6 Answers
অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করলে স্মৃতিশক্তি হ্রাস পায়। তাছাড়াও রাতে ঘুম না আসলে স্মৃতিশক্তি হ্রাস পেতে পারে। তথ্যসূত্রঃ- ("শারিরীক শিক্ষা" "নবম ও দশম শ্রেণী")
সাধারণত যে সকল কারণে স্বরণশক্তি বা স্মৃতিশক্তি কমে যেতে পারে: ১. বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্বাভাবিক ভাবেই অনেকের স্বরণশক্তি কমে যেতে থাকে। ২. কোনো কারণে মস্তিস্কে আঘাত লাগলে স্মৃতিশক্তি কমে যেতে বা স্মৃতি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ৩. বড় ধরনের শারীরিক অসুস্থতার জন্যেও অনেক সময় স্মৃতিশক্তি কমে যায়। এটা হরহামেশাই চোখে পড়ে। ৪. মানসিক চাপে থাকলে মানুষ অনেক কিছু ভুলে যায়। গবেষকদের মতে, মানসিক চাপ চিন্তার প্রখরতা, মনোযোগ আর স্মৃতিশক্তি হ্রাস করে। ৫. নিজস্ব ইচ্ছা, আবেগ, অনুভূতিগুলো মানুষের মস্তিষ্ক হতেই আসে। কেউ যখন এই ইচ্ছা, আবেগ, অনুভূতিগুলো রোধ করে রাখে তখন মস্তিষ্কও তার কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে ফলে দেখা দেয় বিস্মৃতি। ৬. সঠিক পুস্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবারের অভবে কমে যেতে পারে স্মৃতিশক্তি। ৭. নিয়মিত চর্চা না করলে মানুষের মস্তিষ্ক তার কার্যক্ষম হারিয়ে ফেলে ফলে স্মৃতিশক্তিও কমে যায়। ৮. সৃজনশীলতা মানুষের স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে দেয়। আর এর অভাবে স্মৃতিশক্তি কমে যায়। ৯. কোনো ঔষধের প্রভাবেও স্মৃতিশক্তি কমে যেতে পারে। স্মৃতি শক্তি কমে যাওয়ার পেছনে অন্য কোন শারীরিক বা মানসিক সমস্যা থাকতে পারে। কেউ যদি স্মৃতি শক্তি জনিত গুরুতর সমস্যায় ভোগেন তাহলে অবশ্যই তাকে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে।
স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাওয়ার কারণ
১৷ নিয়মিত ঘুম না হলে মস্তিষ্ক প্রয়োজনীয় বিশ্রাম পায় না। দীর্ঘদিন ধরে যারা অনিদ্রায় ভুগছেন, তাদের মধ্যে স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার প্রবণতা দেখা দিতে পারে।
২৷ সম্প্রতি বৃদ্ধদের ওপর চালানো এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, যারা প্রাকৃতিক দূষণের মধ্যে দীর্ঘদিন থেকেছেন তাদের মধ্যে স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার হার বেশি। তাই স্মৃতিশক্তি বাঁচাতে চাই দূষণমুক্ত পরিবেশ।
৩৷ খাদ্যাভ্যাসের কারণেও ক্ষতিগ্রস্ত হয় মস্তিষ্ক। অতিরিক্ত খাওয়া অথবা প্রয়োজনের তুলনায় কম খাওয়া স্মৃতি নষ্টের কারণ হতে পারে।
৪৷ দীর্ঘদিন ধরে একাকীত্ব ও হতাশায় ভুগলে স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
৫৷ বেশ কিছু গবেষণা অনুযায়ী, উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের মধ্যে স্মৃতি হারানোর প্রবণতা বেশি।
৬৷ অতীতে পরিবারের কারোর স্মৃতি হারানোর ইতিহাস থাকলে অনেক সময় এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে মানুষ। এজন্য যাদের পরিবারে এ ধরনের ইতিহাস রয়েছে, মস্তিষ্কে চাপ পড়ে এমন কোনো কাজ থেকে তাদের বিরত থাকা জরুরি।
মানসিক টেনশনের কারনে হ্রাস পায়,, কিংবা দেহে যথেষ্ট পরিমান পুষ্টি ঘাটতি হলে এটা হয়ে থাকে
আমাদের স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়ার অনেক কারণ - শারিরিক অসুস্থতা (যেমন- ক্রমাগত অপুষ্টিজনিত সমস্যা, তীব্র-অস্বাস্থকর পরিবেশ, গভীর আঘাত), মানসিক অস্থিরতা (যেমন- অতিরিক্ত কাজের চাপ, প্রিয়জনের ভালোবাসার অভাব, বেশি ভয় পেলে), আর্থ-সামাজিক সমস্যার নেতিবাচক প্রভাব (যেমন- অর্থনৈতিক দূর্বলতার কারণে পেশাগত হয়রানি, সামাজিক শাস্তি) ইত্যাদি। তবে আরেকেটি বিষয় আছে যা কম আলোচনা হয়, তা হচ্চে - ক্রমাগত অনৈতিকতা-অশ্লীলতার চর্চা। এর ফলে প্রথমে শারিরিক ও মানসিক সমস্যা তৈরী হয়, যা পরবর্তীতে মানুষের স্মৃতিশক্তিকে হ্রাস করে। স্মৃতিশক্তি রক্ষায় সৎ-সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy