আমার লিংগ (শিশ্ন) এর গোড়ায় অনেক আগে (যখন আমি ক্লাস ৭-৮ এ পড়তাম) একধরনের চুল্কানি হয়েছিল। সেখানে প্রচুর চুল্কাতো এবং ওই যায়গাটা গোল হয়ে হাল্কা ফুলে যেত এবং রক্ত বের হত। ধীরে ধীরে এটা আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ে। লজ্জায় তখন কাউকে কিছু বলিনি। প্রায় ২ বছরের মত এই চুল্কানি ছিলো। তারপরে ধীরে ধীরে আবার চলে যায়। কিন্তু আমার লিংগের গোড়া আগে একেবারে সাদা ছিল কিন্তু এই ঐ চুল্কানির পরে একদম কালো হয়ে গেছে। আমার বয়স এখন ১৮। এখনো জায়গাটা ওরকমই কালো। এখন আবার ঠিক একই ধরনের চুল্কানি একই জায়গা থেকে শুরু হচ্ছে। এখন আমার ওইখানের চামড়াটা একদমই শুস্ক হয়ে গেছে। এতটাই শুস্ক যে ওইখান থেকে (কুচকি এর আশেপাশেও) পুরনো চামড়াগুলো জোরে ঘসা দিলে ধূলোবালির মত গুড়ি গুড়ি হয়ে উঠে আসে। আর শুষ্কতার জন্য চামড়া একদম টান টান হয়ে গেছে এবং মাঝে মাঝেই কুচকির ওখান থেকে টানের জন্য চামড়া ফেটে লাল হয়ে যায় এবং প্রচন্ড ব্যাথা হয় (বিশেষ করে ঘাম লাগলে)। আর লিংগের গোড়া সহ কুচকির আশে পাশে প্রচন্ড ঘাম হয় এবং শুস্ক চামড়াগুলো ঘামে ভিজে পেস্ট টাইপের হয়ে যায়। এমতাবস্থায় আমি কি করতে পারি? আমি আমার যথাসাধ্য ভাবে বুঝিয়ে লিখার চেষ্টা করেছি। প্লিজ আমাকে সাহায্য করবেন। কোন মলম বা ঔষধের ব্যবহারে এই চুল্কানি এবং কালো ভাব এর সমস্যা থেকে আমি পরিত্রান পেতে পারি?
2900 views

3 Answers

প্রথমে আপনি গোসলের সময় তরল ডেটল পানিতে মিশিয়ে নিয়মিত গোসল করুন । জায়গাটা পরিষ্কার রাখবেন । চুলকাবেন না । তারপরও ভালো না হলে একজন মেডিসিন বা চর্ম বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানো উচিৎ । তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে পেভিসোন মলম টা লাগাতে পারেন ।

2900 views

এর জন্য আপনি ফাংগিসন ক্রিম ব্যাবহার করতে পারেন।আর লজ্জা না করে ডা: কে সব খুলে বলুন। আপনি জামনিম এর পাতা শুকিয়ে গুড়ো করে, প্রতিদিন এক  চামচ করে এক গ্লাস পানি তে মিশিয়ে খাবেন।

2900 views

সীডার ভিনিগারঃ গরম জলের সাথে ২ টেবিল চামচ সীডার ভিনিগার মিশিয়ে যৌনাঙ্গ ভালভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে। পুরুষদের যৌনাঙ্গের চুলকানি থেকে নিস্তার পেতে সপ্তাহে দুইবার এই মিশ্রণের ব্যবহার করতে হবে। ঠান্ডা ঠান্ডা বরফঃ চুলকানি থেকে তাৎক্ষনিক রেহাই এর জন্য বরফ বা বরফ-ঠান্ডা জলের সেঁক দিতে হবে। রাতের বেলা যখন এই চুলকানির তীব্রতা খুব বৃদ্ধি পায় তখন এই প্রতিকারটি খুবই কার্যকারী। নারী ও পুরুষ উভয়েরই ক্ষেত্রে এটি একটি দ্রুত প্রতিকার। নুন জলে স্নানের বিস্ময়কর ফলঃ স্নানের জলে বা বাথ-টাবে ৪ টেবিল চামচ নুন মিশিয়ে নিতে হবে। ওই জলে কমপক্ষে আধা ঘন্টা নিজেকে ভিজিয়ে রেখে বসে থাকতে হবে। এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে এই নোনা জল সংক্রমণকারী ব্যাকটেরিয়াগুলিকে বিনাশ করতে সক্ষম। এটিও যৌনাঙ্গের চুলকানি প্রতিরোধের একটি ঘরোয়া প্রতিকার। এক টাব জলে তুলসী পাতাঃ টাবের জলে তুলসী পাতা দিন। আধা ঘন্টা পরে নিজেকে ওই জলে ভিজিয়ে নিন। তুলসীপাতায় উপস্থিত বৈশিষ্ঠগুলি, ক্রমবর্ধনশীল ব্যাকটেরিয়ার সাথে লড়ে। এই যৌনাঙ্গে চুলকানির প্রতিকারটি, নারী পুরুষ উভয়েই ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

2900 views

Related Questions