6 Answers
যেকোনো ব্যায়াম করার আগে ভালো করে শরীরকে গরম করে নেওয়া উচিত।এর জন্য 10-15 মিনিট জোরে হাঁটতে পারেন।এটা করার মাধ্যমে আপনার 50% ব্যায়াম করা হয়ে যাবে।এর পর আপনি পুশ আপ করতে পারেন।তার পর একটু ভারী বস্তু হাতে নিয়ে উঠা নামা করতে পারেন।আরও ভালো হয় যদি প্রতিদিন 10 মিনিট করে সাঁতার কাটেন।এতে আপনার শরীরের প্রত্যেক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ব্যায়াম হয়ে যাবে।তবে হ্যাঁ কখনো খালি পেটে বা ভরা পেটে ব্যায়াম করবেন না।দৈনন্দিন 5 ওয়াক্ত নামাজ পরবেন।কারণ এটা ক্লিনিক্যালি প্রমাণিত যে যারা দৈনন্দিন 5 ওয়াক্ত নামাজ পরে তাদের শরীর স্বাস্থ্য ঠিক থাকে এবং পরবর্তীতে ডায়বটিস রোগ হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।তাই এটাও ব্যায়ামের মধ্যে পরে।
আপনি শরীর সুস্থতার জন্য নিচের ব্যায়াম করতে পারেব। (!) ওয়ার্ম আপ ব্যায়াম করার আগে শরীর গরম করে নিতে হয়। খেলাধুলা পরিভাষায় একে ওয়ার্ম আপ বলে। শরীর গরম হলে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়। অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সচল হয়ে ওঠে। - ওয়ার্ম আপের প্রথম ধাপ হলো স্ট্রেচিং। স্ট্রেচিং করলে অঙ্গ জোড়া/সন্ধিগুলো ঢিলা হয় ফলে ব্যায়াম এর সময় মাংসপেশির টিস্যু ছিঁড়ে না যায়।স্ট্রেচিং শেষে জগিং করতে হবে। এভাবে ৫ মিনিট দৌড়াতে হবে। জগিং এর শেষে দৌড়ের গতি বাড়াতে হবে। - সরঞ্জামবিহীন ব্যায়াম -(!) পুশ আপ (!) সিট আপ (!) বডি বেন্ডিং ফরোয়ার্ড (!) জাম্পিং - পুশ আপ হাতের শক্তি বাড়ানোর জন্য এই ব্যায়াম করা হয়। মাটিতে দুই হাত সমানভাবে ভর দিয়ে মাথা থেকে পা পর্যন্ত শরীর সোজা রেখে উপরে ও নিচে নেয়াকে পুশ আপ বলে। (+) মাটির দিকে মুখ দিয়ে তালুর উপর ভর দিয়ে শরীর সোজা রাখতে হবে। (+) কাঁধ ভেঙ্গে গোড়ালি পর্যন্ত শরীর এক লাইনে থাকবে। (+) পায়ের আঙুলের উপর ভর দিতে হবে এবং গোড়ালি উচু থাকবে। (+) হাটু একত্র ও সোজা থাকবে। - সিট আপ (+) চিত হয়ে ম্যাটে শুতে হবে। দুই হাত মাথার নিচে থাকবে। (+) শরীর সোজা ও দুই পা একত্রে থাকবে। (+) শরীরের ওপরের অংশ তুলে হাটুতে লাগানোর চেষ্টা করতে হবে। - বডি বেন্ডিং ফরোয়ার্ড (+) সমতল বা সমান কোন জায়গায় দাড়াতে হবে। (+) দুই হাটু সোজা ও দুই হাত মাথার উপরে কানের কাছে লাগানোর চেষ্টা করতে হবে। (+) আস্তে আস্তে হাত পায়ের পাতায় লাগাতে হবে এবং শরীর সামনের দিকে বাকাতে হবে। - জাম্পিং আপনি হালকা লাফ দিয়ে শরীর গরম করতে পারেন এতে আপনি শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সচল হবে এবং কর্মক্ষম থাকবে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
শারীরিক সুস্থতার জন্য সর্বত্তোম ব্যায়াম হলো হাটা,দৌড়ানো,জগিং যা কিনা যেকোনো বয়সের ব্যাক্তিই করতে পারেন।সকল রোগের উপশম,বাড়তি চর্বি,গ্লুকোজ,ডায়াবেটিস, হার্ট,কিডনি,লিভার,উচ্চ বা নিম্ন রক্ত চাপ,এমনকি কয়েক প্রকার ক্যান্সারের হাত থেকে বাচাঁয়।এর জন্য প্রতিদিন ভোরে কমপক্ষে ১ঘন্টা উক্ত ব্যায়াভ করতে হবে। আমার হার্টের রোগ নিরাময় হয়েছে ব্যায়ামএর ফলেই।
শারীরিক সুস্ততার জন্য প্রথম ব্যায়াম হচ্ছে নিয়মিত নামাজ পড়া ।তারপর হচ্ছে ভোরে দৌড়াদৌড়ি করা এবং কায়িক পরিশ্রম করা ইত্যাদি ।
ভাই শারীরিক সুস্থতার জন্য আপনাকে কোন ব্যায়াম করতে হবে না।আপনি দৈনিক পাচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করুন।ইনশাআল্লাহ আপনি শারীরিক সুস্থতা অর্জন করতে পারবেন।