2 Answers
কুফর কি ও এর বিস্তারিত
যে সব বিষয়ের প্রতি ঈমান আনতে হয় তার কোনটি অস্বীকার করা কুফ্রী। তবে মনে পরিপূর্ণ ঈমান রেখে কোন কারণে শুধু মুখে কুফরের বাক্য উচ্চারণ করাতে কোন ব্যক্তি কাফির হয়ে যাবে না। তবে যদি সুযোগ থাকে তবে তাও পরিহার করা ভাল।
নিম্নে কতিপয় কুফর -এর আলোচনা করা হল।
কুরআন-হাদীসের অকাট্য দলীল দ্বারা প্রমাণিত কোন বিষয় অস্বীকার করা যেমন ; নামায, রোযা ফরয হওয়াকে অস্বীকার করা, নামযের সংখ্যা, রাকআতের সংখ্যা, রুকু সাজদার অবস্থা, আযান, যাকাত, হজ্জ, ইত্যাদি বিষয়- এর কোনটি অস্বীকার করা কুফরী।
কোন মুসলমানকে কাফের আখ্যায়িত করা কুফরী।
কুরআন-হাদীসের অকাট্য দলীল দ্বারা প্রমাণিত কোন বিষয়ের এমন ব্যাখ্যা দেয়া যা কুরআন ও হাদীসের স্পষ্ট বিবরণের খেলাফ এটাও কুফরী
কুফর ও ভিন্ন ধম্যের কোন শিআর বা ধর্মীয় বিশেষ নিদর্শন গস্খহণ করা কুফরী। যেমন- হিন্দুদের ন্যায় পৈতা গলায় দেয়া, খৃষ্টানদের ক্রুশ গলায় ঝুলানো ইত্যাদি।
কুরআনের কোন আয়াতকে অস্বীকার করা বা তার কোন নির্দেশ সম্পর্কে ঠাট্রা-বিদ্রুপ করা কুফরী
কুরআন শরীফকে নাপাক স্থানে ও ময়লা আবর্জনার মধ্যে নিক্ষেপ করা কুফরী
ইবাদত ও তাযীমের নিয়তে কবরকে চুমু দেয়া কুফরী। ইবাদতের নিয়ত ছাড়া চুমু দেয়া গুনাহে কবীরা
দ্বীন ও ধর্মের কোন বিষয় নিয়ে উপহাস ও ঠাট্রা-বিদ্রুপ করা কুফরী
আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের কোন হুকুমকে খারাপ মনে করা এবং তার দোষ ত্রুটি অন্বেষণ করা কুফরী
ফেরেশতাদের সম্পর্কে বিদ্বেষভাব পোষণ করা বা তাদের সম্পর্কে কটুক্তি করা কুফরী
হারামকে হালাল মনে করা এবং হালালকে হারাম মনে করা কুফরী
কারও মৃত্যুতে আল্লাহর উপর অভিযোগ আনা, আল্লাহকে জালেম সাব্যস্ত করা কুফরী
কাউকে কুফরী শিক্ষা দেয়া কুফরী
হারাম বস্তু পানাহারের সময় বিসমিল্লাহ বলা, যেনার লিপ্ত হওয়ার সময় বিসমিল্লাহ বলা কুফরী
দ্বীনী ইলমের প্রতি তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য প্রদর্শন ও অবমাননাকর বক্তব্য প্রদান করা কুফরী
হক্কানী উলামায়ে কেরামকে দ্বীনী ইলমের ধারক বাহক হওয়ার দরুণ গালি দেয়া বা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করাও কুফরী
কেউ প্রকাশ্যে কোন গুনাহ করে যদি বলে যে আমি এর জন্য গর্বিত তাহলে সেটা কুফরী
আল্লাহ ও রাসূল সা. এর অবমাননা করা, আল্লাহ ও নবীকে পালি দেয়া এবং তাঁদের শানে বেয়াদবী করা কুফরী
যে যাদুর মধ্যে ঈমানের পরিপন্থী কুফর ও শিরকের কথাবার্তা বা কাজকর্ম থাকে তা কুফরী।
সূত্র- আহকামে জিন্দেগী।
যে সব বিষয়ের প্রতি ঈমান আনতে হয় তার কোনটি অস্বীকার করা কুফ্রী। তবে মনে পরিপূর্ণ ঈমান রেখে কোন কারণে শুধু মুখে কুফরের বাক্য উচ্চারণ করাতে কোন ব্যক্তি কাফির হয়ে যাবে না। তবে যদি সুযোগ থাকে তবে তাও পরিহার করা ভাল। নিম্নে কতিপয় কুফর -এর আলোচনা করা হল। কুরআন-হাদীসের অকাট্য দলীল দ্বারা প্রমাণিত কোন বিষয় অস্বীকার করা যেমন ; নামায, রোযা ফরয হওয়াকে অস্বীকার করা, নামযের সংখ্যা, রাকআতের সংখ্যা, রুকু সাজদার অবস্থা, আযান, যাকাত, হজ্জ, ইত্যাদি বিষয়- এর কোনটি অস্বীকার করা কুফরী। কোন মুসলমানকে কাফের আখ্যায়িত করা কুফরী। কুরআন-হাদীসের অকাট্য দলীল দ্বারা প্রমাণিত কোন বিষয়ের এমন ব্যাখ্যা দেয়া যা কুরআন ও হাদীসের স্পষ্ট বিবরণের খেলাফ এটাও কুফরী কুফর ও ভিন্ন ধম্যের কোন শিআর বা ধর্মীয় বিশেষ নিদর্শন গস্খহণ করা কুফরী। যেমন- হিন্দুদের ন্যায় পৈতা গলায় দেয়া, খৃষ্টানদের ক্রুশ গলায় ঝুলানো ইত্যাদি। কুরআনের কোন আয়াতকে অস্বীকার করা বা তার কোন নির্দেশ সম্পর্কে ঠাট্রা-বিদ্রুপ করা কুফরী কুরআন শরীফকে নাপাক স্থানে ও ময়লা আবর্জনার মধ্যে নিক্ষেপ করা কুফরী ইবাদত ও তাযীমের নিয়তে কবরকে চুমু দেয়া কুফরী। ইবাদতের নিয়ত ছাড়া চুমু দেয়া গুনাহে কবীরা দ্বীন ও ধর্মের কোন বিষয় নিয়ে উপহাস ও ঠাট্রা-বিদ্রুপ করা কুফরী আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের কোন হুকুমকে খারাপ মনে করা এবং তার দোষ ত্রুটি অন্বেষণ করা কুফরী ফেরেশতাদের সম্পর্কে বিদ্বেষভাব পোষণ করা বা তাদের সম্পর্কে কটুক্তি করা কুফরী হারামকে হালাল মনে করা এবং হালালকে হারাম মনে করা কুফরী কারও মৃত্যুতে আল্লাহর উপর অভিযোগ আনা, আল্লাহকে জালেম সাব্যস্ত করা কুফরী কাউকে কুফরী শিক্ষা দেয়া কুফরী হারাম বস্তু পানাহারের সময় বিসমিল্লাহ বলা, যেনার লিপ্ত হওয়ার সময় বিসমিল্লাহ বলা কুফরী দ্বীনী ইলমের প্রতি তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য প্রদর্শন ও অবমাননাকর বক্তব্য প্রদান করা কুফরী হক্কানী উলামায়ে কেরামকে দ্বীনী ইলমের ধারক বাহক হওয়ার দরুণ গালি দেয়া বা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করাও কুফরী কেউ প্রকাশ্যে কোন গুনাহ করে যদি বলে যে আমি এর জন্য গর্বিত তাহলে সেটা কুফরী আল্লাহ ও রাসূল সা. এর অবমাননা করা, আল্লাহ ও নবীকে পালি দেয়া এবং তাঁদের শানে বেয়াদবী করা কুফরী যে যাদুর মধ্যে ঈমানের পরিপন্থী কুফর ও শিরকের কথাবার্তা বা কাজকর্ম থাকে তা কুফরী। সূত্র- আহকামে জিন্দেগী।