননি। দাঁতে পোকা হয় এ বিষয়টি আসলে ভ্রান্ত। তাহলে অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে দাঁতে যদি পোকা না থাকে তাহলে এই গর্ত হয় কেন? আমরা প্রতিদিন যে খাবার খাই তার কিছু অংশ দাঁতের ফাঁকে বা মুখে থেকে যায়, জমা হয়ে থাকে। এই জমা খাবার মুখে বসবাসরত বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে মিশে এক প্রকার এসিড তৈরি করে; যা দাঁতের অ্যানামেলকে নষ্ট করে। সেখান থেকে ডেন্টাল ক্যারিজ শুরু হয় এবং তা থেকেই দাঁতের গর্ত হয়। চিনি মেশানো দুধ, মিষ্টিজাতীয় খাবার দাঁতের ওপর ডেন্টাল প্লাক তৈরি করে; যা জিবাণুযুক্ত। আর এই প্লাককেই এ রোগের অন্যতম প্রভাবক বলে মনে করা হয়। লক্ষণঃ দাঁতে প্রথম এই ছোট গর্ত দেখা যায়। এটি ধীরে ধীরে বড় হয় এবং তা পরবর্তীকালে প্রদাহজনিত রোগে রূপান্তরিত হয়। এ সময় বেশ ব্যথা অনুভূত হয়। প্রতিরোধঃ যেকোনো খাবার গ্রহণের পর ভালোভাবে কুলকুচি করবেন। ব্রাশ করার পাশাপাশি ডেন্টাল ফ্লশ ব্যবহার করতে পারেন। এতে এ ধরনের সমস্যা অনেকখানি এড়াতে পারবেন। আর বেশি সমস্যা মনে হলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। দাঁতের যত্ন নিন, ভালো থাকুন।
আদা - এক টুকরো আদা কেটে নিন এবং যে দাঁতে ব্যথা করছে সে দাঁত দিয়ে চিবাতে থাকুন। যদি চিবাতে বেশি ব্যথা লাগে তাহলে অন্য পাশের দাঁত দিয়ে চিবিয়ে যে রস এবং আদার পেস্ট তৈরি হবে সেটা ওই আক্রান্ত দাঁতের কাছে নিয়ে যান। জিহ্বা দিয়ে একটু চেপে রাখুন দাঁতের কাছে। কিছুক্ষণের মাঝেই ব্যথা চলে যাবে।
আপনি প্রতিদিন ভিটামি ডি, ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খান। দাতঁ ভালো করে নিয়মিত ব্রাশ করুন। আর ডাক্তারের পরামর্শ মতে ক্যালবো ডি টেবলেট টি সেবন করতে পারেন। এত দাতেঁ ক্ষয় পূরন হবে এবং দাতঁ মজবুত হবে। আর দ্রুত একজন ডেন্টাল ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে আশাকরি আপনার দাতেঁর সকল সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।