বই নিয়ে দুই/একটা অজানা শব্দ মুখস্থ করতে চাইলে প্রচুর মাথাব্যাথা করে। কোনো কিছু নিয়ে চিন্তা করলে মাথাব্যাথা করে। মিষ্টিজাতিয়/ভাজাপড়া জিনিস বেশি খেলে মাথাব্যাথা করে। দাড়িয়ে থাকলে মাথাব্যাথা করে। কারো অযথা বকবকানি শুনলে মাথা ব্যাথা করে। কেন এত ম্যাথাব্যাথা করে ?এইটা থেকে উদ্ধারের উপায় কি ?
2999 views

4 Answers

*মাথা ব্যাথা করে কেনো,এবং তার প্রতিকার: দৈনন্দিন জীবনে মাথা ব্যথা খুব সাধারণ একটি সমস্যা। মাথা ব্যথা অনেক বিরক্তিকর, তবে বেশীর ভাগ মাথা ব্যথাই মারাত্মক রোগ নির্দেশ করেনা। দুশ্চিন্তা ও মাইগ্রেন শতকরা ৯০ ভাগ মাথা ব্যথার জন্য দায়ী। মাথা ব্যথা নানা রকমের। টেনশন হেডেক বা দুশ্চিন্তাজনিত মাথা ব্যথা, মাইগ্রেন হেডেক, ক্লাস্টার হেডেক, সাইনাস হেডেক, আর্জেন্ট হেডেক, আইহেডেক বা চক্ষুজনিত মাথা ব্যথা, হরমোনজনিত মাথা ব্যথা। তাছাড়া মগজের টিউমার, মগজের ঝিল্লির ভিতর রক্তপাত, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি কারণেও মাথা ব্যথা হয়। ১. টেনশন হেডেক বা দুশ্চিন্তাজনিত মাথা ব্যথা: মাথা ব্যথা মাথার উভয় দিকে হয়। মাথায় তীব্র চাপ অনুভূত হয় এবং ব্যথা ঘাড়ে সংক্রমিত হতে পারে। মানসিক চাপে ব্যথা বাড়তে পারে। পুরুষ, মহিলা সমানভাবে আক্রান্ত হয়। চিকিৎসা: সাধারণত বেদনা নাশক দ্বারা চিকিতৎসা করা হয়। স্বল্পমাত্রার ট্র্যাঙ্কুলাইজারও দেওয়া যেতে পারে। ২. মাইগ্রেন–এর মাথা ব্যথা: শতকরা ১০-১৫ ভাগ লোক এ ধরণের মাথা ব্যথায় আক্রান্ত হয়। মাইগ্রেন মহিলাদের বেশী হয়। সাধারণত: ১৫-১৬ বছর বয়স থেকে মাইগ্রেনের লক্ষণ দেখা দেয় এবং বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই ৪০-৫০ বছর বয়স পর্যন্ত স্থায়ী হয়। মাইগ্রেনের আক্রমণের সময় মগজের রাসায়নিক বাহক সেরোটনিন-এর মাত্রা বেড়ে যায় এবং মাথা বাইরের ধমনীগুলো প্রসারিত হয়। চিকিতৎসা : যেসব কারণে মাইগ্রেনের আক্রমণ বৃদ্ধি পায়, তা পরিহার করতে হবে। স্বল্পস্থায়ী চিকিতৎসা হিসাবে অ্যাসপিরিন বা প্যারাসিটামলের সাথে এন্টিইমেটিক যেমন প্রোক্লোরপেরাজিন, মেটাক্লোপ্র্যামাইড দেয়া যেতে পারে। তীব্র আক্রমণের চিকিত্সা হিসাবে সুমাট্রিপটিন, যা মাথার বাইরের ধমনীকে সংকুচিত করে, তা মুখে বা ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া যেতে পারে। আর্গোটামিন বিকল্প হিসাবে দেওয়া যেতে পারে। ঘন ঘন আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে প্রতিরোধকারী হিসাবে প্রোপানোলল, পিজোটিফেন বা অ্যামিট্রিপটাইলিন দেওয়া যেতে পারে। ৩. ক্লাস্টার হেডেক: ক্লাস্টার হেডেক মাইগ্রেনের চেয়ে কম হয়। এ ধরনের মাথা ব্যথা মধ্য বয়স্ক পুরুষদের বেশী হয়ে থাকে। কিন্তু মাইগ্রেন মহিলাদের বেশী হয়। চিকিতৎসা : চিকিত্সা হিসাবে উচ্চ মাত্রায় প্রদাহ বিনাশকারী (এন্টিইনফ্লামেটরী) দেওয়া হয়। সুমাট্রিপটিনও ফলপ্রসূ। আর্গোটামিন ও ভেরাপামিল রোগ প্রতিরোধের জন্য কার্যকর। অর্ধেকের বেশী রোগী ফেস মাস্কের মাধ্যমে ১০০% অক্সিজেন শ্বাসের সাথে নিয়ে উপকার পায়। ধূমপান ও মদ্যপান বর্জন করা উচিত। ৪. সাইনাস এর মাথা ব্যথা: যাদের ঘন ঘন সর্দি-কাশি হয়, তাদের সাইনুসাইটিস থেকে এ ধরণের মাথা ব্যথা হয়ে থাকে। চিকিতৎসা : চিকিতৎসা হিসাবে এন্টিবায়োটিক, এন্টিহিস্টামিন, নাজাল ডিকনেজস্ট্যান্ট বা নাজাল স্প্রে দেওয়া হয়। ৫. চক্ষুজনিত মাথা ব্যথা: শতকরা ৫ ভাগ মাথা ব্যথা চক্ষুজনিত। চোখের দৃষ্টিশক্তি কম থাকলে মাথা ব্যথা হতে পারে। অনেকক্ষণ পড়াশুনা করা, সেলাই করা, সিনেমা দেখা বা কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলেও মাথা ব্যথা হতে পারে। চোখের কোন রোগ যেমন- কর্ণিয়া, আইরিশের প্রদাহ, গ্লুকোমা বা রেট্রোবালবার নিউরাইটিস ইত্যাদি কারণেও মাথা ব্যথা হতে পারে। চক্ষুজনিত মাথা ব্যথা সাধারণত: চোখে, কপালের দু’দিকে বা মাথার পিছনে হয়ে থাকে। চক্ষুজনিত মাথা ব্যথায় চক্ষু বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। ৬. হরমোনজনিত মাথা ব্যথা: মহিলাদের মাসিক কালীন সময়ে প্রোজেষ্টেরন ও এষ্ট্রোজেন হরমোনের উঠানামার কারণে মাথা ব্যথা হতে পারে। জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি খেলেও মাথা ব্যথা হতে পারে। মাসিক চক্র শেষ হলে বা জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি খাওয়া বন্ধ করলে এ ধরণের মাথা ব্যথা ভাল হয়ে যায়।

2999 views

তবে আপনি চেস্টা করুন যাতে মাথায় কোন রকম চাপ না পরে।যেমন, দুচ্ছিন্তা করবেন না,।  আর বিশেষ করে আপনার শরীরের ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন এর অভাব আছে যার জন্য আপনি দাড়িয়ে থাওক্তে পারেন না, আপনি ভালো বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর সাথে পরামর্শে ঔষধ সেবন করুন মাথা ব্যথার কিছু কারন জেনে রাখুন: টেনশন হেডেক বা দুশ্চিন্তাজনিত মাথা ব্যথা, মাইগ্রেন হেডেক, ক্লাস্টার হেডেক, সাইনাস হেডেক, আর্জেন্ট হেডেক, আইহেডেক বা চক্ষুজনিত মাথা ব্যথা, হরমোনজনিত মাথা ব্যথা। তাছাড়া মগজের টিউমার, মগজের ঝিল্লির ভিতর রক্তপাত, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি কারণেও মাথা ব্যথা হয়। 

2999 views

মাথা ব্যথা অতিসাধারণ জিনিস। তবে এটা অনেক সময় বেশ সমস্যার কারণ হতে পারে। মানুষ তার সারা জীবনকালে কখনো না কখনো মাথা ব্যথার সমস্যায় ভুগে থাকে। চাপযুক্ত জীবনযাত্রায় মাথা ব্যথা খুব সাধারণ একটি কারণ। মাথা ব্যথা রোগকে আমরা সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করে থাকি। একটি হচ্ছে, সাধারণ মাথা ব্যথা রোগ। সব মাথা ব্যথা রোগের ৯০ ভাগ এর মধ্যে পড়ে। এর মধ্যে দুটি বিষয় পড়ে। একটি, চিন্তার জন্য মাথা ব্যথা। অপরটি মাইগ্রেনের ব্যথা। শতকরা ১০ ভাগ মানুষের  জটিল মাথা ব্যথার রোগ থাকে, যেখানে কারণ সঠিকভাবে জানা যায়। অর্থাৎ যেটার মধ্যে প্যথোলজি আছে। । মস্তিস্কের রক্তক্ষরণের জন্য হতে পারে। মস্তিস্কের রক্তনালি বন্ধ হয়ে হতে পারে। সাধারণ জ্বরের জন্য হতে পারে। বিভিন্ন সংক্রমণের জন্য হতে পারে। মস্তিস্কের প্রদাহের জন্য হতে পারে। মস্তিস্কের টিউমারের জন্য হতে পারে

2999 views

মাথা ব্যাথার অনেক কারন রয়েছে।তার মধ্য কয়েকটি নিম্মরুপ: ১/অনিদ্রা,রাত্রি জাগরণ ও অপরিমিত ঘুম। ২/অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা। ৩/অপুষ্টির অভাব। ৪/অপরিমিত পানি পান করা। ৫/নেশাজাতীয় দ্রব্য পান ইত্যাদি। *প্রতিকার নিম্মরুপ:- ১/দৈনিক ৬/৮ ঘণ্টা ঘুমান। ২/প্রতিদিন ৫-৬ লিটার পানি পান করুন। ৩/পুষ্টিকর খাবার খান। ৪/দুশ্চিন্তা কম করুন। ৫/ধুমপান পরিত্যাগ করুন। আশা করি উত্তরটি পেয়েছেন।ধন্যবাদ।

2999 views

Related Questions